জাপানে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি
jugantor
জাপানে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি

  যুগান্তর ডেস্ক  

২০ মার্চ ২০২১, ১৭:০৮:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

জাপানে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি

জাপানের উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় শনিবার বিকাল ৬টা ২৬ মিনিটে মিয়াগি প্রিফ্যাকচারে ৭.২ মাত্রার ওই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।

জাপানের ভূতাত্ত্বিক জরিপ কেন্দ্র জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২, এর উপকেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ৬০ কিলোমিটার গভীরে।

ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের ফলে ১ মিটার উচ্চতার সুনামি হতে পারে জানিয়ে সবাইকে উপকূল থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে।

এ ঘটনায় ঘরবাড়ি থেকে আতঙ্কে মানুষজন রাস্তায় নেমে আসে।

‘ভূমিকম্পের দেশ’ হিসেবে পরিচিত জাপান বারবার বড় বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। ভূমিকম্প, ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামিসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হয় জাপানিদের।

ভূ-তাত্ত্বিকদের মতে, জাপান প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। বাংলায় যার অর্থ হয় ‘আগুনের গোলা’। ‘রিং অব ফায়ার’ এমন একটি কাল্পনিক বেল্ট যা ঘোড়ার খুর আকৃতির মতো প্রধানত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে ঘিরে রেখেছে।

রিং অব ফায়ারে যেসব অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সেগুলো পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ। এই রিং অব ফায়ারই ৯০ শতাংশ ভূমিকম্পের কারণ। ৪০ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ এই ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে ৪৫২টি আগ্নেয়গিরি রয়েছে, যা পৃথিবীপৃষ্ঠে অবস্থিত মোট আগ্নেয়গিরির ৭৫ শতাংশ।

এশিয়ার জাপান, পলিনেশিয়ার টোঙ্গো, দক্ষিণ আমেরিকার ইকুয়েডর এই রিং অব ফায়ারের অন্তর্ভুক্ত। তাই এসব অঞ্চলেই বেশি ভূমিকম্প হয়ে থাকে।


জাপানে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি

 যুগান্তর ডেস্ক 
২০ মার্চ ২০২১, ০৫:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
জাপানে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি
ফাইল ছবি

জাপানের উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় শনিবার বিকাল ৬টা ২৬ মিনিটে মিয়াগি প্রিফ্যাকচারে ৭.২ মাত্রার ওই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।

জাপানের ভূতাত্ত্বিক জরিপ কেন্দ্র জানিয়েছে,  রিখটার স্কেলে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২, এর উপকেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ৬০ কিলোমিটার গভীরে।  

ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের ফলে ১ মিটার উচ্চতার সুনামি হতে পারে জানিয়ে সবাইকে উপকূল থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে।  

এ ঘটনায় ঘরবাড়ি থেকে আতঙ্কে মানুষজন রাস্তায় নেমে আসে।

‘ভূমিকম্পের দেশ’ হিসেবে পরিচিত জাপান বারবার বড় বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। ভূমিকম্প, ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামিসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হয় জাপানিদের।

ভূ-তাত্ত্বিকদের মতে, জাপান প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। বাংলায় যার অর্থ হয় ‘আগুনের গোলা’। ‘রিং অব ফায়ার’ এমন একটি কাল্পনিক বেল্ট যা ঘোড়ার খুর আকৃতির মতো প্রধানত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে ঘিরে রেখেছে। 

রিং অব ফায়ারে যেসব অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সেগুলো পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ। এই রিং অব ফায়ারই ৯০ শতাংশ ভূমিকম্পের কারণ। ৪০ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ এই ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে ৪৫২টি আগ্নেয়গিরি রয়েছে, যা পৃথিবীপৃষ্ঠে অবস্থিত মোট আগ্নেয়গিরির ৭৫ শতাংশ। 

এশিয়ার জাপান, পলিনেশিয়ার টোঙ্গো, দক্ষিণ আমেরিকার ইকুয়েডর এই রিং অব ফায়ারের অন্তর্ভুক্ত। তাই এসব অঞ্চলেই বেশি ভূমিকম্প হয়ে থাকে।


 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর