কাশ্মীরে বিধিনিষেধ নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ
jugantor
কাশ্মীরে বিধিনিষেধ নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ

  অনলাইন ডেস্ক  

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৪:১৮:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে কেন্দ্রীয় সরকারের বিধিনিষেধের কারণে সেখানকার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রধান মিশেল ব্যাচেলেট শুক্রবার এক বিবৃতিতে ওই উদ্বেগের কথা জানান।খবর আনাদোলুর।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, কাশ্মীরের নাগরিক সমাজের ওপর কেন্দ্রীয় সরকারের আরোপিত বিধিনিষেধ নিয়ে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। ২০১৯ সালের ৪ আগস্ট দ্রুতগতির ৪জি ইন্টারনেট সেবাসহ টেলিফোন যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২০২১ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি এ অঞ্চলে পুনরায় ইন্টারনেট সেবা চালু করা হয়।

কিন্তু অন্য সব বিধিনিষেধ এখনও অব্যাহত থাকায় সেখানকার মানুষজনের ব্যাবসা-বানিজ্য, জীবন-জীবিকা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

গত বছরের অক্টোবরে খুররম পারভেজসহ জম্মু-কাশ্মীরের নাগরিক কমিটির অনেক নেতার বাড়িতে হানা দেয় ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনআইএ) গোয়েন্দারা। অনেকের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে তাদের পরিবার।

১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এ পর্যন্ত তিনবার যুদ্ধ হয়েছে ১৯৪৮, ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালে, এর মধ্যে কাশ্মীর নিয়েই হয়েছে দুবার। লাদাখে চীনও কাশ্মীরের একটি অংশ দখল করে আছে।

সম্প্রতি কাশ্মীর সীমান্তে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করতে সম্মত হয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। এ ছাড়া অন্য সব চুক্তি কঠোরভাবে মেনে চলতে রাজি হয়েছে প্রতিবেশী দুই দেশ। গত কয়েক বছর ধরে কাশ্মীর সীমান্তে দুই দেশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে।

দুই দেশের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে টেলিফোনে আলোচনার পর যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সমঝোতা হয়। নিয়ন্ত্রণরেখা এবং অন্যান্য সেক্টরেও সমঝোতা ও অস্ত্রবিরতিতে রাজি হয়েছে দুই দেশ। এই অস্ত্রবিরতি বুধবার মধ্যরাত থেকে কার্যকর হওয়ার কথা।

কাশ্মীরে বিধিনিষেধ নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ

 অনলাইন ডেস্ক 
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০২:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে কেন্দ্রীয় সরকারের বিধিনিষেধের কারণে সেখানকার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রধান মিশেল ব্যাচেলেট শুক্রবার এক বিবৃতিতে ওই উদ্বেগের কথা জানান।খবর আনাদোলুর।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, কাশ্মীরের নাগরিক সমাজের ওপর কেন্দ্রীয় সরকারের আরোপিত বিধিনিষেধ নিয়ে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। ২০১৯ সালের ৪ আগস্ট দ্রুতগতির ৪জি ইন্টারনেট সেবাসহ টেলিফোন যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২০২১ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি এ অঞ্চলে পুনরায় ইন্টারনেট সেবা চালু করা হয়।

কিন্তু অন্য সব বিধিনিষেধ এখনও অব্যাহত থাকায় সেখানকার মানুষজনের ব্যাবসা-বানিজ্য, জীবন-জীবিকা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

গত বছরের অক্টোবরে খুররম পারভেজসহ জম্মু-কাশ্মীরের নাগরিক কমিটির অনেক নেতার বাড়িতে হানা দেয় ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনআইএ) গোয়েন্দারা।  অনেকের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে তাদের পরিবার।
 
১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এ পর্যন্ত তিনবার যুদ্ধ হয়েছে ১৯৪৮, ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালে, এর মধ্যে কাশ্মীর নিয়েই হয়েছে দুবার। লাদাখে চীনও কাশ্মীরের একটি অংশ দখল করে আছে।
 
সম্প্রতি কাশ্মীর সীমান্তে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করতে সম্মত হয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। এ ছাড়া অন্য সব চুক্তি কঠোরভাবে মেনে চলতে রাজি হয়েছে প্রতিবেশী দুই দেশ। গত কয়েক বছর ধরে কাশ্মীর সীমান্তে দুই দেশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে।

দুই দেশের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে টেলিফোনে আলোচনার পর যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সমঝোতা হয়। নিয়ন্ত্রণরেখা এবং অন্যান্য সেক্টরেও সমঝোতা ও অস্ত্রবিরতিতে রাজি হয়েছে দুই দেশ। এই অস্ত্রবিরতি বুধবার মধ্যরাত থেকে কার্যকর হওয়ার কথা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : কাশ্মীর সংকট