উইঘুর ইস্যুতে চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া হুশিয়ারি
jugantor
উইঘুর ইস্যুতে চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া হুশিয়ারি

  অনলাইন ডেস্ক  

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৩:৩৯:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের নির্যাতন, তিব্বত ও হংকং ইস্যুতে নেওয়া চীনা পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন শনিবার বেইজিংকে দক্ষিণ এশীয় স্থিতিশীলতার পক্ষে হুমকি আখ্যা দিয়ে হুশিয়ার করেছেন, অবিলম্বে তাদের সব অবৈধ কর্মকাণ্ড জবাবদিহিতার মধ্যে আনা হবে। খবর রয়টার্সের।

শুক্রবার চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সেন্ট্রাল ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিশনের পরিচালক ইয়াং জিয়েচির সঙ্গে কথা বলেছেন ব্লিংকেন।

পরে এক টুইটবার্তায় তিনি বলেন, আমি স্পষ্ট করে বলেছি- আমাদের জাতীয় স্বার্থ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক নীতির তোয়াক্কা না করার অভিযোগে চীনকে জবাবদিহির আওতায় আনার পদক্ষেপ নেবে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে– শিনজিয়াং, তিব্বত ও হংকং ইস্যুসহ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা এবং মানবাধিকার রক্ষায় পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র।

এ ছাড়া মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যে নিন্দা জানিয়েছে, তাতে যুক্ত হওয়ার জন্যও চীনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময় চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। কিন্তু ট্রাম্প যেসব নীতি গ্রহণ করেছেন, সেই নীতিই ধরে রাখার ঘোষণা দিয়েছেন ব্লিংকেন।

ব্লিংকেন বলেন, এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা নষ্টের ক্ষেত্রে চীন যে হুমকি সৃষ্টি করেছে, তার জন্য দেশটিকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

উইঘুর ইস্যুতে চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া হুশিয়ারি

 অনলাইন ডেস্ক 
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০১:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের নির্যাতন, তিব্বত ও হংকং ইস্যুতে নেওয়া চীনা পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন শনিবার বেইজিংকে দক্ষিণ এশীয় স্থিতিশীলতার পক্ষে হুমকি আখ্যা দিয়ে হুশিয়ার করেছেন, অবিলম্বে তাদের সব অবৈধ কর্মকাণ্ড জবাবদিহিতার মধ্যে আনা হবে। খবর রয়টার্সের।

শুক্রবার চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সেন্ট্রাল ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিশনের পরিচালক ইয়াং জিয়েচির সঙ্গে কথা বলেছেন ব্লিংকেন।

পরে এক টুইটবার্তায় তিনি বলেন, আমি স্পষ্ট করে বলেছি- আমাদের জাতীয় স্বার্থ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক নীতির তোয়াক্কা না করার অভিযোগে চীনকে জবাবদিহির আওতায় আনার পদক্ষেপ নেবে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে– শিনজিয়াং, তিব্বত ও হংকং ইস্যুসহ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা এবং মানবাধিকার রক্ষায় পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র।

এ ছাড়া মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যে নিন্দা জানিয়েছে, তাতে যুক্ত হওয়ার জন্যও চীনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময় চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। কিন্তু ট্রাম্প যেসব নীতি গ্রহণ করেছেন, সেই নীতিই ধরে রাখার ঘোষণা দিয়েছেন ব্লিংকেন।

ব্লিংকেন বলেন, এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা নষ্টের ক্ষেত্রে চীন যে হুমকি সৃষ্টি করেছে, তার জন্য দেশটিকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : চীনে উইঘুর নির্যাতন

আরও খবর