ভূমধ্যসাগরে ইরানি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা
jugantor
ভূমধ্যসাগরে ইরানি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা

  অনলাইন ডেস্ক  

১৩ মার্চ ২০২১, ১৪:০১:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ভূমধ্যসাগরে ইরানের একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

‘শাহরি কর্ড’ নামের ওই জাহাজটিকে লক্ষ্য করে গত বুধবার বিস্ফোরক ছোড়া হয় বলে শুক্রবার দাবি করেছেন রাষ্ট্রীয় জাহাজ নির্মানকারী প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র আলী গিয়াসিয়ান। খবর আল জাজিরার।

এ ঘটনায় জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। তবে খুব দ্রুত এই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন জাহাজটির ক্রুরা। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলেও জানানো হয়।

কারা এই ঘটনার জন্য দায়ী, তা এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তবে সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা বিধান সংশ্লিষ্ট দুই আন্তর্জাতিক সংস্থার সূত্র জানিয়েছে, ভূমধ্যসাগরে ইরানের জাহাজটির ওপর হামলা ছিল সম্পূর্ণ পরিকল্পিত।

কোম্পানির মুখপাত্র আলি গিয়াসিয়ান ইরানের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এ ধরনের হামলা জলদস্যুতার সমতুল্য এবং বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত যে আন্তর্জাতিক আইন রয়েছে, তার স্পষ্ট লঙ্ঘন। সম্পূর্ণ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ জানাব আমরা।

জাহাজটি ইউরোপের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। হামলার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বর্তমানে সেটি মেরামত করা হচ্ছে। মেরামত শেষ হলে সেটি আবার ইউরোপের পথে যাত্রা শুরু করবে।

দু’সপ্তাহ আগে ওমান উপসাগরে এরকম এক হামলা হয়েছিল ইসরাইলি জাহাজ এমভি হেলিয়াস রেতে। গোলার আঘাতে হেলিয়াস রের বাইরের কাঠামোর দু’পাশে ছিদ্র হয়ে গিয়েছিল। ওই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছিল ইসরাইল।

তবে ইরানি জাহাজে হামলার বিষয়ে ইসরাইলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এই নিয়ে চতুর্থবারের মতো হামলার শিকার হলো ইরানের জাহাজ। এর আগে লোহিত সাগরে এ রকম হামলায় তিনটি ইরানি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ভূমধ্যসাগরে ইরানি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা

 অনলাইন ডেস্ক 
১৩ মার্চ ২০২১, ০২:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভূমধ্যসাগরে ইরানের একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

‘শাহরি কর্ড’ নামের ওই জাহাজটিকে লক্ষ্য করে গত বুধবার বিস্ফোরক ছোড়া হয় বলে শুক্রবার দাবি করেছেন রাষ্ট্রীয় জাহাজ নির্মানকারী প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র আলী গিয়াসিয়ান। খবর আল জাজিরার।

এ ঘটনায় জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। তবে খুব দ্রুত এই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন জাহাজটির ক্রুরা। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলেও জানানো হয়।

কারা এই ঘটনার জন্য দায়ী, তা এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তবে সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা বিধান সংশ্লিষ্ট দুই আন্তর্জাতিক সংস্থার সূত্র জানিয়েছে, ভূমধ্যসাগরে ইরানের জাহাজটির ওপর হামলা ছিল সম্পূর্ণ পরিকল্পিত।

কোম্পানির মুখপাত্র আলি গিয়াসিয়ান ইরানের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এ ধরনের হামলা জলদস্যুতার সমতুল্য এবং বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত যে আন্তর্জাতিক আইন রয়েছে, তার স্পষ্ট লঙ্ঘন। সম্পূর্ণ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ জানাব আমরা।

জাহাজটি ইউরোপের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। হামলার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বর্তমানে সেটি মেরামত করা হচ্ছে। মেরামত শেষ হলে সেটি আবার ইউরোপের পথে যাত্রা শুরু করবে।

দু’সপ্তাহ আগে ওমান উপসাগরে এরকম এক হামলা হয়েছিল ইসরাইলি জাহাজ এমভি হেলিয়াস রেতে। গোলার আঘাতে হেলিয়াস রের বাইরের কাঠামোর দু’পাশে ছিদ্র হয়ে গিয়েছিল। ওই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছিল ইসরাইল।

তবে ইরানি জাহাজে হামলার বিষয়ে ইসরাইলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এই নিয়ে চতুর্থবারের মতো হামলার শিকার হলো ইরানের জাহাজ। এর আগে লোহিত সাগরে এ রকম হামলায় তিনটি ইরানি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ইরাকে মার্কিন-ইরান ছায়াযুদ্ধ

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১