আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষ পরিষদের সদস্য নির্বাচিত বাংলাদেশ
jugantor
আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষ পরিষদের সদস্য নির্বাচিত বাংলাদেশ

  কৌশলী ইমা, যুক্তরাষ্ট্র থেকে  

০৫ মার্চ ২০২১, ২২:৫২:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষের (আইএসএ) পরিষদ-সদস্য নির্বাচিত হলো বাংলাদেশ। চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চার বছর মেয়াদে বাংলাদেশ এই পরিষদ কাজ করবে। আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তর জ্যামাইকার রাজধানী কিংস্টনে।

প্রতিষ্ঠানটি জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশনের আওতায় বিশ্বের সকল মানুষের কল্যাণে আন্তর্জাতিক সমুদ্র-তলদেশ এলাকায় খনিজ সম্পর্কিত সব ধরনের কার্যক্রম সংগঠন, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। পরিষদটির সদস্য সংখ্যা ৩৭। জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশন প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বিপুল জনসংখ্যার বাংলাদেশে ভূমি-ভিত্তিক সম্পদের স্বল্পতা রয়েছে। তাই অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমুদ্র সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার অর্থাৎ সুনীল অর্থনীতিকে বাংলাদেশ তার সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এছাড়া মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে প্রাপ্ত বিশাল সমুদ্রসীমার সবটুকু সম্ভাবনার সদ্ব্যবহার করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনাসমূহ পরিপূর্ণভাবে ঘরে তুলতে জাতীয় সমুদ্রসীমার বাইরে বিশেষ করে আইএসএ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সমুদ্র সম্পদের ন্যায়সঙ্গত অধিকারে বাংলাদেশের পূর্ণ প্রবেশ করা প্রয়োজন। এ কারণে আইএসএ-এর কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষের (আইএসএ) সদস্য নির্বাচিত হওয়ার ফলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি নিজস্ব স্বার্থ সংরক্ষণে বাংলাদেশের সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে আশা করা যাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষ পরিষদের সদস্য নির্বাচিত বাংলাদেশ

 কৌশলী ইমা, যুক্তরাষ্ট্র থেকে 
০৫ মার্চ ২০২১, ১০:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষের (আইএসএ) পরিষদ-সদস্য নির্বাচিত হলো বাংলাদেশ। চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চার বছর মেয়াদে বাংলাদেশ এই পরিষদ কাজ করবে। আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তর জ্যামাইকার রাজধানী কিংস্টনে।

প্রতিষ্ঠানটি জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশনের আওতায় বিশ্বের সকল মানুষের কল্যাণে আন্তর্জাতিক সমুদ্র-তলদেশ এলাকায় খনিজ সম্পর্কিত সব ধরনের কার্যক্রম সংগঠন, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। পরিষদটির সদস্য সংখ্যা ৩৭। জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশন প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বিপুল জনসংখ্যার বাংলাদেশে ভূমি-ভিত্তিক সম্পদের স্বল্পতা রয়েছে। তাই অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমুদ্র সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার অর্থাৎ সুনীল অর্থনীতিকে বাংলাদেশ তার সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এছাড়া মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে প্রাপ্ত বিশাল সমুদ্রসীমার সবটুকু সম্ভাবনার সদ্ব্যবহার করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনাসমূহ পরিপূর্ণভাবে ঘরে তুলতে জাতীয় সমুদ্রসীমার বাইরে বিশেষ করে আইএসএ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সমুদ্র সম্পদের ন্যায়সঙ্গত অধিকারে বাংলাদেশের পূর্ণ প্রবেশ করা প্রয়োজন। এ কারণে আইএসএ-এর কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষের (আইএসএ) সদস্য নির্বাচিত হওয়ার ফলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি নিজস্ব স্বার্থ সংরক্ষণে বাংলাদেশের সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে আশা করা যাচ্ছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন