উইঘুর গণহত্যা: চীনের শীতকালীন অলিম্পিক বর্জনের আহ্বান
jugantor
উইঘুর গণহত্যা: চীনের শীতকালীন অলিম্পিক বর্জনের আহ্বান

  অনলাইন ডেস্ক  

০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৪:৪০:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

উইঘুর গণহত্যা: চীনের শীতকালীন অলিম্পিক বর্জনের আহ্বান

বেইজিংয়ের ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিক গেমস বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে ১৮০ টির বেশি মানবাধিকার সংস্থা। চীনের ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

তিব্বত, তাইওয়ান ও উইঘুরদের সমর্থনে আঞ্চলিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জোট জানিয়েছে, ২০১৫ সালে বেইজিংয়ে গেমসের অনুমোদন দিয়ে যে আশার কথা বলা হয়েছিল, পরবর্তীতে তা বিবর্ণ হয়ে গেছে।

‘এর পর থেকে মৌলিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্ন ধরপাকড় চালিয়ে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।’

২০০৮ সালে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে যা হয়েছিল, এবার যাতে সে রকম উৎসাহিত না করা হয়, তা নিশ্চিত করতে এবার অনুষ্ঠান বর্জন করতে বিভিন্ন দেশের সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানায় মানবাধিকার কর্মীরা। ব্রিটিশ পত্রিকা গার্ডিয়ান এমন খবর দিয়েছি।

চলতি বছরে প্রকাশিত একটি খোলা চিঠিতে বলা হয়, ২০০৮ সালে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি আমাদের কথা শুনতে অস্বীকার করেছে। তখন তারা নিজেদের সিদ্ধান্তকে মানবাধিকারের উন্নয়নে অনুঘটকের ভূমিকা রাখবে বলে দাবি করেছিলেন।

‘তখন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, এই সিদ্ধান্ত ভুল হিসেবেই প্রমাণিত হবে। পরে দেখা গেছে, চীনের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতি ঘটার বদলে অবনতি হয়েছে।’

মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো বলছে, ২০২১ সালে এসেও আমরা সেই আগের অবস্থায় নিজেদের খুঁজে পেয়েছি। গণহত্যা ও চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার পরিষ্কার প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক অলিম্পক কমিটি আমাদের দাবি অস্বীকার করেছে।

উইঘুরসহ অন্যান্য মুসলমান জনগোষ্ঠীর ওপর অব্যাহত নিপীড়নের ফলে আন্তর্জাতিকভাবে চাপে রয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনৈতিক শক্তি চীন। এছাড়া হংকংয়ে ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপরও ধরপাকড় চালাচ্ছে দেশটি।

উইঘুর গণহত্যা: চীনের শীতকালীন অলিম্পিক বর্জনের আহ্বান

 অনলাইন ডেস্ক 
০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০২:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
উইঘুর গণহত্যা: চীনের শীতকালীন অলিম্পিক বর্জনের আহ্বান
ছবি: সংগৃহীত

বেইজিংয়ের ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিক গেমস বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে ১৮০ টির বেশি মানবাধিকার সংস্থা। চীনের ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

তিব্বত, তাইওয়ান ও উইঘুরদের সমর্থনে আঞ্চলিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জোট জানিয়েছে, ২০১৫ সালে বেইজিংয়ে গেমসের অনুমোদন দিয়ে যে আশার কথা বলা হয়েছিল, পরবর্তীতে তা বিবর্ণ হয়ে গেছে। 

‘এর পর থেকে মৌলিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্ন ধরপাকড় চালিয়ে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।’

২০০৮ সালে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে যা হয়েছিল, এবার যাতে সে রকম উৎসাহিত না করা হয়, তা নিশ্চিত করতে এবার অনুষ্ঠান বর্জন করতে বিভিন্ন দেশের সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানায় মানবাধিকার কর্মীরা। ব্রিটিশ পত্রিকা গার্ডিয়ান এমন খবর দিয়েছি।

চলতি বছরে প্রকাশিত একটি খোলা চিঠিতে বলা হয়, ২০০৮ সালে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি আমাদের কথা শুনতে অস্বীকার করেছে। তখন তারা নিজেদের সিদ্ধান্তকে মানবাধিকারের উন্নয়নে অনুঘটকের ভূমিকা রাখবে বলে দাবি করেছিলেন। 

‘তখন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, এই সিদ্ধান্ত ভুল হিসেবেই প্রমাণিত হবে। পরে দেখা গেছে, চীনের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতি ঘটার বদলে অবনতি হয়েছে।’

মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো বলছে, ২০২১ সালে এসেও আমরা সেই আগের অবস্থায় নিজেদের খুঁজে পেয়েছি। গণহত্যা ও চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার পরিষ্কার প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক অলিম্পক কমিটি আমাদের দাবি অস্বীকার করেছে।

উইঘুরসহ অন্যান্য মুসলমান জনগোষ্ঠীর ওপর অব্যাহত নিপীড়নের ফলে আন্তর্জাতিকভাবে চাপে রয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনৈতিক শক্তি চীন। এছাড়া হংকংয়ে ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপরও ধরপাকড় চালাচ্ছে দেশটি। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : চীনে উইঘুর নির্যাতন