পাঁচ ব্রিটিশ এমপিসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে চীনের নিষেধাজ্ঞা
jugantor
পাঁচ ব্রিটিশ এমপিসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে চীনের নিষেধাজ্ঞা

  অনলাইন ডেস্ক  

২৬ মার্চ ২০২১, ১৭:৪৭:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

পাঁচ ব্রিটিশ এমপিসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে চীনের নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাজ্যের পাঁচ এমপিসহ ৯ নাগরিকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে চীন। বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ অর্থনীতির দেশটির বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা ও গুজব’ ছড়ানোর অভিযোগে তাদের এই সাজা দেওয়া হয়েছে।-খবর বিবিসি

যাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে ব্রিটেনে চীনের ঘোর সমালোচকরাও রয়েছেন।

সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলমানদের ওপর নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ব্রিটিশ সরকারের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ হিসেবে এমন ব্যবস্থা নিয়েছে চীনারা।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, যাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, তারা ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সরব ছিলেন।

তিনি বলেন, মৌলিক অধিকার হরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর স্বাধীনতা মানুষের অধিকার। কাজেই জোরালোভাবে তাদের পাশে রয়েছি।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীন যদি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বিশ্বাসযোগ্যভাবে খণ্ডন করতে চায়, তবে জিনজিয়াংয়ে জাতিসংঘের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া উচিত।

চীনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ব্রিটিশ রক্ষণশীল দলের সাবেক নেতা স্যার ইয়ান ডানকান, এমপি নুসরাত গণি, টিম লাভটন, পিয়ারস ব্যারোনেস কেনেডি ও লর্ড অ্যালটন রয়েছেন।

তারা সবাই চীনের সঙ্গে আন্তপার্লামেন্টারি জোটের সদস্য। স্যার ইয়ান বলেন, এই নিষেধাজ্ঞাকে আমি সম্মানের চিহ্ন হিসেবে দেখছি।

চীনের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় অঞ্চল জিনজিয়াংয়ে লাখ লাখ উইঘুর মুসলমানকে বৃত্তিমূলক শিক্ষার নামে বন্দি করে রাখা হয়েছে।

এসব বন্দিদের ওপর চীনা কর্তৃপক্ষ হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতন চালিয়ে আসছে।

পাঁচ ব্রিটিশ এমপিসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে চীনের নিষেধাজ্ঞা

 অনলাইন ডেস্ক 
২৬ মার্চ ২০২১, ০৫:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পাঁচ ব্রিটিশ এমপিসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে চীনের নিষেধাজ্ঞা
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের পাঁচ এমপিসহ ৯ নাগরিকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে চীন। বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ অর্থনীতির দেশটির বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা ও গুজব’ ছড়ানোর অভিযোগে তাদের এই সাজা দেওয়া হয়েছে।-খবর বিবিসি

যাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে ব্রিটেনে চীনের ঘোর সমালোচকরাও রয়েছেন।

সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলমানদের ওপর নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ব্রিটিশ সরকারের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ হিসেবে এমন ব্যবস্থা নিয়েছে চীনারা।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, যাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, তারা ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সরব ছিলেন। 

তিনি বলেন, মৌলিক অধিকার হরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর স্বাধীনতা মানুষের অধিকার। কাজেই জোরালোভাবে তাদের পাশে রয়েছি।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীন যদি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বিশ্বাসযোগ্যভাবে খণ্ডন করতে চায়, তবে জিনজিয়াংয়ে জাতিসংঘের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া উচিত।

চীনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ব্রিটিশ রক্ষণশীল দলের সাবেক নেতা স্যার ইয়ান ডানকান, এমপি নুসরাত গণি, টিম লাভটন, পিয়ারস ব্যারোনেস কেনেডি ও লর্ড অ্যালটন রয়েছেন।

তারা সবাই চীনের সঙ্গে আন্তপার্লামেন্টারি জোটের সদস্য। স্যার ইয়ান বলেন, এই নিষেধাজ্ঞাকে আমি সম্মানের চিহ্ন হিসেবে দেখছি।

চীনের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় অঞ্চল জিনজিয়াংয়ে লাখ লাখ উইঘুর মুসলমানকে বৃত্তিমূলক শিক্ষার নামে বন্দি করে রাখা হয়েছে। 

এসব বন্দিদের ওপর চীনা কর্তৃপক্ষ হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতন চালিয়ে আসছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : চীনে উইঘুর নির্যাতন