দমন-পীড়ন উপেক্ষা করে মিয়ানমারে সড়কে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী
jugantor
দমন-পীড়ন উপেক্ষা করে মিয়ানমারে সড়কে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী

  অনলাইন ডেস্ক  

০৭ মার্চ ২০২১, ১৩:৪৭:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দমন-পীড়ন উপেক্ষা করে ইয়াঙ্গুনসহ মিয়ানমারের বিভিন্ন শহরে রোববার আবারও রাজপথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ।

শনিবার গভীর রাতে বিক্ষোভের প্রধান কেন্দ্র ইয়াঙ্গুনে এনএলডির নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালানো হয়। খবর রয়টার্সের।

গত ১ ফেব্রুয়ারি বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে অং সান সু চিসহ তার দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করার পর থেকে মিয়ানমারে অস্থিরতা-বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে।

এরই মধ্যে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে বিভিন্ন শহরে মারা গেছেন ৫৫ জন। নিয়মিতভাবে চলা বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা বাহিনীর দমনাভিযানে প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেমে এসেছে স্থবিরতা।

মিয়ানমারের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুনে শনিবার বিক্ষোভ দমনে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও স্টান গ্রেনেড ছুড়েছে পুলিশ। তবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। রোববার আবারও বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আন্দোলনকারীরা।

বিক্ষোভের ডাক দেওয়া গোষ্ঠী দ্য জেনারেল স্ট্রাইক কমিটি অব ন্যাশনালিটিস বলেছে—ইয়াঙ্গুন, মান্দালয় ও মানেওয়া শহরে রোববার বিক্ষোভ হবে।

আন্দোলনকারীরা জানান, বিক্ষোভ সামনে রেখে রোববার ভোরে ইয়াঙ্গুনের বিভিন্ন এলাকায় সেনা ও পুলিশ সদস্যরা বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালিয়েছেন। এ সময় গুলির ঘটনাও ঘটেছে। গ্রেফতার করা হয়েছে অন্তত তিনজনকে।

তবে তাদের গ্রেফতার করার কারণ জানা যায়নি। সেনারা এনএলডির পক্ষে কাজ করা একজন আইনজীবীর খোঁজও করেন। তবে তাকে ধরতে পারেননি।

দমন-পীড়ন উপেক্ষা করে মিয়ানমারে সড়কে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী

 অনলাইন ডেস্ক 
০৭ মার্চ ২০২১, ০১:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দমন-পীড়ন উপেক্ষা করে ইয়াঙ্গুনসহ মিয়ানমারের বিভিন্ন শহরে রোববার আবারও রাজপথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ।

শনিবার গভীর রাতে বিক্ষোভের প্রধান কেন্দ্র ইয়াঙ্গুনে এনএলডির নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালানো হয়। খবর রয়টার্সের।

গত ১ ফেব্রুয়ারি বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে অং সান সু চিসহ তার দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করার পর থেকে মিয়ানমারে অস্থিরতা-বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে।

এরই মধ্যে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে বিভিন্ন শহরে মারা গেছেন ৫৫ জন। নিয়মিতভাবে চলা বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা বাহিনীর দমনাভিযানে প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেমে এসেছে স্থবিরতা।

মিয়ানমারের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুনে শনিবার বিক্ষোভ দমনে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও স্টান গ্রেনেড ছুড়েছে পুলিশ। তবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। রোববার আবারও বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আন্দোলনকারীরা।

বিক্ষোভের ডাক দেওয়া গোষ্ঠী দ্য জেনারেল স্ট্রাইক কমিটি অব ন্যাশনালিটিস বলেছে—ইয়াঙ্গুন, মান্দালয় ও মানেওয়া শহরে রোববার বিক্ষোভ হবে।

আন্দোলনকারীরা জানান, বিক্ষোভ সামনে রেখে রোববার ভোরে ইয়াঙ্গুনের বিভিন্ন এলাকায় সেনা ও পুলিশ সদস্যরা বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালিয়েছেন। এ সময় গুলির ঘটনাও ঘটেছে। গ্রেফতার করা হয়েছে অন্তত তিনজনকে।

তবে তাদের গ্রেফতার করার কারণ জানা যায়নি। সেনারা এনএলডির পক্ষে কাজ করা একজন আইনজীবীর খোঁজও করেন। তবে তাকে ধরতে পারেননি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন