স্পেনে বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত
jugantor
স্পেনে বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত

  কবির আল মাহমুদ, স্পেন থেকে  

০৮ মার্চ ২০২১, ২০:৫৫:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

যথাযোগ্য মর্যাদায় স্পেনের মাদ্রিদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন করা হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা করেন দূতাবাসের কাউন্সেলর ও চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এটিএম আব্দুর রউফ মন্ডল। এ সময় দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারি উপস্থিত ছিলেন।

পরে দূতাবাসের সভাকক্ষে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। দূতাবাসের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) তাহসিনা আফরিন শারমিনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভার শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহিদ এবং বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহিদ সকল সদস্যের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।
এরপর ৭ মার্চ উপলক্ষে দেওয়া রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণী পাঠ করা হয়।

দূতাবাসের কাউন্সেলর ও চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জনাব এটিএম আব্দুর রউফ মন্ডল তার বক্তব্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে উল্লেখ করেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ছিল বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের ডাক, যা সমগ্র বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিল।

দূতাবাসের বিদায়ী চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হারুন আল রশিদ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের উপর আলোচনায় বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণটি অদ্যবধি পৃথিবীর ইতিহাসে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজিৈনতক বক্তৃতা, তাতে কোনো সন্দেহ নাই। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারিদের নাম ও স্মৃতি পৃথিবী থেকে মুছে গেছে, কিন্তু বঙ্গবন্ধু শারীরিকভাবে আমাদের মাঝে উপস্থিত না থেকেও তিনি আজ আমাদের কাছে অনেক বেশি জীবন্ত।

স্পেনে বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত

 কবির আল মাহমুদ, স্পেন থেকে 
০৮ মার্চ ২০২১, ০৮:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যথাযোগ্য মর্যাদায় স্পেনের মাদ্রিদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন করা হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা করেন দূতাবাসের কাউন্সেলর ও চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এটিএম আব্দুর রউফ মন্ডল। এ সময় দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারি উপস্থিত ছিলেন।

পরে দূতাবাসের সভাকক্ষে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। দূতাবাসের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) তাহসিনা আফরিন শারমিনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভার শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহিদ এবং বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহিদ সকল সদস্যের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।
এরপর ৭ মার্চ উপলক্ষে দেওয়া রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণী পাঠ করা হয়।

দূতাবাসের কাউন্সেলর ও চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জনাব এটিএম আব্দুর রউফ মন্ডল তার বক্তব্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে উল্লেখ করেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ছিল বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের ডাক, যা সমগ্র বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিল।

দূতাবাসের বিদায়ী চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হারুন আল রশিদ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের উপর আলোচনায় বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণটি অদ্যবধি পৃথিবীর ইতিহাসে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজিৈনতক বক্তৃতা, তাতে কোনো সন্দেহ নাই। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারিদের নাম ও স্মৃতি পৃথিবী থেকে মুছে গেছে, কিন্তু বঙ্গবন্ধু শারীরিকভাবে আমাদের মাঝে উপস্থিত না থেকেও তিনি আজ আমাদের কাছে অনেক বেশি জীবন্ত।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন