ইসরাইলে আমিরাতের প্রথম রাষ্ট্রদূত মাহমুদ আল-খাজা
jugantor
ইসরাইলে আমিরাতের প্রথম রাষ্ট্রদূত মাহমুদ আল-খাজা

  অনলাইন ডেস্ক  

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:০৯:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ইসরাইলের সঙ্গে গত বছরের সেপ্টেম্বরে সম্পর্ক স্থাপনের পর প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দিল সংযুক্ত আরব আমিরাত।

দুবাইয়ের শাসক ও আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট শেখ মো. বিন রশিদ আল-মাকদুম গত রোববার দেশটির কূটনীতিক মো. মাহমুদ আল-খাজাকে তেলআবিবে দেশটির প্রথম রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেন। খবর জেরুজালেম পোস্টের।

এ বছরের জানুয়ারিতেই আমিরাতের মন্ত্রিসভা ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত হিসেবে মো. মাহমুদ আল-খাজার নিয়োগের ব্যাপারে অনুমোদন দেয়।

উল্লেখ্য, গোটা মুসলিম বিশ্বকে পাশ কাটিয়ে ইহুদিবাদীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের সঙ্গে গত বছরের সেপ্টেম্বরে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের আনুষ্ঠানিক চুক্তি করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন।

তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হোয়াইট হাউসে তিন দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান ও বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ আল জায়ানি নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।

ওই চুক্তির মাধ্যমে তৃতীয় ও চতুর্থ আরব দেশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে অঙ্গীকারাবদ্ধ হবে। এর আগে ১৯৭৯ সালে মিসর এবং ১৯৯৪ সালে জর্ডান ইসরাইলের সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল।

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতাবস্থা তৈরি করতে এই কূটনৈতিক পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল, আমিরাত ও বাহরাইন গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বললেও ফিলিস্তিনিরা একে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছেন।

ইসরাইলে আমিরাতের প্রথম রাষ্ট্রদূত মাহমুদ আল-খাজা

 অনলাইন ডেস্ক 
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:০৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইসরাইলের সঙ্গে গত বছরের সেপ্টেম্বরে সম্পর্ক স্থাপনের পর প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দিল সংযুক্ত আরব আমিরাত।

দুবাইয়ের শাসক ও আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট শেখ মো. বিন রশিদ আল-মাকদুম গত রোববার দেশটির কূটনীতিক মো. মাহমুদ আল-খাজাকে তেলআবিবে দেশটির প্রথম রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেন। খবর জেরুজালেম পোস্টের।

এ বছরের জানুয়ারিতেই আমিরাতের মন্ত্রিসভা ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত হিসেবে মো. মাহমুদ আল-খাজার নিয়োগের ব্যাপারে অনুমোদন দেয়।  

উল্লেখ্য, গোটা মুসলিম বিশ্বকে পাশ কাটিয়ে ইহুদিবাদীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের সঙ্গে গত বছরের সেপ্টেম্বরে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের আনুষ্ঠানিক চুক্তি করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন।

তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হোয়াইট হাউসে তিন দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান ও বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ আল জায়ানি নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।

ওই চুক্তির মাধ্যমে তৃতীয় ও চতুর্থ আরব দেশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে অঙ্গীকারাবদ্ধ হবে। এর আগে ১৯৭৯ সালে মিসর এবং ১৯৯৪ সালে জর্ডান ইসরাইলের সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল।

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতাবস্থা তৈরি করতে এই কূটনৈতিক পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল, আমিরাত ও বাহরাইন গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বললেও ফিলিস্তিনিরা একে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন