লেবাননে করোনাভাইরাসে ৬৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৪৯৬ জন  
jugantor
লেবাননে করোনাভাইরাসে ৬৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৪৯৬ জন  

  ওয়াসীম আকরাম, লেবানন থেকে  

০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:৪৭:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

লেবাননে নতুনভাবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৬৭ জন মারা গেছেন এবং আরও ২ হাজার ৪৯৬ জন নতুনভাবে আক্রান্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ১৪ হাজার ১৪১ জনের (কোভিড ১৯) নমুনা পরীক্ষা করে এ আক্রান্ত শনাক্ত করা হয়েছে। গত দুই সপ্তাহে পরীক্ষাগুলোর ইতিবাচক হার দাঁড়িয়েছে ২১.৮ শতাংশ।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির শেষদিকে এদেশে প্রথম ভাইরাসটি শনাক্ত হওয়ার পর মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৬২ জন এবং মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ১৭ হাজার ৮৩৬ জন।

এছাড়া ২ হাজার ২৬০ জন কোভিড-১৯ রোগী বিভিন্ন হাসপাতালের আইসিইউতে এবং ভেন্টিলেটরে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
শুক্রবার ৯৮ জন সর্বোচ্চ করোনাভাইরাস সংক্রান্ত মৃত্যুর রেকর্ড করা হয়েছে।

সম্প্রতি ২৫ দিনের লকডাউন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চার পর্যায়ের পরিকল্পনায় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে সুপার মার্কেট, ব্যাংক এবং কয়েকটি কারখানা নির্দিষ্ট ক্ষমতা নির্দেশিকায় খোলার মাধ্যমে কার্যকর হবে। এক পর্যায় থেকে অন্য পর্যায়ে স্থানান্তর প্রতি দুই সপ্তাহ অন্তর শুরু হবে।

লেবাননে করোনাভাইরাসে ৬৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৪৯৬ জন  

 ওয়াসীম আকরাম, লেবানন থেকে 
০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

লেবাননে  নতুনভাবে  করোনাভাইরাসে  আক্রান্ত হয়ে ৬৭ জন মারা গেছেন এবং আরও ২ হাজার ৪৯৬ জন নতুনভাবে আক্রান্ত  হয়েছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ১৪ হাজার ১৪১ জনের (কোভিড ১৯) নমুনা পরীক্ষা করে এ আক্রান্ত শনাক্ত করা হয়েছে। গত দুই সপ্তাহে পরীক্ষাগুলোর ইতিবাচক হার দাঁড়িয়েছে ২১.৮ শতাংশ।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির শেষদিকে এদেশে প্রথম ভাইরাসটি শনাক্ত হওয়ার পর মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৬২ জন এবং মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ১৭ হাজার ৮৩৬ জন।

এছাড়া  ২ হাজার ২৬০ জন কোভিড-১৯ রোগী বিভিন্ন  হাসপাতালের আইসিইউতে এবং ভেন্টিলেটরে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
শুক্রবার ৯৮ জন সর্বোচ্চ করোনাভাইরাস সংক্রান্ত মৃত্যুর রেকর্ড করা হয়েছে।

সম্প্রতি ২৫ দিনের লকডাউন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চার পর্যায়ের পরিকল্পনায় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে সুপার মার্কেট, ব্যাংক এবং কয়েকটি কারখানা নির্দিষ্ট ক্ষমতা নির্দেশিকায় খোলার মাধ্যমে কার্যকর হবে। এক পর্যায় থেকে অন্য পর্যায়ে স্থানান্তর প্রতি দুই সপ্তাহ অন্তর শুরু হবে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন