‘রামমন্দিরে যারা চাঁদা দেয়নি, তাদের চিনে রাখছে আরএসএস’
jugantor
‘রামমন্দিরে যারা চাঁদা দেয়নি, তাদের চিনে রাখছে আরএসএস’

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:৫৬:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

রামমন্দিরের জন্য চাঁদা তুলতে দিল্লিতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মিছিল

অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের জন্য কারা চাঁদা দিচ্ছেন আর কারা দিচ্ছেন না, আরএসএস তা চিহ্নিত করে রাখছে বলে অভিযোগ করেছেন কর্নাটক রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারাস্বামী।

একাধিক টুইটে তিনি দাবি করেন, কোন কোন বাড়ি থেকে মন্দিরের জন্য চাঁদা দেওয়া হচ্ছে আর কারা দিচ্ছে না আরএসএস সেগুলোকে চিনে রাখছে। ঠিক যেভাবে নাৎসি যুগে হিটলার করেছিলেন।

বিবিসি জানিয়েছে, কয়েক দিন আগে মহারাষ্ট্রের শাসক দল শিবসেনাও মন্দিরের জন্য এভাবে চাঁদা তোলার তীব্র বিরোধিতা করেছিল।

শিবসেনা নেতা ও দলীয় মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত বলেছিলেন, মন্দির বানানোর জন্য ধনীরা, শিল্পপতিরা নিশ্চয় অর্থ দেবেন, শিবসেনাও এক কোটি টাকা দিয়েছে। কিন্তু ঘরে ঘরে চাঁদা তোলার লোক পাঠিয়ে আপনারা কার প্রচার করতে চাইছেন? রামচন্দ্রের নামে এই রাজনৈতিক নাটক বন্ধ করুন।

স্বেচ্ছায় যারা রামমন্দির নির্মাণে অর্থ দিতে রাজি নয়- তাদের শত্রু হিসেবে চিনে রাখা হচ্ছে, কর্নাটকে এই অভিযোগ ওঠার পরই বিষয়টি আলাদা মাত্রা পেয়েছে বলে বিবিসি জানিয়েছে।

আরএসএসের পক্ষ থেকে অবশ্য এমন বক্তব্য অস্বীকার করে বলা হয়েছে, এই অভিযোগের জবাব দেয়ারও কোনো প্রয়োজন নেই।

আরএসএসের মুখপাত্র ই এস প্রদীপকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানিয়ে দেন, এই অভিযোগ এতটাই ভিত্তিহীন যে তারা এর কোনো জবাব দেওয়ারও প্রয়োজন বোধ করছেন না।

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে অযোধ্যায় যে রামমন্দির বানানো হচ্ছে তার জন্য ভারতজুড়েই অর্থ সংগ্রহ অভিযান চালাচ্ছে একটি ট্রাস্ট।

তবে সেই চাঁদা তোলার পদ্ধতিকে ঘিরে নানা রাজ্যেই রাজনৈতিক বিতর্ক দেখা দিচ্ছে, যে তালিকায় সবশেষ সংযোজন হল কর্নাটক।

সরকারের গঠিত ওই ট্রাস্টের পক্ষ থেকে কয়দিন আগে জানানো হয়েছে, অযোধ্যায় রাজসিক রামমন্দির নির্মাণের জন্য গোটা ভারত থেকে ইতিমধ্যে ১০০০ কোটি রুপিরও বেশি সংগৃহীত হয়েছে।


‘রামমন্দিরে যারা চাঁদা দেয়নি, তাদের চিনে রাখছে আরএসএস’

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রামমন্দিরের জন্য চাঁদা তুলতে দিল্লিতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মিছিল
রামমন্দিরের জন্য চাঁদা তুলতে দিল্লিতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মিছিল। ছবি: বিবিসি

অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের জন্য কারা চাঁদা দিচ্ছেন আর কারা দিচ্ছেন না, আরএসএস তা চিহ্নিত করে রাখছে বলে অভিযোগ করেছেন কর্নাটক রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারাস্বামী।

একাধিক টুইটে তিনি দাবি করেন, কোন কোন বাড়ি থেকে মন্দিরের জন্য চাঁদা দেওয়া হচ্ছে আর কারা দিচ্ছে না আরএসএস সেগুলোকে চিনে রাখছে। ঠিক যেভাবে নাৎসি যুগে হিটলার করেছিলেন। 

বিবিসি জানিয়েছে, কয়েক দিন আগে মহারাষ্ট্রের শাসক দল শিবসেনাও মন্দিরের জন্য এভাবে চাঁদা তোলার তীব্র বিরোধিতা করেছিল।  

শিবসেনা নেতা ও দলীয় মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত বলেছিলেন, মন্দির বানানোর জন্য ধনীরা, শিল্পপতিরা নিশ্চয় অর্থ দেবেন, শিবসেনাও এক কোটি টাকা দিয়েছে। কিন্তু ঘরে ঘরে চাঁদা তোলার লোক পাঠিয়ে আপনারা কার প্রচার করতে চাইছেন? রামচন্দ্রের নামে এই রাজনৈতিক নাটক বন্ধ করুন।

স্বেচ্ছায় যারা রামমন্দির নির্মাণে অর্থ দিতে রাজি নয়- তাদের শত্রু হিসেবে চিনে রাখা হচ্ছে, কর্নাটকে এই অভিযোগ ওঠার পরই বিষয়টি আলাদা মাত্রা পেয়েছে বলে বিবিসি জানিয়েছে। 

আরএসএসের পক্ষ থেকে অবশ্য এমন বক্তব্য অস্বীকার করে বলা হয়েছে, এই অভিযোগের জবাব দেয়ারও কোনো প্রয়োজন নেই।

আরএসএসের মুখপাত্র ই এস প্রদীপকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানিয়ে দেন, এই অভিযোগ এতটাই ভিত্তিহীন যে তারা এর কোনো জবাব দেওয়ারও প্রয়োজন বোধ করছেন না।

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে অযোধ্যায় যে রামমন্দির বানানো হচ্ছে তার জন্য ভারতজুড়েই অর্থ সংগ্রহ অভিযান চালাচ্ছে একটি ট্রাস্ট।

তবে সেই চাঁদা তোলার পদ্ধতিকে ঘিরে নানা রাজ্যেই রাজনৈতিক বিতর্ক দেখা দিচ্ছে, যে তালিকায় সবশেষ সংযোজন হল কর্নাটক।

সরকারের গঠিত ওই ট্রাস্টের পক্ষ থেকে কয়দিন আগে জানানো হয়েছে, অযোধ্যায় রাজসিক রামমন্দির নির্মাণের জন্য গোটা ভারত থেকে ইতিমধ্যে ১০০০ কোটি রুপিরও বেশি সংগৃহীত হয়েছে।   


 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : বাবরি মসজিদ মামলার রায়