যে কারণে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বাইরে সৌদি যুবরাজ
jugantor
যে কারণে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বাইরে সৌদি যুবরাজ

  অনলাইন ডেস্ক  

০২ মার্চ ২০২১, ১৩:২০:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করার পক্ষে সাফাই গেয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন।

যদিও মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডে তিনি সরাসরি দায়ী।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থরক্ষায় তাকে নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। ডেইলি সাবাহ ও বার্তা সংস্থা এএফপি এমন খবর দিয়েছে।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যুবরাজকে শাস্তি দিতে ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন খাশোগির তুর্কিশ বাগদত্তা খাদিজা চেঙ্গিস ও জাতিসংঘের একজন বিশেষ দূত।

২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে খাশোগিকে হত্যা করে যুবরাজের গুপ্তচররা। পরে তার শরীর কেটে টুকরো টুকরো করে রাসায়নিক দিয়ে গলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় যুবরাজকে দায়ী করে শুক্রবার গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাইডেন প্রশাসন। ৩৫ বছর বয়সী এমবিএসকে শাস্তির আওতায় না রাখলেও ৭৬ সৌদি নাগরিকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এক বিবৃতিতে খাদিজা বলেন, নিরপরাধ ও নিষ্পাপ একজন মানুষকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন যুবরাজ। কাজেই কোনো বিলম্ব ছাড়া তাকে শাস্তি দেওয়া অপরিহার্য।

‘এতে খাশোগির হত্যায় কেবল ন্যায়বিচারই প্রতিষ্ঠা পাবে না; ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়া থেকে রক্ষা পাবে।’

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জেন সাকি বলেন, যুবরাজকে নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ কূটনৈতিক সম্পর্ক আছে, এমন দেশের সরকারপ্রধানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্য আদানপ্রদান এবং রিয়াদের ওপর আসা হুমকি ও রকেট হামলা থেকে সুরক্ষা দেওয়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। যখন প্রয়োজন, তখন দেশগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসতে বৈশ্বিক কূটনীতি দরকার। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জাতীয় স্বার্থও কাজ করছে।

জেন সাকি আরও বলেন, সৌদির কার্যত শাসকের বিরুদ্ধে আমাদের সময় ও সুযোগ অনুসারে যে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার জো বাইডেন রাখেন।

যে কারণে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বাইরে সৌদি যুবরাজ

 অনলাইন ডেস্ক 
০২ মার্চ ২০২১, ০১:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করার পক্ষে সাফাই গেয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন।

যদিও মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডে তিনি সরাসরি দায়ী।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থরক্ষায় তাকে নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। ডেইলি সাবাহ ও বার্তা সংস্থা এএফপি এমন খবর দিয়েছে।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যুবরাজকে শাস্তি দিতে ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন খাশোগির তুর্কিশ বাগদত্তা খাদিজা চেঙ্গিস ও জাতিসংঘের একজন বিশেষ দূত।

২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে খাশোগিকে হত্যা করে যুবরাজের গুপ্তচররা। পরে তার শরীর কেটে টুকরো টুকরো করে রাসায়নিক দিয়ে গলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় যুবরাজকে দায়ী করে শুক্রবার গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাইডেন প্রশাসন। ৩৫ বছর বয়সী এমবিএসকে শাস্তির আওতায় না রাখলেও ৭৬ সৌদি নাগরিকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এক বিবৃতিতে খাদিজা বলেন, নিরপরাধ ও নিষ্পাপ একজন মানুষকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন যুবরাজ। কাজেই কোনো বিলম্ব ছাড়া তাকে শাস্তি দেওয়া অপরিহার্য।

‘এতে খাশোগির হত্যায় কেবল ন্যায়বিচারই প্রতিষ্ঠা পাবে না; ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়া থেকে রক্ষা পাবে।’

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জেন সাকি বলেন, যুবরাজকে নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ কূটনৈতিক সম্পর্ক আছে, এমন দেশের সরকারপ্রধানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্য আদানপ্রদান এবং রিয়াদের ওপর আসা হুমকি ও রকেট হামলা থেকে সুরক্ষা দেওয়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। যখন প্রয়োজন, তখন দেশগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসতে বৈশ্বিক কূটনীতি দরকার। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জাতীয় স্বার্থও কাজ করছে।

জেন সাকি আরও বলেন, সৌদির কার্যত শাসকের বিরুদ্ধে আমাদের সময় ও সুযোগ অনুসারে যে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার জো বাইডেন রাখেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : সাংবাদিক জামাল খাসোগি নিখোঁজ

আরও খবর