রুশ ও তুর্কি বাহিনীকে লিবিয়া ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান
jugantor
রুশ ও তুর্কি বাহিনীকে লিবিয়া ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান

  অনলাইন ডেস্ক  

২৯ জানুয়ারি ২০২১, ১৯:৪৮:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

লিবিয়ায় তুর্কি সেনা

যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়া থেকে তুর্কি ও রুশ বাহিনীকে সরিয়ে নিতে দেশ দুটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন।

জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রিচার্ড মিলস বলেন, ‘লিবিয়ার সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান দেখাতে এবং দেশটিতে সব ধরনের সামরিক হস্তক্ষেপ দ্রুত বন্ধ করতে রাশিয়া, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বাইরের সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। অক্টোবরের যুদ্ধবিরতি চুক্তিমতে আমরা তুরস্ক ও রাশিয়ার কাছে তাৎক্ষণিকভাবে লিবিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার এবং নিজেদের সমর্থিত বিদেশি ভাড়াটে, প্রক্সিগুলো অপসারণের আহ্বান জানাই।’

২০১১ সালে আরব বসন্তের প্রভাবে বিক্ষোভ ও গৃহযুদ্ধে লিবিয়ার দীর্ঘকালীন শাসক মুয়াম্মার আল-গাদ্দাফির পদচ্যুতি ও নিহত হওয়ার পর দেশটি দু’পক্ষে বিভক্ত হয়ে পড়ে।

জাতিসংঘ স্বীকৃত লিবিয়ার সরকার রাজধানী ত্রিপোলিসহ দেশটির পশ্চিমাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে।

অন্যদিকে বেনগাজিকে কেন্দ্র করে মিসর, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমর্থিত বিদ্রোহী জেনারেল খলিফা হাফতারের বাহিনী দেশটির পূর্বাঞ্চলের দখল নেয়।

এদিকেপররাষ্ট্রনীতিতে তুরস্ক গত বছরের জানুয়ারিতে লিবিয়ার সঙ্গে ভূমধ্যসাগরে জলসীমা চুক্তি করে। লিবিয়ার সাথে ওই চুক্তির পর তুরস্ক সামরিক শক্তি দিয়ে লিবিয়ার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের পাশে দাঁড়ায়।

দেশটির প্রায় ৮০ ভাগ দখলকারী, এমনকি রাজধানী ত্রিপলির উপকণ্ঠ পর্যন্ত ত্রাস ছড়ানো সন্ত্রাসী খলিফা হাফতারের বাহিনীকে পিছু হটাতে বাধ্য করেছে তুরস্ক। মরুর বুকে তুরস্কের সামরিক শক্তির উত্থান দেখেছে বিশ্ব। ত্রিপলি ভিত্তিক বৈধ সরকারকে হাঁফ ছেড়ে বাঁচতে সাহায্য করেছে।

লিবিয়ার সাথে এই চুক্তির বলেই তুরস্ক নৌবাহিনী দাবিয়ে বেড়িয়েছে ভূমধ্য সাগরে। তুরস্ক আরও দৃঢ় ভাবে ভূমধ্য সাগরে নিজের অবস্থানের জানান দিতে পেরেছে। গ্রিস, ইসরাইল, মিশর, সিরিয়া এক হয়ে ভূমধ্য সাগরে তুরস্ককে যে কোণঠাসা করার পরিকল্পনা করছিল তা ধূলিস্যাৎ করে দিয়েছে।

রুশ ও তুর্কি বাহিনীকে লিবিয়া ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান

 অনলাইন ডেস্ক 
২৯ জানুয়ারি ২০২১, ০৭:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
লিবিয়ায় তুর্কি সেনা
ফাইল ছবি

যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়া থেকে তুর্কি ও রুশ বাহিনীকে সরিয়ে নিতে দেশ দুটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন। 

জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রিচার্ড মিলস বলেন, ‘লিবিয়ার সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান দেখাতে এবং দেশটিতে সব ধরনের সামরিক হস্তক্ষেপ দ্রুত বন্ধ করতে রাশিয়া, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বাইরের সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। অক্টোবরের যুদ্ধবিরতি চুক্তিমতে আমরা তুরস্ক ও রাশিয়ার কাছে তাৎক্ষণিকভাবে লিবিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার এবং নিজেদের সমর্থিত বিদেশি ভাড়াটে, প্রক্সিগুলো অপসারণের আহ্বান জানাই।’ 

২০১১ সালে আরব বসন্তের প্রভাবে বিক্ষোভ ও গৃহযুদ্ধে লিবিয়ার দীর্ঘকালীন শাসক মুয়াম্মার আল-গাদ্দাফির পদচ্যুতি ও নিহত হওয়ার পর দেশটি দু’পক্ষে বিভক্ত হয়ে পড়ে।

জাতিসংঘ স্বীকৃত লিবিয়ার সরকার রাজধানী ত্রিপোলিসহ দেশটির পশ্চিমাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে। 

অন্যদিকে বেনগাজিকে কেন্দ্র করে মিসর, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমর্থিত বিদ্রোহী জেনারেল খলিফা হাফতারের বাহিনী দেশটির পূর্বাঞ্চলের দখল নেয়।

এদিকে পররাষ্ট্রনীতিতে তুরস্ক গত বছরের জানুয়ারিতে লিবিয়ার সঙ্গে ভূমধ্যসাগরে জলসীমা চুক্তি করে। লিবিয়ার সাথে ওই চুক্তির পর তুরস্ক সামরিক শক্তি দিয়ে লিবিয়ার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের পাশে দাঁড়ায়। 

দেশটির প্রায় ৮০ ভাগ দখলকারী, এমনকি রাজধানী ত্রিপলির উপকণ্ঠ পর্যন্ত ত্রাস ছড়ানো সন্ত্রাসী খলিফা হাফতারের বাহিনীকে পিছু হটাতে বাধ্য করেছে তুরস্ক। মরুর বুকে তুরস্কের সামরিক শক্তির উত্থান দেখেছে বিশ্ব। ত্রিপলি ভিত্তিক বৈধ সরকারকে হাঁফ ছেড়ে বাঁচতে সাহায্য করেছে। 

লিবিয়ার সাথে এই চুক্তির বলেই তুরস্ক নৌবাহিনী দাবিয়ে বেড়িয়েছে ভূমধ্য সাগরে। তুরস্ক আরও দৃঢ় ভাবে ভূমধ্য সাগরে নিজের অবস্থানের জানান দিতে পেরেছে। গ্রিস, ইসরাইল, মিশর, সিরিয়া এক হয়ে ভূমধ্য সাগরে তুরস্ককে যে কোণঠাসা করার পরিকল্পনা করছিল তা ধূলিস্যাৎ করে দিয়েছে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : যুক্তরাষ্ট্র-তুরস্ক সঙ্কট