খাসোগি হত্যা: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে রেহাই যুবরাজের!
jugantor
খাসোগি হত্যা: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে রেহাই যুবরাজের!

  অনলাইন ডেস্ক  

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:৩৫:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

খাসোগি হত্যা: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে রেহাই যুবরাজের!

ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যায় অনুমোদন দেওয়ায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে শুক্রবার প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এতে বেশ কিছু শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বললেও তাতে সৌদির প্রভাবশালী যুবরাজকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপি এমন খবর দিয়েছে।

২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে জামাল খাসোগিকে নির্মমভাবে হত্যা করে সৌদি গুপ্তচরেরা।

আর তাতে অনুমোদন দেন যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও তেল সরবরাহকারী সৌদি আরবের কার্যত নেতা যুবরাজ। রক্ষণশীলতা থেকে বেরিয়ে উপসাগরীয় দেশটির অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারের প্রবর্তক বলা হয় তাকে।

বাইডেন প্রশাসনের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রভাবের কথা বিবেচনায় নিয়ে বলা যায় তার সবুজ সংকেত ছাড়া এই হত্যাকাণ্ড অসম্ভব। বিদেশের মাটিতে ভিন্নমতাবলম্বীদের নীরব করিয়ে দিতে সহিংস পদক্ষেপে যুবরাজের সমর্থনের সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ড মিলে যায়।

যুবরাজের কঠোর সমালোচক খাসোগি মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টে নিয়মিত লিখতেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা হলেও ইস্তানবুলের সৌদি কনস্যুলেটে যেতে তাকে প্রলুব্ধ করা হয়েছিল।

মার্কিন অর্থমন্ত্রণালয় বলছে, সৌদির র‌্যাপিড ইন্টারভেনশন ফোর্সসহ সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের অপরাধী লেনদেন ও সম্পদ জব্দ করা হচ্ছে।

যুবরাজের সুরক্ষায় কাজ করা অভিজাত বাহিনী এই র‌্যাপিড ইন্টারভেনশন ফোর্স। তাদের জবাবদিহিও একমাত্র যুবরাজের কাছে।

খাসোগি হত্যা: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে রেহাই যুবরাজের!

 অনলাইন ডেস্ক 
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:৩৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
খাসোগি হত্যা: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে রেহাই যুবরাজের!
ছবি: সংগৃহীত

ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যায় অনুমোদন দেওয়ায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে শুক্রবার প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। 

এতে বেশ কিছু শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বললেও তাতে সৌদির প্রভাবশালী যুবরাজকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপি এমন খবর দিয়েছে।

২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে জামাল খাসোগিকে নির্মমভাবে হত্যা করে সৌদি গুপ্তচরেরা।

আর তাতে অনুমোদন দেন যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও তেল সরবরাহকারী সৌদি আরবের কার্যত নেতা যুবরাজ। রক্ষণশীলতা থেকে বেরিয়ে উপসাগরীয় দেশটির অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারের প্রবর্তক বলা হয় তাকে।

বাইডেন প্রশাসনের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রভাবের কথা বিবেচনায় নিয়ে বলা যায় তার সবুজ সংকেত ছাড়া এই হত্যাকাণ্ড অসম্ভব। বিদেশের মাটিতে ভিন্নমতাবলম্বীদের নীরব করিয়ে দিতে সহিংস পদক্ষেপে যুবরাজের সমর্থনের সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ড মিলে যায়।

যুবরাজের কঠোর সমালোচক খাসোগি মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টে নিয়মিত লিখতেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা হলেও ইস্তানবুলের সৌদি কনস্যুলেটে যেতে তাকে প্রলুব্ধ করা হয়েছিল।

মার্কিন অর্থমন্ত্রণালয় বলছে, সৌদির র‌্যাপিড ইন্টারভেনশন ফোর্সসহ সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের অপরাধী লেনদেন ও সম্পদ জব্দ করা হচ্ছে। 

যুবরাজের সুরক্ষায় কাজ করা অভিজাত বাহিনী এই র‌্যাপিড ইন্টারভেনশন ফোর্স। তাদের জবাবদিহিও একমাত্র যুবরাজের কাছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : সাংবাদিক জামাল খাসোগি নিখোঁজ