মিয়ানমারের নাগরিকদের দেশে পাঠাল মালয়েশিয়া
jugantor
মিয়ানমারের নাগরিকদের দেশে পাঠাল মালয়েশিয়া

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৭:৪৩:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

মিয়ানমারের নাগরিকদের দেশে পাঠাল মালয়েশিয়া

মিয়ানমারের ১ হাজার ৮৬ নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাতে মিয়ানমার নৌবাহিনীর তিনটি জাহাজে করে ওই অভিবাসন প্রত্যাশীদের ফেরত পাঠানো হয় বলে বিবিসি জানিয়েছে।

আদালতের আদেশ ও মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর আবেদন অগ্রাহ্য করেই মিয়ানমারের এ নাগরিকদের ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া।

কুয়ালালামপুর হাইকোর্ট মিয়ানমারের এই নাগরিকদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্তে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। বুধবার সকালে আদালতে তার শুনানির কথা ছিল।

মালয়েশিয়ার ডিরেক্টর জেনারেল অব ইমিগ্রেশন খাইরুল দিজাইমি দাউদ এক বিবৃতিতে বলেছেন, যাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে তারা সবাই ফেরত যেতে স্বেচ্ছায় রাজি হয়েছেন, কাউকে কেউ জোর করে পাঠায়নি।

যাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে তাদের মধ্যে কোনো রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু অথবা শরণার্থী নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ফেরত পাঠানো লোকজনের মধ্যে কিছু সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠীর লোকজনও রয়েছেন যারা মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।

এখন মিয়ানমারে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা নিয়েছে, এ সময় তাদের ফেরত পাঠিয়ে দেওয়ায় তারা আরও বড় ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তারা।

মিয়ানমারের নাগরিকদের দেশে পাঠাল মালয়েশিয়া

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৫:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মিয়ানমারের নাগরিকদের দেশে পাঠাল মালয়েশিয়া
ছবি: বিবিসি

মিয়ানমারের ১ হাজার ৮৬ নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া। 

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাতে মিয়ানমার নৌবাহিনীর তিনটি জাহাজে করে ওই অভিবাসন প্রত্যাশীদের ফেরত পাঠানো হয় বলে বিবিসি জানিয়েছে।  

আদালতের আদেশ ও মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর আবেদন অগ্রাহ্য করেই মিয়ানমারের এ নাগরিকদের ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া। 

কুয়ালালামপুর হাইকোর্ট মিয়ানমারের এই নাগরিকদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্তে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। বুধবার সকালে আদালতে তার শুনানির কথা ছিল।

মালয়েশিয়ার ডিরেক্টর জেনারেল অব ইমিগ্রেশন খাইরুল দিজাইমি দাউদ এক বিবৃতিতে বলেছেন, যাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে তারা সবাই ফেরত যেতে স্বেচ্ছায় রাজি হয়েছেন, কাউকে কেউ জোর করে পাঠায়নি। 

যাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে তাদের মধ্যে কোনো রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু অথবা শরণার্থী নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ফেরত পাঠানো লোকজনের মধ্যে কিছু সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠীর লোকজনও রয়েছেন যারা মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।

এখন মিয়ানমারে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা নিয়েছে, এ সময় তাদের ফেরত পাঠিয়ে দেওয়ায় তারা আরও বড় ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তারা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন