ইরানি সেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন কমান্ডার
jugantor
ইরানি সেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন কমান্ডার
দ্রুত সরে না গেলে প্রাণ হারাতো ১০০-১৫০ মার্কিন সেনা

  অনলাইন ডেস্ক  

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:২১:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

ইরাকের আল আনবার প্রদেশে মার্কিন সামরিকঘাঁটি আইন আল আসাদে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নতুন ভিডিও ফুটেজ পেয়েছে টিভি চ্যানেল সিবিএস।

জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইরান ওই হামলা চালায়।

ড্রোনের সাহায্যে তোলা সেই ভিডিও ফুটেজ নিয়ে রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় মার্কিন এ টিভি চ্যানেলটি ইরানের ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভয়াবহতা নিয়ে সম্প্রচার করছে ৬০ মিনিটের একটি প্রামাণ্যচিত্র। খবর সিবিএসের।

নতুন ভিডিও ফুটেজ সম্প্রচার সামনে রেখে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন সিবিএস জানিয়েছে, সেই সময় ঘাঁটিতে থাকা একজন মার্কিন সামরিক কমান্ডার ইরানি হামলার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন– একটা মালবাহী ট্রেন আপনার পাশ দিয়ে গেলে যেমন অনুভূত হয়, ঠিক তেমনিভাবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আসছিল।

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সন্ত্রাসী সেনা কমান্ডের প্রধান ফ্রাঙ্ক ম্যাক ক্যানজির বরাত দিয়ে সিবিএস টিভি চ্যানেলের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সেদিন যদি ঘাঁটি খালি করা না হতো, তা হলে ১০০-১৫০ জন মার্কিন সেনা নিহত হতো এবং ২০-৩০টি জঙ্গিবিমান ধ্বংস হয়ে যেত।

তিনি আরও বলেন, সেদিন যে হামলা হয়েছিল সে রকম কোনো হামলা আমি এর আগে কখনও দেখিনি, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো একেবারে নিখুঁতভাবে আঘাত হেনেছে। ইরানিরা যে পয়েন্টে ক্ষেপণাস্ত্র ফেলতে চেয়েছে, ঠিক সেই পয়েন্টে গিয়েই সেগুলো পড়েছে।

মার্কিন সেনা নিহত হলে তারা প্রতিশোধ নিত বলে দাবি করেছেন মার্কিন এই সেনা কমান্ডার।

২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি ইরানের জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও তার ৯ সহযোগী ইরাকে মার্কিন হামলায় প্রাণ হারান।

জেনারেল সোলাইমানিকে কবর দেওয়ার আগেই মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী-আইআরজিসি। মার্কিন ঘাঁটি আইন আল আসাদে ১১টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান, এর প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রের ওজন ছিল এক হাজার পাউন্ডের বেশি।

ইরানি সেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন কমান্ডার

দ্রুত সরে না গেলে প্রাণ হারাতো ১০০-১৫০ মার্কিন সেনা
 অনলাইন ডেস্ক 
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইরাকের আল আনবার প্রদেশে মার্কিন সামরিকঘাঁটি আইন আল আসাদে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নতুন ভিডিও ফুটেজ পেয়েছে টিভি চ্যানেল সিবিএস।

জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইরান ওই হামলা চালায়।  

ড্রোনের সাহায্যে তোলা সেই ভিডিও ফুটেজ নিয়ে রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় মার্কিন এ টিভি চ্যানেলটি ইরানের ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভয়াবহতা নিয়ে সম্প্রচার করছে ৬০ মিনিটের একটি প্রামাণ্যচিত্র। খবর সিবিএসের।

নতুন ভিডিও ফুটেজ সম্প্রচার সামনে রেখে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন সিবিএস জানিয়েছে, সেই সময় ঘাঁটিতে থাকা একজন মার্কিন সামরিক কমান্ডার ইরানি হামলার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন– একটা মালবাহী ট্রেন আপনার পাশ দিয়ে গেলে যেমন অনুভূত হয়, ঠিক তেমনিভাবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আসছিল।

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সন্ত্রাসী সেনা কমান্ডের প্রধান ফ্রাঙ্ক ম্যাক ক্যানজির বরাত দিয়ে সিবিএস টিভি চ্যানেলের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সেদিন যদি ঘাঁটি খালি করা না হতো, তা হলে ১০০-১৫০ জন মার্কিন সেনা নিহত হতো এবং ২০-৩০টি জঙ্গিবিমান ধ্বংস হয়ে যেত।

তিনি আরও বলেন, সেদিন যে হামলা হয়েছিল সে রকম কোনো হামলা আমি এর আগে কখনও দেখিনি, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো একেবারে নিখুঁতভাবে আঘাত হেনেছে। ইরানিরা যে পয়েন্টে ক্ষেপণাস্ত্র ফেলতে চেয়েছে, ঠিক সেই পয়েন্টে গিয়েই সেগুলো পড়েছে।

মার্কিন সেনা নিহত হলে তারা প্রতিশোধ নিত বলে দাবি করেছেন মার্কিন এই সেনা কমান্ডার।

২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি ইরানের জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও তার ৯ সহযোগী ইরাকে মার্কিন হামলায় প্রাণ হারান।

জেনারেল সোলাইমানিকে কবর দেওয়ার আগেই মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী-আইআরজিসি। মার্কিন ঘাঁটি আইন আল আসাদে ১১টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান, এর প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রের ওজন ছিল এক হাজার পাউন্ডের বেশি।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ইরাকে মার্কিন-ইরান ছায়াযুদ্ধ