খাসোগি হত্যায় যুবরাজকে দায়ী করে মার্কিন নথি প্রকাশিত হচ্ছে
jugantor
খাসোগি হত্যায় যুবরাজকে দায়ী করে মার্কিন নথি প্রকাশিত হচ্ছে

  অনলাইন ডেস্ক  

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৩:২১:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

খাসোগি হত্যায় যুবরাজকে দায়ী করে মার্কিন নথি প্রকাশিত হচ্ছে

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে দায়ী করে সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যার গোয়েন্দা প্রতিবেদন শুক্রবার প্রকাশ করতে যাচ্ছে মার্কিন ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স।

২০১৮ সালের অক্টোবরে ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে ওয়াশিংটন পোস্টের এই সাংবাদিককে নির্মমভাবে হত্যা করে তার শরীর টুকরো টুকরো করে গুম করে দিয়েছে একদল গুপ্তঘাতক।

সেদিন নিজের বিয়ের কাগজপত্র আনতে তিনি ওই কনস্যুলেটে গিয়েছিলেন।

এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের অপ্রকাশিত গোয়েন্দা প্রতিবেদন বলতে যাচ্ছে, তাকে হত্যায় সৌদি আরবের কার্যত শাসক মোহাম্মদ বিন সালমান নির্দেশ দিয়েছেন। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর দিয়েছে।

সিআইএ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে তথ্য নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। তবে পশ্চিমা বিশ্বে এমবিএস নামে পরিচিত যুবরাজ নিয়মিতভাবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে যাচ্ছেন, যদিও তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন উপদেষ্টা এই হত্যাকাণ্ডে নিবিড়ভাবে জড়িত ছিলেন।

সৌদির সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এ নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি কিংবা ঘটনায় যুবরাজের নাম জড়ানোর বিষয়টি এড়িয়ে গেছে।

এমন এক সময় খাসোগি হত্যার গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রকাশ হতে যাচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে সম্পর্ক ঢেলে সাজাতে চেষ্টা করছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

বৃহস্পতিবার সৌদি বাদশাহ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন তিনি। বাইডেন পাঁচ সপ্তাহ আগে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো বাদশাহর সঙ্গে কথা বলেন।

তাদের ফোনালাপ নিয়ে হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বিষয়টি উঠে না আসলেও বুধবার বাইডেন বলেন, তিনি এটি পড়েছেন।

খাসোগি হত্যায় যুবরাজকে দায়ী করে মার্কিন নথি প্রকাশিত হচ্ছে

 অনলাইন ডেস্ক 
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০১:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
খাসোগি হত্যায় যুবরাজকে দায়ী করে মার্কিন নথি প্রকাশিত হচ্ছে
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে দায়ী করে সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যার গোয়েন্দা প্রতিবেদন শুক্রবার প্রকাশ করতে যাচ্ছে মার্কিন ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স।

২০১৮ সালের অক্টোবরে ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে ওয়াশিংটন পোস্টের এই সাংবাদিককে নির্মমভাবে হত্যা করে তার শরীর টুকরো টুকরো করে গুম করে দিয়েছে একদল গুপ্তঘাতক।

সেদিন নিজের বিয়ের কাগজপত্র আনতে তিনি ওই কনস্যুলেটে গিয়েছিলেন।

এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের অপ্রকাশিত গোয়েন্দা প্রতিবেদন বলতে যাচ্ছে, তাকে হত্যায় সৌদি আরবের কার্যত শাসক মোহাম্মদ বিন সালমান নির্দেশ দিয়েছেন। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর দিয়েছে।

সিআইএ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে তথ্য নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। তবে পশ্চিমা বিশ্বে এমবিএস নামে পরিচিত যুবরাজ নিয়মিতভাবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে যাচ্ছেন, যদিও তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন উপদেষ্টা এই হত্যাকাণ্ডে নিবিড়ভাবে জড়িত ছিলেন।

সৌদির সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এ নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি কিংবা ঘটনায় যুবরাজের নাম জড়ানোর বিষয়টি এড়িয়ে গেছে।

এমন এক সময় খাসোগি হত্যার গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রকাশ হতে যাচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে সম্পর্ক ঢেলে সাজাতে চেষ্টা করছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

বৃহস্পতিবার সৌদি বাদশাহ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন তিনি। বাইডেন পাঁচ সপ্তাহ আগে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো বাদশাহর সঙ্গে কথা বলেন।

তাদের ফোনালাপ নিয়ে হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বিষয়টি উঠে না আসলেও বুধবার বাইডেন বলেন, তিনি এটি পড়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : সাংবাদিক জামাল খাসোগি নিখোঁজ