ফ্রান্সের সেই শিক্ষক হত্যায় ফেঁসে যাচ্ছে মুসলিম স্কুলছাত্রী
jugantor
ফ্রান্সের সেই শিক্ষক হত্যায় ফেঁসে যাচ্ছে মুসলিম স্কুলছাত্রী

  অনলাইন ডেস্ক  

০৯ মার্চ ২০২১, ১১:৪৭:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ফ্রান্সের একটি স্কুলে মহানবীর (সা.) ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করায় শিরশ্ছেদ করে হত্যার ঘটনায় এবার ফেঁসে যাচ্ছে স্কুলটির এক মুসলিম ছাত্রী।

তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। নিহত শিক্ষকের আইনজীবী জানান, গত বছরের অক্টোবরে শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাতি ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করার আগে ক্লাসে কেউ থাকতে না চাইলে চলে যাওয়ার অনুমতি দেন।খবর বিবিসির।

এ সময় মুসলিম ছাত্রীটি ক্লাস থেকে বের হয়ে যায়। পরে সে অন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শুনেছে যে, ক্লাসে মহানবীর (সা.) ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করা হয়েছিল।

পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে ছাত্রীটি আরও বলেছে, বাড়ি গিয়ে আমি আমার বাবা-মাকে বিষয়টি বলি। এর পর যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যঙচিত্র প্রদর্শনের কথাটি জানিয়ে পোস্ট দিলে তা মুহুর্তে ভাইরাল হয়ে যায়।

এ ঘটনায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন ছাত্রীটির বাবা এবং ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের বিষয়টি।

এর পরই আব্দুল্লাখ আজোরোভ নামে ১৮ বছরের এক চেচেন বংশোদ্ভূত যুবক গলা কেটে ওই শিক্ষককে হত্যা করে। পুলিশও ওই যুবককে গুলি করে হত্যা করে।

১৩ বছরের ওই মুসলিম ছাত্রীটির আইনজীবী বেকো টাবুলা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের সময় সে ক্লাসে ছিল না।

এ কারণে স্কুলছাত্রীর বিরুদ্ধে এবার শিক্ষক হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হচ্ছে।

ফ্রান্সের সেই শিক্ষক হত্যায় ফেঁসে যাচ্ছে মুসলিম স্কুলছাত্রী

 অনলাইন ডেস্ক 
০৯ মার্চ ২০২১, ১১:৪৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফ্রান্সের একটি স্কুলে মহানবীর (সা.) ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করায় শিরশ্ছেদ করে হত্যার ঘটনায় এবার ফেঁসে যাচ্ছে স্কুলটির এক মুসলিম ছাত্রী।

তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। নিহত শিক্ষকের আইনজীবী জানান, গত বছরের অক্টোবরে শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাতি ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করার আগে ক্লাসে কেউ থাকতে না চাইলে চলে যাওয়ার অনুমতি দেন।খবর বিবিসির।

এ সময় মুসলিম ছাত্রীটি ক্লাস থেকে বের হয়ে যায়। পরে সে অন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শুনেছে যে, ক্লাসে মহানবীর (সা.) ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করা হয়েছিল।

পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে ছাত্রীটি আরও বলেছে, বাড়ি গিয়ে আমি আমার বাবা-মাকে বিষয়টি বলি। এর পর যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যঙচিত্র প্রদর্শনের কথাটি জানিয়ে পোস্ট দিলে তা মুহুর্তে ভাইরাল হয়ে যায়।

এ ঘটনায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন ছাত্রীটির বাবা এবং ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের বিষয়টি।

এর পরই আব্দুল্লাখ আজোরোভ নামে ১৮ বছরের এক চেচেন বংশোদ্ভূত যুবক গলা কেটে ওই শিক্ষককে হত্যা করে। পুলিশও ওই যুবককে গুলি করে হত্যা করে।

১৩ বছরের ওই মুসলিম ছাত্রীটির আইনজীবী বেকো টাবুলা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের সময় সে ক্লাসে ছিল না।  

এ কারণে স্কুলছাত্রীর বিরুদ্ধে এবার শিক্ষক হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হচ্ছে।   

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ফ্রান্সে ইসলাম অবমাননা