লেবাননে দুই বাংলাদেশির মৃত্যু
jugantor
লেবাননে দুই বাংলাদেশির মৃত্যু

  ওয়াসীম আকরাম, লেবানন থেকে  

১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:২৪:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

লেবাননে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আসমত আলী নামে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তিনি ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জের লাকিরচর গ্রামের দুলু মিয়ার পুত্র। শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নিজ বাসভবনে মারা যান তিনি।

তিনি কয়েক দিন যাবত জ্বর, সর্দি-কাশি,গায়ে ব্যথাসহ শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। মৃত্যুর আগের দিন কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা করা হলে তার পজিটিভ রিপোর্ট আসে এবং পরদিন তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

অন্যদিকে আলম মিয়া নামে এক বাংলাদেশি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া থানার চিনদিপাশা গ্রামের আইয়ুব আলীর পুত্র।

আলম মিয়া দীর্ঘদিন মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৩টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জীবন-জীবিকার তাগিদে তিনি সাত বছর আগে লেবানন আসেন। আসার পর বৈধ থেকে গত তিন বছর আগে দেশে ভ্রমণ করে আসার পর থেকেই বৈধতা হারিয়ে বসবাস করছিলেন।

এদিকে তার অসুস্থতার কাজগপত্র দূতাবাসে জমা দিয়ে দেশে ফিরতে নাম নিবন্ধন করা হয়েছে। এর মধ্যেই তিনি মারা গেলেন।

তার বোন তাসলিমা আক্তার দূতাবাসের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন যে, তার লাশ যেন দ্রুত দেশে প্রেরণের ব্যবস্থা করে দূতাবাস। বর্তমানে তার লাশ জোবাইল লেবানন হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।

লেবাননে দুই বাংলাদেশির মৃত্যু

 ওয়াসীম আকরাম, লেবানন থেকে 
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

লেবাননে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আসমত আলী নামে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তিনি ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জের লাকিরচর গ্রামের দুলু মিয়ার পুত্র। শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নিজ বাসভবনে মারা যান তিনি।

তিনি কয়েক দিন যাবত জ্বর, সর্দি-কাশি,গায়ে ব্যথাসহ শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। মৃত্যুর আগের দিন কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা করা হলে তার পজিটিভ রিপোর্ট আসে এবং পরদিন তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

অন্যদিকে আলম মিয়া নামে এক বাংলাদেশি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া থানার চিনদিপাশা গ্রামের আইয়ুব আলীর পুত্র।

আলম মিয়া  দীর্ঘদিন মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৩টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জীবন-জীবিকার তাগিদে তিনি সাত বছর আগে লেবানন আসেন। আসার পর বৈধ থেকে গত তিন বছর আগে দেশে ভ্রমণ করে আসার পর থেকেই বৈধতা হারিয়ে বসবাস করছিলেন।

এদিকে তার অসুস্থতার কাজগপত্র দূতাবাসে জমা দিয়ে দেশে ফিরতে নাম নিবন্ধন করা হয়েছে। এর মধ্যেই তিনি মারা গেলেন।

তার বোন তাসলিমা আক্তার দূতাবাসের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন যে, তার লাশ যেন দ্রুত দেশে প্রেরণের ব্যবস্থা করে দূতাবাস। বর্তমানে তার লাশ জোবাইল লেবানন হাসপাতালের  হিমঘরে রাখা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন