পশ্চিমা চাপ সামলাতে আরব বিশ্বকে ঘিরে তুরস্কের নতুন কৌশল 
jugantor
পশ্চিমা চাপ সামলাতে আরব বিশ্বকে ঘিরে তুরস্কের নতুন কৌশল 

  সরোয়ার আলম, আঙ্কারা, তুরস্ক থেকে   

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১:৫২:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সৌদি বাদশাহর সঙ্গে বৈঠকে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। ফাইল ছবি

একদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি অন্যদিকে বেকারত্বের লাইন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতম হচ্ছে প্রতিদিন। তুরস্কের সরকারের সব সফলতা মন্দ অর্থনীতিরভারে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। একদিকে বন্ধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার চাপ অন্যদিকে করোনাভাইরাসের প্রভাব এখনও সহনীয় পর্যায়ে আনতে না পারার ব্যর্থতা। এরই মধ্যে বিরোধী দলগুলোর একজোটে সরকার বিরোধী প্রচারণা। সব মিলিয়ে দেশের মধ্যে খুবই চাপে রয়েছে এরদোগান সরকার।

আর দেশের বাইরে! সেখানে তো অন্যরকম চাপ। গ্রীসের সঙ্গে শত বছরের চলতে থাকা ‘সাপে-নেউলে সম্পর্ক’ উত্তেজনার চরম পর্যায়ে। ফ্রান্সের সঙ্গে বিরোধ এখন ইউরোপ ছাড়িয়ে, ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে আফ্রিকায় গিয়ে পৌঁছেছে। গ্রীস, সাইপ্রাস এবং ভূমধ্য সাগরের তেল গ্যাস অনুসন্ধান নিয়ে তুরস্কের বিরুদ্ধে কঠোর অবরোধের হুমকি দিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে তুরস্কের প্রতিরক্ষা সংস্থার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এদিকে ইরাক এবং সিরিয়ায় পিকেক সন্ত্রাসীদের সঙ্গে আমেরিকার দহরম মহরম সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আর বাইডেন প্রশাসন সিরিয়াতে নতুন করে তুরস্কের মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে তুরস্কে চলতে থাকা বোয়াযইচি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিক্ষোভ চলছে। দেশের ভিতেরর মারজিনাল গ্রুপগুলোর পাশাপাশি প্রধান বিরোধী দলগুলোও জোরেশোরে সমর্থন দিচ্ছে এই বিক্ষোভকে সরকার বিরোধী বিক্ষোভে রূপান্তরিত করার। এখনও পর্যন্ত সে পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেনি। তবে আমেরিকা এবং ইউরোপর সরারসরি সমর্থন পেলে সে দিকে যাওয়ার যে আশংকা নেই তা নয়।

আরব বিশ্বের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক যে কারণে খারাপ

কাতারের পাশে দাঁড়ানো, মুসলিম ব্রাদারহুডকে সহযোগিতা করার অভিযোগে তুরস্কের সঙ্গে আরব বিশ্বের বিশেষ করে সৌদি আরব, মিশর এবং আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ গত কয়েক বছর ধরে।

২০১০ সালে ইসরাইলের সঙ্গে যে সম্পর্ক খারাপ হয়, গত দশ বছরে কিছু পদক্ষেপ নিলেও সে সম্পর্ক স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছে।

এ অবস্থায় সরকার অর্থনৈতিক এবং আইনি সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছে। ২০১৬ সালের বার্থ সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই পশ্চিমারা নানা অজুহাতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি সামনে আনার চেষ্টা করছিল। কিন্তু ট্রাম্প সম্পূর্ণ নিজস্ব স্টাইলে সরকার পরিচালনা করায় এ বিষয়গুলো তেমন গুরুত্ব পায়নি। কিন্তু বাইডেন এই বিষয়গুলো সামনে এনে তুরস্কের ওপর চাপ প্রয়োগ করবে।

ফাইল ছবি

মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কেমন হবে তুরস্কের সম্পর্ক

তুরস্ক নিয়ে বাইডেন প্রশাসন কেমন নীতি অনুসরণ করবে তা এখনও পরিষ্কার নয়। কারণ জো বাইডেন ক্ষমতায় আসার পরে ন্যাটো সদস্য দেশের মধ্যে শুধু তুরস্কের নেতাকে ফোন দিয়ে কথা বলেননি এখনও। এমনকি বাইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও এখনো পর্যন্ত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেননি।

এগুলো অদূর ভবিষ্যতে সম্পর্ক উন্নতি না হওয়ার ইঙ্গিত বহন করে।

আরব বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্কের জন্য মরিয়া তুরস্ক

এ মুহূর্তে তুরস্কের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আরব বিশ্ব। কিন্তু আরব বিশ্বের সঙ্গে গত কয়েক বছর ধরে তুরস্কের সাপে-নেউলে অবস্থান ছিল তা থেকে কি বেরিয়ে আসতে পারবে এরদোগান সরকার? এখন সবাই ভাবছে সে কথা। কামাল আতাতুর্কের পশ্চিমা ধাঁচে আধুনিক তুরস্ক গড়ার পর থেকেই এ দেশটি ইউরোপের সঙ্গে এত নিবিড়ভাবে জড়িয়েছিল যে, যার কারণে বাকি বিশ্ব থেকে অনেক দূরে চলে গিয়েছিল। তবে এরদোগান সরকার ক্ষমতায় আসার পরে আস্তে আস্তে ইউরোপের গন্ডি থেকে বের হয়ে সারা বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু তাতে আঘাত আসে ২০১৬ সালের সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টার ঘটনা।

তার গতি অনেকটা স্তমিত করে দেয় এই বীভৎস সামরিক অভ্যুত্থানের ব্যর্থ প্রচেষ্টা। এক রাতেই অভ্যুত্থান ব্যর্থতায় পর্যবশিত করতে সক্ষম হলেও এর অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিক খাতে এর খারাপ প্রভাব চলবে আরো কয়েক দশক।

তারপরও এরদোগান সরকার ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্য সব জায়গায় সমানভাবে সম্পর্ক বিস্তারের চেষ্টা করছে। মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার একটা লক্ষণ ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

তুরস্কের সঙ্গে সৌদি আরব, মিশর এবং আরব আমিরাতের সম্পর্ক উন্নয়নে দফায় দফায় গোপন বৈঠক চলছে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে।

আর এই দেশগুলোর সঙ্গে কাতারের সঙ্গে যে টক্কর ছিল তাও মিটে যাওয়ায় আঙ্কারার সঙ্গে রিয়াদ, কায়রো এবং আবুধাবির সম্পর্ক উন্নয়নের পথ আরো সহজ হলো।

তুরস্ক হয়তো ওই সব দেশে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সরাসরি সহযোগিতা করা থেকে বিরত থাকবে। আর লিবিয়াতেও মিসর এবং আরব আমিরাতের সঙ্গে একটা রফাদফা হওয়ার পথে।

এছাড়া বাইডেন প্রশাসনের এই দেশগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের হুমকি, ইসরাইলকে আরেকটু নিয়ন্ত্রিত রাখার চেষ্টা, ইরানের সঙ্গে পরমাণু শান্তি আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত, মধ্যপ্রাচ্যে তুরস্কের সঙ্গে অন্য শক্তিধর মুসলিম দেশগুলোকে এক কাতারে দাঁড় করিয়েছে।

অদূর ভবিষ্যতে এই দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসা বাণিজ্যও বৃদ্ধি পাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।

লেখক: সরোয়ার আলম,চিফ রিপোর্টার এবং আঞ্চলিক প্রধান, আনাদলু এজেন্সি, তুরস্ক

পশ্চিমা চাপ সামলাতে আরব বিশ্বকে ঘিরে তুরস্কের নতুন কৌশল 

 সরোয়ার আলম, আঙ্কারা, তুরস্ক থেকে  
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সৌদি বাদশাহর সঙ্গে বৈঠকে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। ফাইল ছবি
সৌদি বাদশাহর সঙ্গে বৈঠকে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। ফাইল ছবি

একদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি অন্যদিকে বেকারত্বের লাইন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতম হচ্ছে প্রতিদিন। তুরস্কের সরকারের সব সফলতা মন্দ অর্থনীতির ভারে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। একদিকে বন্ধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার চাপ অন্যদিকে করোনাভাইরাসের প্রভাব এখনও সহনীয় পর্যায়ে আনতে না পারার ব্যর্থতা। এরই মধ্যে বিরোধী দলগুলোর একজোটে সরকার বিরোধী প্রচারণা। সব মিলিয়ে দেশের মধ্যে খুবই চাপে রয়েছে এরদোগান সরকার। 

আর দেশের বাইরে! সেখানে তো অন্যরকম চাপ। গ্রীসের সঙ্গে শত বছরের চলতে থাকা ‘সাপে-নেউলে সম্পর্ক’ উত্তেজনার চরম পর্যায়ে। ফ্রান্সের সঙ্গে বিরোধ এখন ইউরোপ ছাড়িয়ে, ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে আফ্রিকায় গিয়ে পৌঁছেছে। গ্রীস, সাইপ্রাস এবং ভূমধ্য সাগরের তেল গ্যাস অনুসন্ধান নিয়ে তুরস্কের বিরুদ্ধে কঠোর অবরোধের হুমকি দিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। 

যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে তুরস্কের প্রতিরক্ষা সংস্থার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এদিকে ইরাক এবং সিরিয়ায় পিকেক সন্ত্রাসীদের সঙ্গে আমেরিকার দহরম মহরম সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আর বাইডেন প্রশাসন সিরিয়াতে নতুন করে তুরস্কের মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে উঠেছে। 

অন্যদিকে তুরস্কে চলতে থাকা বোয়াযইচি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিক্ষোভ চলছে। দেশের ভিতেরর মারজিনাল গ্রুপগুলোর পাশাপাশি প্রধান বিরোধী দলগুলোও জোরেশোরে সমর্থন দিচ্ছে এই বিক্ষোভকে সরকার বিরোধী বিক্ষোভে রূপান্তরিত করার। এখনও পর্যন্ত সে পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেনি। তবে আমেরিকা এবং ইউরোপর সরারসরি সমর্থন পেলে সে দিকে যাওয়ার যে আশংকা নেই তা নয়। 

আরব বিশ্বের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক যে কারণে খারাপ

কাতারের পাশে দাঁড়ানো, মুসলিম ব্রাদারহুডকে সহযোগিতা করার অভিযোগে তুরস্কের সঙ্গে আরব বিশ্বের বিশেষ করে সৌদি আরব, মিশর এবং আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ গত কয়েক বছর ধরে।

২০১০ সালে ইসরাইলের সঙ্গে যে সম্পর্ক খারাপ হয়, গত দশ বছরে কিছু পদক্ষেপ নিলেও সে সম্পর্ক স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছে। 

এ অবস্থায় সরকার অর্থনৈতিক এবং আইনি সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছে। ২০১৬ সালের বার্থ সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই পশ্চিমারা নানা অজুহাতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি সামনে আনার চেষ্টা করছিল। কিন্তু ট্রাম্প সম্পূর্ণ নিজস্ব স্টাইলে সরকার পরিচালনা করায় এ বিষয়গুলো তেমন গুরুত্ব পায়নি। কিন্তু বাইডেন এই বিষয়গুলো সামনে এনে তুরস্কের ওপর চাপ প্রয়োগ করবে। 

ফাইল ছবি

মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কেমন হবে তুরস্কের সম্পর্ক

তুরস্ক নিয়ে বাইডেন প্রশাসন কেমন নীতি অনুসরণ করবে তা এখনও পরিষ্কার নয়। কারণ জো  বাইডেন ক্ষমতায় আসার পরে ন্যাটো সদস্য দেশের মধ্যে শুধু তুরস্কের নেতাকে ফোন দিয়ে কথা বলেননি এখনও। এমনকি বাইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও এখনো পর্যন্ত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেননি। 

এগুলো অদূর ভবিষ্যতে সম্পর্ক উন্নতি না হওয়ার ইঙ্গিত বহন করে। 

আরব বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্কের জন্য মরিয়া তুরস্ক

এ মুহূর্তে তুরস্কের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আরব বিশ্ব। কিন্তু আরব বিশ্বের সঙ্গে গত কয়েক বছর ধরে তুরস্কের সাপে-নেউলে অবস্থান ছিল তা থেকে কি বেরিয়ে আসতে পারবে এরদোগান সরকার? এখন সবাই ভাবছে সে কথা। কামাল আতাতুর্কের পশ্চিমা ধাঁচে আধুনিক তুরস্ক গড়ার পর থেকেই এ দেশটি  ইউরোপের সঙ্গে এত নিবিড়ভাবে জড়িয়েছিল যে, যার কারণে বাকি বিশ্ব থেকে অনেক দূরে চলে গিয়েছিল। তবে এরদোগান সরকার ক্ষমতায় আসার পরে আস্তে আস্তে ইউরোপের গন্ডি থেকে বের হয়ে সারা বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু তাতে আঘাত আসে ২০১৬ সালের সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টার ঘটনা। 

তার গতি অনেকটা স্তমিত করে দেয় এই বীভৎস সামরিক অভ্যুত্থানের ব্যর্থ  প্রচেষ্টা। এক রাতেই অভ্যুত্থান ব্যর্থতায় পর্যবশিত করতে সক্ষম হলেও এর অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিক খাতে এর খারাপ প্রভাব চলবে আরো কয়েক দশক।  

তারপরও এরদোগান সরকার ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্য সব জায়গায় সমানভাবে সম্পর্ক বিস্তারের চেষ্টা করছে। মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার একটা লক্ষণ ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে।  

তুরস্কের সঙ্গে সৌদি আরব, মিশর এবং আরব আমিরাতের সম্পর্ক উন্নয়নে দফায় দফায় গোপন বৈঠক চলছে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে। 

আর এই দেশগুলোর সঙ্গে কাতারের সঙ্গে যে টক্কর ছিল তাও মিটে যাওয়ায় আঙ্কারার সঙ্গে রিয়াদ, কায়রো এবং আবুধাবির সম্পর্ক উন্নয়নের পথ আরো সহজ হলো। 

তুরস্ক হয়তো ওই সব দেশে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সরাসরি সহযোগিতা করা থেকে বিরত থাকবে। আর লিবিয়াতেও মিসর এবং আরব আমিরাতের সঙ্গে একটা রফাদফা হওয়ার পথে।  

এছাড়া বাইডেন প্রশাসনের এই দেশগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের হুমকি, ইসরাইলকে আরেকটু নিয়ন্ত্রিত রাখার চেষ্টা, ইরানের সঙ্গে পরমাণু শান্তি আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত, মধ্যপ্রাচ্যে তুরস্কের সঙ্গে অন্য শক্তিধর মুসলিম দেশগুলোকে এক কাতারে দাঁড় করিয়েছে। 

অদূর ভবিষ্যতে এই দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসা বাণিজ্যও বৃদ্ধি পাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।

লেখক: সরোয়ার আলম, চিফ রিপোর্টার এবং আঞ্চলিক প্রধান, আনাদলু এজেন্সি, তুরস্ক

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : সরোয়ার আলমের লেখাসমূহ