বোন শামসার মামলার তদন্তে ব্রিটিশ পুলিশকে আহ্বান বন্দি রাজকন্যার
jugantor
বোন শামসার মামলার তদন্তে ব্রিটিশ পুলিশকে আহ্বান বন্দি রাজকন্যার

  অনলাইন ডেস্ক  

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৫:৩৫:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বড় বোন প্রিন্সেস শামসার অপহরণের পুনঃতদন্তে যুক্তরাজ্যের পুলিশের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন দুবাই শাসকের বন্দি কন্যা প্রিন্সেস লতিফা।

দুই দশকেরও বেশি সময় আগে ক্যামব্রিজ স্ট্রিট থেকে অপহরণের শিকার হয়েছিলেন শামসা। এক চিঠিতে তাকে মুক্ত করতে ক্যামব্রিজশায়ারের পুলিশের কাছে সহায়তা চেয়েছেন রাজকন্যা লতিফা।-খবর বিবিসির

তিনি বলেন, বাবা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাখতুমের নির্দেশে শামসাকে অপহরণ করা হয়েছে। তখন তার বয়স ছিল ১৮ বছর, এখন ৩৯ বছর।

সেদিনের পর থেকে তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এ নিয়ে দুবাই সরকারের মতামত জানতে চাইলে সাড়া পায়নি বিবিসি।

২০১৯ সালে ব্রিটিশ হাইকোর্টের এক আদেশে বলা হয়, শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাখতুম তার দুই কন্যাকে অপহরণ করে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটক করে রেখেছেন।

গত সপ্তাহে এক ভিডিওতে নিজেকে বাবার হাতে ‘বন্দি’ বলে দাবি করেন প্রিন্সেস লতিফা। ২০১৮ সালে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর থেকে তাকে আটক করে রাখা হয়েছে।

দুই দশক আগে তার বড় বোন পরিবার ছেড়ে পালিতে চেষ্টা করে আটক ও বন্দি হয়েছেন।

২০০০ সালের আগস্টে সুররেইতে দুবাই শাসকের লংক্রস ইস্টেট থেকে পালিয়ে যান শাসসা। পরবর্তীতে ক্যামব্রিজ থেকে তাকে জোর করে ধরে নিয়ে প্রথমে ফ্রান্সে, পরে সেখান থেকে একটি ব্যক্তিগত বিমানে দুবাই নিয়ে যাওয়া হয়।

হাতে লেখা এক চিঠিতে তার বোনের জন্য পদক্ষেপ নিতে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানায় লতিফা। চিঠিটি লেখা ২০১৯ সালে, তখন জেল ভিলায় তাকে নিঃসঙ্গ কারাবাসে রাখা হয়েছিল।

চিঠিতে তিনি বলেন, তার মামলায় মনোযোগ দিতে আপনাদের সবাইকে আমি অনুরোধ করছি। এতে তিনি মুক্ত জীবনে ফিরে আসতে পারবেন। ইংল্যান্ডের সঙ্গে তার জোরালো সম্পর্ক রয়েছে। ইংল্যান্ডকে সে ভালোবাসে।

বোন শামসার মামলার তদন্তে ব্রিটিশ পুলিশকে আহ্বান বন্দি রাজকন্যার

 অনলাইন ডেস্ক 
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৩:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বড় বোন প্রিন্সেস শামসার অপহরণের পুনঃতদন্তে যুক্তরাজ্যের পুলিশের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন দুবাই শাসকের বন্দি কন্যা প্রিন্সেস লতিফা।

দুই দশকেরও বেশি সময় আগে ক্যামব্রিজ স্ট্রিট থেকে অপহরণের শিকার হয়েছিলেন শামসা। এক চিঠিতে তাকে মুক্ত করতে ক্যামব্রিজশায়ারের পুলিশের কাছে সহায়তা চেয়েছেন রাজকন্যা লতিফা।-খবর বিবিসির

তিনি বলেন, বাবা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাখতুমের নির্দেশে শামসাকে অপহরণ করা হয়েছে। তখন তার বয়স ছিল ১৮ বছর, এখন ৩৯ বছর।

সেদিনের পর থেকে তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এ নিয়ে দুবাই সরকারের মতামত জানতে চাইলে সাড়া পায়নি বিবিসি।

২০১৯ সালে ব্রিটিশ হাইকোর্টের এক আদেশে বলা হয়, শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাখতুম তার দুই কন্যাকে অপহরণ করে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটক করে রেখেছেন।

গত সপ্তাহে এক ভিডিওতে নিজেকে বাবার হাতে ‘বন্দি’ বলে দাবি করেন প্রিন্সেস লতিফা। ২০১৮ সালে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর থেকে তাকে আটক করে রাখা হয়েছে।

দুই দশক আগে তার বড় বোন পরিবার ছেড়ে পালিতে চেষ্টা করে আটক ও বন্দি হয়েছেন। 

২০০০ সালের আগস্টে সুররেইতে দুবাই শাসকের লংক্রস ইস্টেট থেকে পালিয়ে যান শাসসা। পরবর্তীতে ক্যামব্রিজ থেকে তাকে জোর করে ধরে নিয়ে প্রথমে ফ্রান্সে, পরে সেখান থেকে একটি ব্যক্তিগত বিমানে দুবাই নিয়ে যাওয়া হয়।

হাতে লেখা এক চিঠিতে তার বোনের জন্য পদক্ষেপ নিতে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানায় লতিফা। চিঠিটি লেখা ২০১৯ সালে, তখন জেল ভিলায় তাকে নিঃসঙ্গ কারাবাসে রাখা হয়েছিল।

চিঠিতে তিনি বলেন, তার মামলায় মনোযোগ দিতে আপনাদের সবাইকে আমি অনুরোধ করছি। এতে তিনি মুক্ত জীবনে ফিরে আসতে পারবেন। ইংল্যান্ডের সঙ্গে তার জোরালো সম্পর্ক রয়েছে। ইংল্যান্ডকে সে ভালোবাসে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন