ধর্ষণ নিয়ে ভারতের প্রধান বিচারপতির মন্তব্যে ক্ষোভ
jugantor
ধর্ষণ নিয়ে ভারতের প্রধান বিচারপতির মন্তব্যে ক্ষোভ

  অনলাইন ডেস্ক  

০৫ মার্চ ২০২১, ২১:২৬:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ধর্ষণ নিয়ে ভারতের প্রধান বিচারপতির মন্তব্যে ক্ষোভ

ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত এক ব্যক্তি ভুক্তভোগী নারীকে বিয়ে করবেন কিনা; প্রশ্ন করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভারতের প্রধান বিচারপতি শারদ অরভিন্দ ববদি। এ ঘটনায় তাকে পদত্যাগ করতে আহ্বান জানিয়েছেন নারী অধিকারকর্মীরা।

তার এই বক্তব্যে ভুক্তভোগী নারীকে বিয়ে করলেই ধর্ষক সাজা থেকে রেহাই পেতে পারেন বলে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

এক সরকারি কর্মকর্তার জামিন শুনানিকালে বিচারপতি ববদি এই প্রশ্ন করেছিলেন। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুই বছর ধরে এক স্কুলছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ, হুমকি ও উত্যক্তের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

নারী ও শিশু অধিকার কর্মী ব্রিন্দা আদিজ বলেন, ববদির মন্তব্যে আমি ক্ষুব্ধ।

তিনি বলেন, আমার শঙ্কা—এতে নিম্ন আদালতে ধর্ষণের মামলায় বাদীকে বিয়ের কথা বিবেচনা করতে আসামিকে উৎসাহিত করা হতে পারে। আগে আদালতের বারান্দায় এ নিয়ে অনেক কানাঘুষা শোনা যেত। কিন্তু কেউ কখনো প্রকাশে বলেনি।

‘কিন্তু এখন তা প্রকাশ্যে বলা হয়েছে। একটি দেশের বিচার ব্যবস্থায় কীভাবে এমন বক্তব্য উঠে আসতে পারে?’

এই মানবাধিকারকর্মী বলেন, লোকজন আদালতে আসেন ন্যায়বিচার পেতে, বিচারকদের মানসিকতার কথা শুনতে আসে না।

দেশটির প্রধান বিচারপতির এমন মন্তব্যের পর যৌন সহিংসতার উচ্চহার মোকাবেলায় অগ্রগতি নিয়েও নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

২০১৮ সালে ভারতে ৩৪ হাজার ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তার আগের বছরেও ছিল একই হার।

এক খোলা চিঠিতে নারী অধিকারকর্মীরা বলেন, তার এই মন্তব্য নারীদের আরও বেশি নীরব করিয়ে দেবে। অথচ ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর বিচার চাইতে আসার ক্ষেত্রে নারীদের কয়েক দশকের প্রথা ভাঙতে হয়েছে।

এতে বলা হয়, প্রধান বিচারপতি হিসেবে ববদির উপস্থিতি ভারতের প্রতিটি নরীকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেবে। তার বক্তব্যে প্রতিটি তরুণীর কাছে এই বার্তাই যাবে যে তোমাদের মর্যাদা ও স্বাধীনতার কোনো মূল্য নেই।


ধর্ষণ নিয়ে ভারতের প্রধান বিচারপতির মন্তব্যে ক্ষোভ

 অনলাইন ডেস্ক 
০৫ মার্চ ২০২১, ০৯:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ধর্ষণ নিয়ে ভারতের প্রধান বিচারপতির মন্তব্যে ক্ষোভ
ফাইল ছবি

ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত এক ব্যক্তি ভুক্তভোগী নারীকে বিয়ে করবেন কিনা; প্রশ্ন করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভারতের প্রধান বিচারপতি শারদ অরভিন্দ ববদি। এ ঘটনায় তাকে পদত্যাগ করতে আহ্বান জানিয়েছেন নারী অধিকারকর্মীরা।

তার এই বক্তব্যে ভুক্তভোগী নারীকে বিয়ে করলেই ধর্ষক সাজা থেকে রেহাই পেতে পারেন বলে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

এক সরকারি কর্মকর্তার জামিন শুনানিকালে বিচারপতি ববদি এই প্রশ্ন করেছিলেন। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুই বছর ধরে এক স্কুলছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ, হুমকি ও উত্যক্তের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

নারী ও শিশু অধিকার কর্মী ব্রিন্দা আদিজ বলেন, ববদির মন্তব্যে আমি ক্ষুব্ধ।

তিনি বলেন, আমার শঙ্কা—এতে নিম্ন আদালতে ধর্ষণের মামলায় বাদীকে বিয়ের কথা বিবেচনা করতে আসামিকে উৎসাহিত করা হতে পারে। আগে আদালতের বারান্দায় এ নিয়ে অনেক কানাঘুষা শোনা যেত। কিন্তু কেউ কখনো প্রকাশে বলেনি।

‘কিন্তু এখন তা প্রকাশ্যে বলা হয়েছে। একটি দেশের বিচার ব্যবস্থায় কীভাবে এমন বক্তব্য উঠে আসতে পারে?’

এই মানবাধিকারকর্মী বলেন, লোকজন আদালতে আসেন ন্যায়বিচার পেতে, বিচারকদের মানসিকতার কথা শুনতে আসে না।

দেশটির প্রধান বিচারপতির এমন মন্তব্যের পর যৌন সহিংসতার উচ্চহার মোকাবেলায় অগ্রগতি নিয়েও নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

২০১৮ সালে ভারতে ৩৪ হাজার ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তার আগের বছরেও ছিল একই হার।

এক খোলা চিঠিতে নারী অধিকারকর্মীরা বলেন, তার এই মন্তব্য নারীদের আরও বেশি নীরব করিয়ে দেবে। অথচ ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর বিচার চাইতে আসার ক্ষেত্রে নারীদের কয়েক দশকের প্রথা ভাঙতে হয়েছে।

এতে বলা হয়, প্রধান বিচারপতি হিসেবে ববদির উপস্থিতি ভারতের প্রতিটি নরীকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেবে। তার বক্তব্যে প্রতিটি তরুণীর কাছে এই বার্তাই যাবে যে তোমাদের মর্যাদা ও স্বাধীনতার কোনো মূল্য নেই।


 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন