সীমান্তে অভিবাসী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বাইডেন প্রশাসন
jugantor
সীমান্তে অভিবাসী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বাইডেন প্রশাসন

  অনলাইন ডেস্ক  

০৮ মার্চ ২০২১, ১৫:০৪:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার অভিবাসী দক্ষিণের সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছে।

নথিপত্রহীন এসব অভিবাসীকে গ্রেফতারের পর আটক রাখার জন্য স্থানসংকুলান হচ্ছে না। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জরুরি ভিত্তিতে তার প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সীমান্ত সফর করে বিস্তারিত জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন। খবর দ্য ওয়াশিংটন টাইমসের।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন ক্ষমতায় আসার পর ঠিক কত অভিবাসী সীমান্ত অতিক্রম করেছে, তার কোনো হিসাব প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এই সংখ্যা দিনে তিন থেকে পাঁচ হাজার বলে উল্লেখ করা হচ্ছে।

গত ছয় সপ্তাহে এমন অভিবাসী প্রবাহে খোদ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মধ্যেই উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিবৃতি দিয়ে বলেছেন—সুনামির মতো লোকজন প্রবেশ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে উঠেছে।

ক্ষমতাগ্রহণের পরই প্রেসিডেন্ট বাইডেন সীমান্ত পরিস্থিতিকে মানবিক করার উদ্যোগ নেন। নির্দেশ জারি করে তিনি বলেন, সীমান্তে আশ্রয়প্রত্যাশী লোকজনের সঙ্গে আসা শিশুদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। সীমান্ত দিয়ে আমেরিকায় ঢোকার পর আশ্রয়ের আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয় নথিপত্রহীন অভিবাসীদের। এসব সুবিধা সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

সীমান্ত পরিস্থিতি শিথিল করার সঙ্গে সঙ্গে বানের জলের মতো লোকজনের আগমন শুরু হয়।

ডেমোক্র্যাটিক পার্টির টেক্সাস অঙ্গরাজ্য সিনেটর জোয়ান চুই বলেছেন, তিনি মনে করেন—সীমান্তে ঠিক কী ঘটছে, তা নিয়ে সঠিক ধারণা বাইডেন প্রশাসনের নেই।

সীমান্ত প্রহরীরা এক অসহায় বাস্তবতায় পড়েছেন উল্লেখ করে এই আইনপ্রণেতা বলেন, কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ও সঠিক নির্দেশনা ছাড়া কেউ কিছু করতে পারছে না।

বাইডেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জরুরি উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

সীমান্তে অভিবাসী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বাইডেন প্রশাসন

 অনলাইন ডেস্ক 
০৮ মার্চ ২০২১, ০৩:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার অভিবাসী দক্ষিণের সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছে।

নথিপত্রহীন এসব অভিবাসীকে গ্রেফতারের পর আটক রাখার জন্য স্থানসংকুলান হচ্ছে না। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জরুরি ভিত্তিতে তার প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সীমান্ত সফর করে বিস্তারিত জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন। খবর দ্য ওয়াশিংটন টাইমসের।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন ক্ষমতায় আসার পর ঠিক কত অভিবাসী সীমান্ত অতিক্রম করেছে, তার কোনো হিসাব প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এই সংখ্যা দিনে তিন থেকে পাঁচ হাজার বলে উল্লেখ করা হচ্ছে।

গত ছয় সপ্তাহে এমন অভিবাসী প্রবাহে খোদ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মধ্যেই উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিবৃতি দিয়ে বলেছেন—সুনামির মতো লোকজন প্রবেশ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে উঠেছে।

ক্ষমতাগ্রহণের পরই প্রেসিডেন্ট বাইডেন সীমান্ত পরিস্থিতিকে মানবিক করার উদ্যোগ নেন। নির্দেশ জারি করে তিনি বলেন, সীমান্তে আশ্রয়প্রত্যাশী লোকজনের সঙ্গে আসা শিশুদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। সীমান্ত দিয়ে আমেরিকায় ঢোকার পর আশ্রয়ের আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয় নথিপত্রহীন অভিবাসীদের। এসব সুবিধা সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

সীমান্ত পরিস্থিতি শিথিল করার সঙ্গে সঙ্গে বানের জলের মতো লোকজনের আগমন শুরু হয়।

ডেমোক্র্যাটিক পার্টির টেক্সাস অঙ্গরাজ্য সিনেটর জোয়ান চুই বলেছেন, তিনি মনে করেন—সীমান্তে ঠিক কী ঘটছে, তা নিয়ে সঠিক ধারণা বাইডেন প্রশাসনের নেই।

সীমান্ত প্রহরীরা এক অসহায় বাস্তবতায় পড়েছেন উল্লেখ করে এই আইনপ্রণেতা বলেন, কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ও সঠিক নির্দেশনা ছাড়া কেউ কিছু করতে পারছে না।

বাইডেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জরুরি উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন