দুই মেয়েকে খুনের পর দম্পতির দাবি, ‘ওদের বাঁচিয়ে তুলতে পারব’
jugantor
দুই মেয়েকে খুনের পর দম্পতির দাবি, ‘ওদের বাঁচিয়ে তুলতে পারব’

  অনলাইন ডেস্ক  

২৬ জানুয়ারি ২০২১, ১৮:৫৫:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

বাবা-মায়ের সঙ্গে দুই মেয়ে

বাবা-মায়ের হাতে খুন হয়েছেন দুই বোন। এ ঘটনায় প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ বাড়িতে যায়। এ সময় নিহত দুই তরুণীর মা দাবি করেন, এক দিন সময় পেলেই তারা মেয়েদের বাঁচিয়ে তুলতে পারবেন।

রোববার ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের চিত্তুর জেলার মাদানাপাল্লে মণ্ডলে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে পুলিশ বলছে, এই ঘটনার পেছনে অন্ধবিশ্বাসের কোনো প্রথা জড়িত রয়েছে।

নিহত দুই তরুণীর নাম আলেখ্য (২৭) ও দিব্যা (২৩)।

পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, তারা দু’জনেই (দুই বোন) লাল শাড়ি পরা অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে রয়েছেন। তাদের মাথা থেকে রক্ত বেয়ে পড়ছে।

মেয়েদের খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত বাবা-মা হলেন ভি পদ্মজা এবং ভি পুরষোত্তম নাইডু। তাদের দুজনের বয়সই ৫০-এর ঘরে। দুইজনেই উচ্চশিক্ষিত এবং শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে জড়িত।

জানা যায়, দুই মেয়েকে খুনের আগে ওই দম্পতির বাড়িতে পূজা হয়। পুলিশ জানায়, ওই দম্পতি মনে করতেন, তাদের মেয়েদের মধ্যে কোনও অশুভ শক্তি বাসা বেঁধেছে।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছে, দুই বোন খুনের আগে লাল শাড়ি পরে নিজেদের বাড়ি প্রদক্ষিণ করতে দেখেন। অনুষ্ঠানের পর রাতেই পদ্মজা দুই মেয়ের মাথায় ডাম্বল দিয়ে আঘাত করেন। এতে তার স্বামী কোনো রকম বাধা দেননি। পুলিশ বাড়িতে এলেও তাদেরকে কোনো রকম বাধা দেওয়া হয়নি।

তদন্তকারী পুলিশ কর্মকতা রবি মনোহরা ছারি বলেছেন, অপরাধস্থলের অবস্থা দেখে বোঝা যাচ্ছিল, সেখানে পূজা হয়েছিল। দুই যুবতী লাল শাড়িতে লুটিয়ে পড়েছিল। এবং ওই দম্পতি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওই বাড়িতে চারজনই থাকতেন। পদ্মজা মেয়েদের মারার সময় পুরষোত্তম কোনো বাধা দেননি। ওই বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরার খোঁজ পাওয়া গেছে, তা বিশ্লেষণ করে দেখা হবে। মনে হচ্ছে এই খুনের সঙ্গে অন্ধবিশ্বাস জড়িয়ে রয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর অভিযুক্তরা বলেছে, একদিন সময় দিলে তারা মৃত মেয়েদের বাঁচিয়ে তুলবেন।’

দুই মেয়েকে খুনের পর দম্পতির দাবি, ‘ওদের বাঁচিয়ে তুলতে পারব’

 অনলাইন ডেস্ক 
২৬ জানুয়ারি ২০২১, ০৬:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাবা-মায়ের সঙ্গে দুই মেয়ে
বাবা-মায়ের সঙ্গে দুই মেয়ে। ছবি: সংগৃহীত

বাবা-মায়ের হাতে খুন হয়েছেন দুই বোন। এ ঘটনায় প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ বাড়িতে যায়। এ সময় নিহত দুই তরুণীর মা দাবি করেন, এক দিন সময় পেলেই তারা মেয়েদের বাঁচিয়ে তুলতে পারবেন।  

রোববার ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের চিত্তুর জেলার মাদানাপাল্লে মণ্ডলে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে পুলিশ বলছে, এই ঘটনার পেছনে অন্ধবিশ্বাসের কোনো প্রথা জড়িত রয়েছে।

নিহত দুই তরুণীর নাম আলেখ্য (২৭) ও দিব্যা (২৩)। 

পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, তারা দু’জনেই (দুই বোন) লাল শাড়ি পরা অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে রয়েছেন। তাদের মাথা থেকে রক্ত বেয়ে পড়ছে।  

মেয়েদের খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত বাবা-মা হলেন ভি পদ্মজা এবং ভি পুরষোত্তম নাইডু। তাদের দুজনের বয়সই ৫০-এর ঘরে। দুইজনেই উচ্চশিক্ষিত এবং শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে জড়িত।

জানা যায়, দুই মেয়েকে খুনের আগে ওই দম্পতির বাড়িতে পূজা হয়। পুলিশ জানায়, ওই দম্পতি মনে করতেন, তাদের মেয়েদের মধ্যে কোনও অশুভ শক্তি বাসা বেঁধেছে।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছে, দুই বোন খুনের আগে লাল শাড়ি পরে নিজেদের বাড়ি প্রদক্ষিণ করতে দেখেন।  অনুষ্ঠানের পর রাতেই পদ্মজা দুই মেয়ের মাথায় ডাম্বল দিয়ে আঘাত করেন। এতে তার স্বামী কোনো রকম বাধা দেননি। পুলিশ বাড়িতে এলেও তাদেরকে কোনো রকম বাধা দেওয়া হয়নি। 

তদন্তকারী পুলিশ কর্মকতা রবি মনোহরা ছারি বলেছেন, অপরাধস্থলের অবস্থা দেখে বোঝা যাচ্ছিল, সেখানে পূজা হয়েছিল। দুই যুবতী লাল শাড়িতে লুটিয়ে পড়েছিল। এবং ওই দম্পতি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওই বাড়িতে চারজনই থাকতেন। পদ্মজা মেয়েদের মারার সময় পুরষোত্তম কোনো বাধা দেননি। ওই বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরার খোঁজ পাওয়া গেছে, তা বিশ্লেষণ করে দেখা হবে। মনে হচ্ছে এই খুনের সঙ্গে অন্ধবিশ্বাস জড়িয়ে রয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর অভিযুক্তরা বলেছে, একদিন সময় দিলে তারা মৃত মেয়েদের বাঁচিয়ে তুলবেন।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন