‘এরদোগানকে ক্ষমতা থেকে সরাতে জীবন দিতে রাজি’
jugantor
‘এরদোগানকে ক্ষমতা থেকে সরাতে জীবন দিতে রাজি’

  অনলাইন ডেস্ক  

২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১৫:৪৬:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

‘এরদোগানকে ক্ষমতা থেকে সরাতে জীবন দিতে রাজি’

নির্বাচনে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের পরাজয় ও তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়ার বিনিময়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে রাজি আছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির বিরোধীদলীয় সাবেক এক নেতা।

রিপাবলিকান পিপল’স পার্টির (সিএইচপি) সাবেক নেতা আয়ুটুগ আটিসি বলেন, আমি দেখতে চাই, যত দ্রুত সম্ভব এরদোগান ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছেন। এটা খুবই পরিষ্কার। কিন্তু কীভাবে?

‘গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচন দেয়া হোক এবং আমরা তাকে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য করবো। খোলাখুলিভাবে বলছি, আর এসব অর্জনের জন্য আমি জীবন দিয়ে দেব। এই ইস্যুতে সর্বোচ্চ আমরা এতুটুকু উৎসর্গ করতে পারি।’

এক কর্মসূচিতে অন্যান্য বক্তাদের পাশাপাশি এই রাজনীতিবিদ বলেন, আমি কেবল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার কথা বলছি।-খবর ডেইলি সাবাহ’র

তিনি আরও জানান, হাজারো সরাসরি সম্প্রচারে আমরা অংশগ্রহণ করেছি। আমার কথাগুলো কী; তা দর্শকেরা জানেন। গণতান্ত্রিকভাবে এরদোগানকে ক্ষমতাচ্যুত করতে আমি সবকিছু করতে রাজি আছি।

চলতি মাসের শুরুতে বিরোধী সাংবাদিক ক্যান আটকলি বিতর্কিত একটি মন্তব্য করে আলোড়ন তোলেন। তিনি বলেন, এরদোগানকে ক্ষমতা থেকে সরাতে ব্যাপক গণবিক্ষোভ দরকার।

২০০১ সালে জাস্টিস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টি গঠনের পর থেকে তুরস্কের রাজনীতিতে প্রাধান্য বিস্তার করে আসছেন এরদোগান।

তার নেতৃত্বে দলটি গতিশীলতা পায় এবং ২০০২ সালের ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে ৩৪ দশমিক ২৮ শতাংশ ভোট নিয়ে নেতৃত্বে স্থানে চলে যায়। এরপর থেকে দলটি ছয় সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে প্রতিটিতে জয়ী হয়েছে একে পার্টি।

‘এরদোগানকে ক্ষমতা থেকে সরাতে জীবন দিতে রাজি’

 অনলাইন ডেস্ক 
২৭ জানুয়ারি ২০২১, ০৩:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘এরদোগানকে ক্ষমতা থেকে সরাতে জীবন দিতে রাজি’
ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের পরাজয় ও তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়ার বিনিময়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে রাজি  আছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির বিরোধীদলীয় সাবেক এক নেতা।

রিপাবলিকান পিপল’স পার্টির (সিএইচপি) সাবেক নেতা আয়ুটুগ আটিসি বলেন, আমি দেখতে চাই, যত দ্রুত সম্ভব এরদোগান ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছেন। এটা খুবই পরিষ্কার। কিন্তু কীভাবে? 

‘গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচন দেয়া হোক এবং আমরা তাকে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য করবো। খোলাখুলিভাবে বলছি, আর এসব অর্জনের জন্য আমি জীবন দিয়ে দেব। এই ইস্যুতে সর্বোচ্চ আমরা এতুটুকু উৎসর্গ করতে পারি।’

এক কর্মসূচিতে অন্যান্য বক্তাদের পাশাপাশি এই রাজনীতিবিদ বলেন, আমি কেবল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার কথা বলছি।-খবর ডেইলি সাবাহ’র

তিনি আরও জানান, হাজারো সরাসরি সম্প্রচারে আমরা অংশগ্রহণ করেছি। আমার কথাগুলো কী; তা দর্শকেরা জানেন। গণতান্ত্রিকভাবে এরদোগানকে ক্ষমতাচ্যুত করতে আমি সবকিছু করতে রাজি আছি।

চলতি মাসের শুরুতে বিরোধী সাংবাদিক ক্যান আটকলি বিতর্কিত একটি মন্তব্য করে আলোড়ন তোলেন। তিনি বলেন, এরদোগানকে ক্ষমতা থেকে সরাতে ব্যাপক গণবিক্ষোভ দরকার।

২০০১ সালে জাস্টিস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টি গঠনের পর থেকে তুরস্কের রাজনীতিতে প্রাধান্য বিস্তার করে আসছেন এরদোগান। 

তার নেতৃত্বে দলটি গতিশীলতা পায় এবং ২০০২ সালের ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে ৩৪ দশমিক ২৮ শতাংশ ভোট নিয়ে নেতৃত্বে স্থানে চলে যায়। এরপর থেকে দলটি ছয় সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে প্রতিটিতে জয়ী হয়েছে একে পার্টি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন