বাবার হাতে বন্দি: যা বললেন আমিরাতের রাজকুমারী (ভিডিও)
jugantor
বাবার হাতে বন্দি: যা বললেন আমিরাতের রাজকুমারী (ভিডিও)

  অনলাইন ডেস্ক  

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:১০:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

বাবার হাতে ‘বন্দি’: মুক্তি পেতে যা বললেন দুবাইয়ের রাজকন্যা

নিজেকে বাবার হাতে ‘বন্দি’ দাবি করে মুক্তি চেয়ে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন দুবাইয়ের রাজকুমারী লতিফা। তার বাবা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল-মাখতুম।

বাথরুমে মোবাইল ফোনে ধারণ করা এমন একটি গোপন ভিডিও মঙ্গলবার প্রচার করেছে বিবিসি।

এতে ৩৫ বছর বয়সী রাজকন্যাকে বলতে দেখা গেছে, আমি একজন জিম্মি, আমি মুক্ত না। এই কারাগারের (বাথরুম) মধ্যে আমি বন্দি। আমার জীবন আমার হাতে না।

তিনি একটি বদ্ধ বাথরুমের ভেতরে দেয়ালের সঙ্গে বসে কথা বলেন। বিবিসি বলছে, এই গোপন বার্তাটি রাজকুমারী তার বন্ধুদের কাছে পাঠিয়েছেন।

এর আগে ২০১৮ সালেও তিনি দেশ থেকে গোপনে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছিলেন। ভারতের মালাবর উপকূল থেকে তাকে জোর করে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় তখন।

এরপর বাবার সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব নিয়ে বছরজুড়ে পত্রিকার শিরোনাম হয়ে এসেছেন তিনি।

নতুন ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, আমি বাথরুম থেকে এই ভিডিও ধারণ করেছি। কারণ একটি দরজার সঙ্গে এটিই একমাত্র কক্ষ—যা বন্ধ করে রাখতে পারি। আমার কক্ষের দরজাটি বন্ধ করে রাখতে পারি না। কারণ তার চাবি নেই।

‘আমি একটি ভিলায় আছি। আমি একজন জিম্মি। ভিলাটি কারাগারে রূপান্তরিত করে রাখা হয়েছে।’

তিনি বলেন, জানলাগুলো বন্ধ করে রাখা। আমি তা খুলতে পারি না। বাইরে পাঁচ পুলিশ সদস্য এবং বাড়ির মধ্যে আরও দুই নারী পুলিশ আছে।

নির্মল বাতাসের জন্য বাইরে যাওয়ারও সুযোগ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, আমি জানি না, কখন আমি মুক্তি পাব বা কখন আমার মুক্তি পাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে। কাজেই আমার জীবন ও নিরাপত্তা নিয়ে রোজ আমি শঙ্কার ভেতরে থাকি।

`আমি সত্যিকার অর্থে জানি না, এমন পরিস্থিতিতে আমি বাঁচতে পারবো কিনা,’ বললেন লতিফা।

তিনি জানান, পুলিশ আমাকে হুমকি দিয়ে বলেছে—সারা জীবন আমাকে কারাগার থাকতে হবে এবং আমি কখনো সূর্য দেখতে পাবো না।

`আমি এমন একটি অবস্থার ভেতরে আছি যে সবকিছুতেই ক্লান্তিবোধ করছি। এটা একেবারে সার্কাসের মতো। আমি এই কারাগারের মধ্যে জিম্মি হয়ে থাকতে চাই না। আমি মুক্তি চাই। ’

এই রাজকন্যা জানান, আমাকে তাদের পরিকল্পনা কী, তা জানি না। আমি কিছুই জানি না। পরিস্থিতি প্রতিদিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সত্যিই আমি খুব ক্লান্ত।

বাবার হাতে বন্দি: যা বললেন আমিরাতের রাজকুমারী (ভিডিও)

 অনলাইন ডেস্ক 
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:১০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাবার হাতে ‘বন্দি’: মুক্তি পেতে যা বললেন দুবাইয়ের রাজকন্যা
ছবি: সংগৃহীত

নিজেকে বাবার হাতে ‘বন্দি’ দাবি করে মুক্তি চেয়ে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন দুবাইয়ের রাজকুমারী লতিফা। তার বাবা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল-মাখতুম।

বাথরুমে মোবাইল ফোনে ধারণ করা এমন একটি গোপন ভিডিও মঙ্গলবার প্রচার করেছে বিবিসি।

এতে ৩৫ বছর বয়সী রাজকন্যাকে বলতে দেখা গেছে, আমি একজন জিম্মি, আমি মুক্ত না। এই কারাগারের (বাথরুম) মধ্যে আমি বন্দি। আমার জীবন আমার হাতে না।

তিনি একটি বদ্ধ বাথরুমের ভেতরে দেয়ালের সঙ্গে বসে কথা বলেন। বিবিসি বলছে, এই গোপন বার্তাটি রাজকুমারী তার বন্ধুদের কাছে পাঠিয়েছেন।

এর আগে ২০১৮ সালেও তিনি দেশ থেকে গোপনে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছিলেন। ভারতের মালাবর উপকূল থেকে তাকে জোর করে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় তখন।

এরপর বাবার সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব নিয়ে বছরজুড়ে পত্রিকার শিরোনাম হয়ে এসেছেন তিনি।

নতুন ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, আমি বাথরুম থেকে এই ভিডিও ধারণ করেছি। কারণ একটি দরজার সঙ্গে এটিই একমাত্র কক্ষ—যা বন্ধ করে রাখতে পারি। আমার কক্ষের দরজাটি বন্ধ করে রাখতে পারি না। কারণ তার চাবি নেই।

‘আমি একটি ভিলায় আছি। আমি একজন জিম্মি। ভিলাটি কারাগারে রূপান্তরিত করে রাখা হয়েছে।’

তিনি বলেন,  জানলাগুলো বন্ধ করে রাখা। আমি তা খুলতে পারি না।  বাইরে পাঁচ পুলিশ সদস্য এবং বাড়ির মধ্যে আরও দুই নারী পুলিশ আছে।

নির্মল বাতাসের জন্য বাইরে যাওয়ারও সুযোগ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, আমি জানি না, কখন আমি মুক্তি পাব বা কখন আমার মুক্তি পাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে। কাজেই আমার জীবন ও নিরাপত্তা নিয়ে রোজ আমি শঙ্কার ভেতরে থাকি।

`আমি সত্যিকার অর্থে জানি না, এমন পরিস্থিতিতে আমি বাঁচতে পারবো কিনা,’ বললেন লতিফা।

তিনি জানান, পুলিশ আমাকে হুমকি দিয়ে বলেছে—সারা জীবন আমাকে কারাগার থাকতে হবে এবং আমি কখনো সূর্য দেখতে পাবো না।

`আমি এমন একটি অবস্থার ভেতরে আছি যে সবকিছুতেই ক্লান্তিবোধ করছি। এটা একেবারে সার্কাসের মতো। আমি এই কারাগারের মধ্যে জিম্মি হয়ে থাকতে চাই না। আমি মুক্তি চাই। ’

এই রাজকন্যা জানান, আমাকে তাদের পরিকল্পনা কী, তা জানি না। আমি কিছুই জানি না। পরিস্থিতি প্রতিদিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সত্যিই আমি খুব ক্লান্ত।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন