অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় আত্মহত্যার কথা ভাবতেন মেগান!
jugantor
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় আত্মহত্যার কথা ভাবতেন মেগান!

  অনলাইন ডেস্ক  

০৮ মার্চ ২০২১, ১৫:১৯:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজপরিবারে পা রাখার পর থেকেই নিজেকে শেষ করে দেওয়ার কথা ভাবতেন ব্রিটিশ প্রিন্স হ্যারির স্ত্রী ডাচেস অব সাসেক্স মেগান মারকেল!এমনকি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও বারবার সেই চিন্তাই ঘুরেফিরে আসত তার মনে।

রোববার রাতে মেগান হাজির হয়েছিলেন সিবিএস টেলিভিশনে ওপরা উইনফ্রির সাক্ষাৎকারে। বিস্ফোরক ওই সাক্ষাৎকারে তিনি তুলে ধরেন রাজপরিবারের বধূ হিসেবে তার নানা উপলব্ধি আর অভিজ্ঞতার কথা।

মেগান মারকেল বিস্ফোরক এ মন্তব্য করে আলোচনার ঝড় তুলছেন।

মেগান বলেন, তার ছেলে আর্চির জন্ম হওয়ার আগে থেকেই তার গায়ের রঙ কতটা কালো হবে তা নিয়ে উদ্বেগ ছিল ব্রিটিশ রাজপরিবারে; আর কেন তাকে প্রিন্স খেতাব দেওয়া হয়নি।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে হ্যারি-মেগান দম্পতি ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রতিনিধিত্ব আর না করার সিদ্ধান্তের কথা জানান। স্বাধীন জীবনযাপন করতে তারা রাজপরিবার থেকে বেরিয়ে যান। বর্তমানে এই দম্পতি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস করছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় কৃষ্ণাঙ্গ মা আর শ্বেতাঙ্গ বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া মেগান সাক্ষাৎকারে বলেন, ২০১৮ সালে রাজপরিবারে বিয়ে হওয়ার আগে তিনি ছিলেন সাদাসিধে জীবনের মানুষ।

কিন্তু বিয়ের কিছু দিন পর অসহায়ত্বের বোধ তাকে এতটাই গ্রাস করেছিল যে, তিনি আত্মহত্যার কথাও ভাবতে শুরু করেছিলেন। সাহায্য চেয়েও যখন কাউকে পাশে পাননি, তখন নিজের ক্ষতি করার কথাও ভাবতে শুরু করেছিলেন।

‘তারা চায়নি ও (সে সময় মেগানের অনাগত সন্তান) প্রিন্স বা প্রিন্সেস হোক, সে মেয়ে না ছেলে হবে তা না জেনেই। রীতি অনুযায়ী যা হওয়ার কথা তা না হওয়ায় ভবিষ্যতে সে নিরাপত্তাও পেত না।’

মেগান আরও বলেন, আমি যখন অন্তঃসত্ত্বা, আমার দিনগুলো একই রকম ছিল, বারবার ওই কথাগুলো ঘুরেফিরে আসছিল—‘তুমি নিরাপত্তা পাবে না, কোনো খেতাবও পাবে না’। আর যখন ওর জন্ম হবে, ওর গায়ের রঙ কতটা কালো হতে পারে সেসব নিয়ে তাদের আলাপ আর উদ্বেগও তো ছিলই।

রাজপরিবারের কে বা কারা গায়ের রঙ নিয়ে ওই উদ্বেগের কথা বলেছিল, তা প্রকাশ করতে চাননি মেগান।

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় আত্মহত্যার কথা ভাবতেন মেগান!

 অনলাইন ডেস্ক 
০৮ মার্চ ২০২১, ০৩:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজপরিবারে পা রাখার পর থেকেই নিজেকে শেষ করে দেওয়ার কথা ভাবতেন ব্রিটিশ প্রিন্স হ্যারির স্ত্রী ডাচেস অব সাসেক্স মেগান মারকেল! এমনকি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও বারবার সেই চিন্তাই ঘুরেফিরে আসত তার মনে। 

রোববার রাতে মেগান হাজির হয়েছিলেন সিবিএস টেলিভিশনে ওপরা উইনফ্রির সাক্ষাৎকারে। বিস্ফোরক ওই সাক্ষাৎকারে তিনি তুলে ধরেন রাজপরিবারের বধূ হিসেবে তার নানা উপলব্ধি আর অভিজ্ঞতার কথা।

মেগান মারকেল বিস্ফোরক এ মন্তব্য করে আলোচনার ঝড় তুলছেন।

মেগান বলেন, তার ছেলে আর্চির জন্ম হওয়ার আগে থেকেই তার গায়ের রঙ কতটা কালো হবে তা নিয়ে উদ্বেগ ছিল ব্রিটিশ রাজপরিবারে; আর কেন তাকে প্রিন্স খেতাব দেওয়া হয়নি। 

২০২০ সালের জানুয়ারিতে হ্যারি-মেগান দম্পতি ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রতিনিধিত্ব আর না করার সিদ্ধান্তের কথা জানান। স্বাধীন জীবনযাপন করতে তারা রাজপরিবার থেকে বেরিয়ে যান। বর্তমানে এই দম্পতি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস করছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় কৃষ্ণাঙ্গ মা আর শ্বেতাঙ্গ বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া মেগান সাক্ষাৎকারে বলেন, ২০১৮ সালে রাজপরিবারে বিয়ে হওয়ার আগে তিনি ছিলেন সাদাসিধে জীবনের মানুষ। 

কিন্তু বিয়ের কিছু দিন পর অসহায়ত্বের বোধ তাকে এতটাই গ্রাস করেছিল যে, তিনি আত্মহত্যার কথাও ভাবতে শুরু করেছিলেন। সাহায্য চেয়েও যখন কাউকে পাশে পাননি, তখন নিজের ক্ষতি করার কথাও ভাবতে শুরু করেছিলেন।

‘তারা চায়নি ও (সে সময় মেগানের অনাগত সন্তান) প্রিন্স বা প্রিন্সেস হোক, সে মেয়ে না ছেলে হবে তা না জেনেই। রীতি অনুযায়ী যা হওয়ার কথা তা না হওয়ায় ভবিষ্যতে সে নিরাপত্তাও পেত না।’

মেগান আরও বলেন, আমি যখন অন্তঃসত্ত্বা, আমার দিনগুলো একই রকম ছিল, বারবার ওই কথাগুলো ঘুরেফিরে আসছিল—‘তুমি নিরাপত্তা পাবে না, কোনো খেতাবও পাবে না’। আর যখন ওর জন্ম হবে, ওর গায়ের রঙ কতটা কালো হতে পারে সেসব নিয়ে তাদের আলাপ আর উদ্বেগও তো ছিলই।

রাজপরিবারের কে বা কারা গায়ের রঙ নিয়ে ওই উদ্বেগের কথা বলেছিল, তা প্রকাশ করতে চাননি মেগান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন