হাওয়ায় ভেসে চীনা ট্রেন ছুটল ৬২০ কিমি বেগে!
jugantor
হাওয়ায় ভেসে চীনা ট্রেন ছুটল ৬২০ কিমি বেগে!

  অনলাইন ডেস্ক  

২০ জানুয়ারি ২০২১, ০৯:৪৮:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

বিশ্বে দ্রুতগতির ট্রেন প্রযুক্তিতে চীন অন্যসব উন্নত দেশকেও বেশ কয়েক ধাপ পেছনে ফেলে দিয়েছে।

এবার চীন এমন একটি উন্নত প্রযুক্তির ট্রেনের পরীক্ষা চালিয়েছে, যেটির সর্বোচ্চ গতি প্রতি ঘণ্টায় ৬২০ কিলোমিটার। সম্প্রতি তারা ‘ম্যাগলেভ’ প্রযুক্তিনির্ভর ওই প্রোটোটাইপ ট্রেনের পরীক্ষা চালিয়েছে। সিনহুয়া ও সিএনএনের।

‘ম্যাগলেভ’ শব্দটি এসেছে ম্যাগনেটিক লেভিটেশন শব্দ যুগল থেকে। অর্থাৎ এই প্রযুক্তিতে ট্রেনকে তড়িৎ চুম্বকীয় শক্তির মাধ্যমে প্রায় ভাসমান অবস্থায় এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ফলে ট্রেন লাইনের সঙ্গে ইঞ্জিন বা কামরার ঘর্ষণ হয় না। ফলে গতি অনেক বাড়িয়ে দেওয়া যায়।

চীনের এই প্রোটোটাইপ ট্রেনটি তৈরি করেছেন দ্যা সাউথওয়েস্ট জিয়াওটং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। এই ট্রেনে কোনো চাকা নেই। এই ট্রেনটি চুম্বকীয় বলেই রেললাইনের ওপর ভাসমান অবস্থায় থাকে। ৬৯ ফুটের এই প্রোটোটাইপটি সম্প্রতি চীনের চেংদুতে প্রকাশ্যে আনা হয়।

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, আগামী তিন থেকে ১০ বছরের মধ্যে এটি মানুষের ব্যবহারের জন্য চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেয়ে যাবে। সেই সঙ্গে চেষ্টা চলছে ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি ৬২০ থেকে বাড়িয়ে প্রতি ঘণ্টায় ৮০০ কিলোমিটারে নিয়ে যেতে।

হাওয়ায় ভেসে চীনা ট্রেন ছুটল ৬২০ কিমি বেগে!

 অনলাইন ডেস্ক 
২০ জানুয়ারি ২০২১, ০৯:৪৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিশ্বে দ্রুতগতির ট্রেন প্রযুক্তিতে চীন অন্যসব উন্নত দেশকেও বেশ কয়েক ধাপ পেছনে ফেলে দিয়েছে।

এবার চীন এমন একটি উন্নত প্রযুক্তির ট্রেনের পরীক্ষা চালিয়েছে, যেটির সর্বোচ্চ গতি প্রতি ঘণ্টায় ৬২০ কিলোমিটার। সম্প্রতি তারা ‘ম্যাগলেভ’ প্রযুক্তিনির্ভর ওই প্রোটোটাইপ ট্রেনের পরীক্ষা চালিয়েছে। সিনহুয়া ও সিএনএনের।

‘ম্যাগলেভ’ শব্দটি এসেছে ম্যাগনেটিক লেভিটেশন শব্দ যুগল থেকে। অর্থাৎ এই প্রযুক্তিতে ট্রেনকে তড়িৎ চুম্বকীয় শক্তির মাধ্যমে প্রায় ভাসমান অবস্থায় এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ফলে ট্রেন লাইনের সঙ্গে ইঞ্জিন বা কামরার ঘর্ষণ হয় না। ফলে গতি অনেক বাড়িয়ে দেওয়া যায়।

চীনের এই প্রোটোটাইপ ট্রেনটি তৈরি করেছেন দ্যা সাউথওয়েস্ট জিয়াওটং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। এই ট্রেনে কোনো চাকা নেই। এই ট্রেনটি চুম্বকীয় বলেই রেললাইনের ওপর ভাসমান অবস্থায় থাকে। ৬৯ ফুটের এই প্রোটোটাইপটি সম্প্রতি চীনের চেংদুতে প্রকাশ্যে আনা হয়।

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, আগামী তিন থেকে ১০ বছরের মধ্যে এটি মানুষের ব্যবহারের জন্য চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেয়ে যাবে। সেই সঙ্গে চেষ্টা চলছে ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি ৬২০ থেকে বাড়িয়ে প্রতি ঘণ্টায় ৮০০ কিলোমিটারে নিয়ে যেতে।