‘আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে তালেবান’
jugantor
‘আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে তালেবান’

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৮ মার্চ ২০২১, ১৯:১২:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

‘আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে তালেবান’

মার্কিন ও ন্যাটো সৈন্যদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হলে আফগানিস্তানজুড়ে তালেবানের ব্যাপক সামরিক উত্থান হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিংকেন।

তালেবান এবং ট্রাম্প প্রশাসনের করা এক চুক্তি অনুযায়ী আগামী মাসের শেষ নাগাদ সব মার্কিন সৈন্য আফগানিস্তান ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগেই আফগান প্রেসিডেন্টকে দেওয়া এক চিঠিতে তালেবানের নতুন উত্থানের শঙ্কার কথা জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। খবর আল জাজিরার।

৯/১১ হামলার জবাবে ২০০১ সালে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। তখন তালেবানকে উৎখাতের লক্ষ্য নিয়ে তারা হামলা শুরু করে। অবশেষে যুদ্ধের কোনো সমাপ্তি ছাড়া ‘চুক্তি করে’ আফগানিস্তান ছাড়তে রাজি হয় ওয়াশিংটন।

সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে ২০২০ সালে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও চলতি বছরের জানুয়ারিতে সেই চুক্তি ‘রিভিউ’ তথা নতুন করে পর্যালোচনা করবে বলে জানায় বাইডেন প্রশাসন।
ওই চুক্তি অনুযায়ী মে মাসের ১ তারিখের আগে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনীর সব সদস্য আফগানিস্তান ছেড়ে যেতে হবে। এর বিনিময়ে তালেবান আফগানিস্তানে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেবে।
কিন্তু এখন বাইডেন প্রশাসন বলছে, আফগানিস্তান ছাড়ার আগে তারা ‘তালেবানের ওয়াদার বাস্তবায়ন’ দেখতে চায়।

হোয়াইট হাউজ এখন বলছে, এই সৈন্যদের সরিয়ে নেওয়ার আগে তারা নিশ্চিত হতে চান যে আফগান জঙ্গিগোষ্ঠী তাদের ‘প্রতিশ্রুতি অনুসারে কাজ করছে’ বিশেষ করে সহিংসতা হ্রাস এবং সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার প্রতিশ্রুতি তারা রক্ষা করছে।

দেশটিতে সহিংসতার মাত্রা এখন অনেক বেশি -সাংবাদিক, অ্যাকটিভিস্ট, রাজনীতিবিদ এবং নারী বিচারকদের লক্ষ্য করে হত্যা করা হচ্ছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আফগানিস্তানে ৯০ দিনের মধ্যে সহিংসতা কমিয়ে আনার পাশাপাশি জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে একটি নতুন আন্তর্জাতিক শান্তি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যেন স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়।

আফগানিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি যেন আরও অবনতি না হয়, সেজন্য জরুরি ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

জাতিসংঘকে বলা হবে, সংস্থাটি যেন এই অঞ্চলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে বৈঠকে বসে। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, তালেবান ও আফগান সরকারের মধ্যে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক আয়োজনের ক্ষেত্রে তুরস্ক সম্ভাব্য স্থান হতে পারে।

‘আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে তালেবান’

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৮ মার্চ ২০২১, ০৭:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে তালেবান’
ছবি: আল জাজিরা

মার্কিন ও ন্যাটো সৈন্যদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হলে আফগানিস্তানজুড়ে তালেবানের ব্যাপক সামরিক উত্থান হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিংকেন। 

তালেবান এবং ট্রাম্প প্রশাসনের করা এক চুক্তি অনুযায়ী আগামী মাসের শেষ নাগাদ সব মার্কিন সৈন্য আফগানিস্তান ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। 

এর আগেই আফগান প্রেসিডেন্টকে দেওয়া এক চিঠিতে তালেবানের নতুন উত্থানের শঙ্কার কথা জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। খবর আল জাজিরার। 

৯/১১ হামলার জবাবে ২০০১ সালে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। তখন তালেবানকে উৎখাতের লক্ষ্য নিয়ে তারা হামলা শুরু করে। অবশেষে যুদ্ধের কোনো সমাপ্তি ছাড়া ‘চুক্তি করে’ আফগানিস্তান ছাড়তে রাজি হয় ওয়াশিংটন। 

সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে ২০২০ সালে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও চলতি বছরের জানুয়ারিতে সেই চুক্তি ‘রিভিউ’ তথা নতুন করে পর্যালোচনা করবে বলে জানায় বাইডেন প্রশাসন। 
ওই চুক্তি অনুযায়ী মে মাসের ১ তারিখের আগে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনীর সব সদস্য আফগানিস্তান ছেড়ে যেতে হবে। এর বিনিময়ে তালেবান আফগানিস্তানে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেবে। 
কিন্তু এখন বাইডেন প্রশাসন বলছে, আফগানিস্তান ছাড়ার আগে তারা ‘তালেবানের ওয়াদার বাস্তবায়ন’ দেখতে চায়। 

হোয়াইট হাউজ এখন বলছে, এই সৈন্যদের সরিয়ে নেওয়ার আগে তারা নিশ্চিত হতে চান যে আফগান জঙ্গিগোষ্ঠী তাদের ‘প্রতিশ্রুতি অনুসারে কাজ করছে’ বিশেষ করে সহিংসতা হ্রাস এবং সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার প্রতিশ্রুতি তারা রক্ষা করছে। 

দেশটিতে সহিংসতার মাত্রা এখন অনেক বেশি -সাংবাদিক, অ্যাকটিভিস্ট, রাজনীতিবিদ এবং নারী বিচারকদের লক্ষ্য করে হত্যা করা হচ্ছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আফগানিস্তানে ৯০ দিনের মধ্যে সহিংসতা কমিয়ে আনার পাশাপাশি জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে একটি নতুন আন্তর্জাতিক শান্তি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যেন স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়। 

আফগানিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি যেন আরও অবনতি না হয়, সেজন্য জরুরি ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে সতর্ক করেছেন তিনি। 

জাতিসংঘকে বলা হবে, সংস্থাটি যেন এই অঞ্চলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে বৈঠকে বসে। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, তালেবান ও আফগান সরকারের মধ্যে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক আয়োজনের ক্ষেত্রে তুরস্ক সম্ভাব্য স্থান হতে পারে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : মার্কিন-তালেবান শান্তি আলোচনা