১৪ বছরের কিশোরীকে বিয়ে করে বেকায়দায় পাকিস্তানি এমপি
jugantor
১৪ বছরের কিশোরীকে বিয়ে করে বেকায়দায় পাকিস্তানি এমপি

  অনলাইন ডেস্ক  

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৯:০২:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

পাকিস্তান

১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে বিয়ে করার অভিযোগে বেকায়দায় পড়েছেন পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশের সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন আয়ুবি। তিনি জামাত উলেমা–ই–ইসলামেরও (জেইউআই–এফ) নেতা। ইতোমধ্যে দেশটির পুলিশ এ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

চিত্রালে নারীদের নিয়ে কাজ করা একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে ঘটনাটির তদন্তে নেমেছে পুলিশ। এদিকে এমন ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর দেশটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

পাকিস্তানের স্থানীয় পত্রিকায় অপ্রাপ্ত ওই কিশোরীর নাম প্রকাশ করা হয়নি। বলা হয়েছে, ওই কিশোরী চিত্রালের দারুশ এলাকার বাসিন্দা, যিনি ২০০৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, সালাউদ্দিন আয়ুবির বয়স ৫০-এর কোটায়। চিত্রাল পুলিশ স্টেশন এসএইচও ইন্সপেক্টর সাজ্জাদ আহমেদ বলেন, কিছুদিন আগে এনজিওর কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ওই কিশোরীর বাড়িতে যায়। তখন তার বাবা মেয়ের বিয়ের বিষয়টি নাকচ করে দেন।

পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী দেশটিতে ১৬ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বিয়ে দেওয়া আইনত অপরাধ। এছাড়া কোন বাবা মা যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এক কাজ করে তাদেরও শাস্তির মুখে পড়তে হবে।

১৪ বছরের কিশোরীকে বিয়ে করে বেকায়দায় পাকিস্তানি এমপি

 অনলাইন ডেস্ক 
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৭:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পাকিস্তান
ছবি: সংগৃহীত

১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে বিয়ে করার অভিযোগে বেকায়দায় পড়েছেন পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশের সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন আয়ুবি।  তিনি জামাত উলেমা–ই–ইসলামেরও (জেইউআই–এফ) নেতা। ইতোমধ্যে দেশটির পুলিশ এ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

চিত্রালে নারীদের নিয়ে কাজ করা একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে ঘটনাটির তদন্তে নেমেছে পুলিশ।  এদিকে এমন ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর দেশটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

পাকিস্তানের স্থানীয় পত্রিকায় অপ্রাপ্ত ওই কিশোরীর নাম প্রকাশ করা হয়নি। বলা হয়েছে, ওই কিশোরী চিত্রালের দারুশ এলাকার বাসিন্দা, যিনি ২০০৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, সালাউদ্দিন আয়ুবির বয়স ৫০-এর কোটায়। চিত্রাল পুলিশ স্টেশন এসএইচও ইন্সপেক্টর সাজ্জাদ আহমেদ বলেন, কিছুদিন আগে এনজিওর কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ওই কিশোরীর বাড়িতে যায়। তখন তার বাবা মেয়ের বিয়ের বিষয়টি নাকচ করে দেন।

পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী দেশটিতে ১৬ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বিয়ে দেওয়া আইনত অপরাধ। এছাড়া কোন বাবা মা যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এক কাজ করে তাদেরও শাস্তির মুখে পড়তে হবে।