তুরস্কের কিশোরীকে পিটিয়ে হাড়গোড় ভেঙে দিল জার্মানির পুলিশ
jugantor
তুরস্কের কিশোরীকে পিটিয়ে হাড়গোড় ভেঙে দিল জার্মানির পুলিশ

  অনলাইন ডেস্ক  

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:৪২:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

জার্মানির এনেপেটাল শহরে ইয়াসমিন (১৭) নামে তুরস্কের এক কিশোরীকে পিটিয়ে হাড় ভেঙে দিয়েছে পুলিশ।

খবর পেয়ে তার বাবা সেমিল বাসনজেল তাকে উদ্ধার করতে গেলে পুলিশ তাকে ধরেও বেধড়ক পিটুনি দিয়েছে। খবর আনাদোলুর।

একটি তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে গত ৩ ফেব্রুয়ারি ইয়াসমিনের বন্ধুরা পুলিশে ফোন দিয়ে অভিযোগ করলে তারা এসেই তুর্কি ওই কিশোরীকে ধরে মারধর শুরু করে।

এ সময় ইয়াসমিন তার কী অপরাধ, এ প্রশ্ন করলে ক্ষেপে গিয়ে তিন পুলিশ সদস্য আরও বেপরোয়া হয়ে পেটাতে থাকেন তাকে।

পুলিশের বেধড়ক পিটুনিতে তার পাঁজরের একটি হাড় ভেঙে গেছে, মুখ রক্তাক্ত হয়ে যায়। তার বাবা গিয়ে পুলিশের কাছে মারধরের কারণ জানতে চাইলে তার ওপরও চড়াও হয় তারা।

তুরস্ক থেকে ২০০১ সালে জার্মিতে আসে তুর্কি ওই পরিবারটি। ইয়াসমিনের বাবা স্থানীয় একটি কারখানার শ্রমিক। বর্বরোচিত এ হামলার জন্য পুলিশের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করবেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তিনি।

ধারনা করা হচ্ছে, ইসলামফোবিয়ার কারণে পুলিশ ওই মুসলিম কিশোরী এবং তার বাবার সঙ্গে এ আচরণ করেছেন।

তুরস্কের কিশোরীকে পিটিয়ে হাড়গোড় ভেঙে দিল জার্মানির পুলিশ

 অনলাইন ডেস্ক 
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:৪২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জার্মানির এনেপেটাল শহরে ইয়াসমিন (১৭) নামে তুরস্কের এক কিশোরীকে পিটিয়ে হাড় ভেঙে দিয়েছে পুলিশ।

খবর পেয়ে তার বাবা সেমিল বাসনজেল তাকে উদ্ধার করতে গেলে পুলিশ তাকে ধরেও বেধড়ক পিটুনি দিয়েছে। খবর আনাদোলুর।

একটি তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে গত ৩ ফেব্রুয়ারি ইয়াসমিনের বন্ধুরা পুলিশে ফোন দিয়ে অভিযোগ করলে তারা এসেই তুর্কি ওই কিশোরীকে ধরে মারধর শুরু করে।
 
এ সময় ইয়াসমিন তার কী অপরাধ, এ প্রশ্ন করলে ক্ষেপে গিয়ে তিন পুলিশ সদস্য আরও বেপরোয়া হয়ে পেটাতে থাকেন তাকে।

পুলিশের বেধড়ক পিটুনিতে তার পাঁজরের একটি হাড় ভেঙে গেছে, মুখ রক্তাক্ত হয়ে যায়। তার বাবা গিয়ে পুলিশের কাছে মারধরের কারণ জানতে চাইলে তার ওপরও চড়াও হয় তারা।

তুরস্ক থেকে ২০০১ সালে জার্মিতে আসে তুর্কি ওই পরিবারটি। ইয়াসমিনের বাবা স্থানীয় একটি কারখানার শ্রমিক। বর্বরোচিত এ হামলার জন্য পুলিশের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করবেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তিনি।  

ধারনা করা হচ্ছে, ইসলামফোবিয়ার কারণে পুলিশ ওই মুসলিম কিশোরী এবং তার বাবার সঙ্গে এ আচরণ করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন