দক্ষিণ আফ্রিকায় তিন মাসে ৫৮ বাংলাদেশির মৃত্যু
jugantor
দক্ষিণ আফ্রিকায় তিন মাসে ৫৮ বাংলাদেশির মৃত্যু

  শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে  

৩১ মার্চ ২০২১, ২২:১৭:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকায় চলতি ২০২১ সালের প্রথম তিন মাসে ৫৮ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। চোর ডাকাতের গুলিতে, করোনা আক্রান্ত হয়ে, রোড় এক্সিডেন্টে এবং হৃদরোগসহ নানা ধরনের অসুস্থতাজনিত কারণে এসব বাংলাদেশি দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত্যুবরণ করেছেন।

সর্বশেষ গত রোববার রাতে জোহানসবার্গ সংলগ্ন ক্রোগার ড্রপ এলাকায় নিজ বাসার আঙিনায় ডাকাতের গুলিতে খুন হয়েছেন মাসুদ আহমেদ নামে এক বাংলাদেশি নাগরিক। যিনি দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবসা বাণিজ্য করে বসবাস করে আসছিলেন।

তিনি ওই রাতে গাড়ি নিয়ে বাসায় প্রবেশ করার সময় ওতপেতে থাকা সশস্ত্র ডাকাতের গুলিতে খুন হয়েছেন। মাসুদের বাড়ি নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নে। একই দিন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ডারবান শহরে মৃত্যুবরণ করেছেন জসিম উদ্দিন নামে আরেক বাংলাদেশি নাগরিক। তিনি নোয়াখালী সোনাইমুড়ীর বাসিন্দা। এছাড়া সোমবার করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন মুরশেদুল আলম নামে এক বাংলাদেশি। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে এসে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। মুরশেদ নোয়াখালীর বাসিন্দা।

চলতি বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে মৃত্যুবরণকারী ৫৮ বাংলাদেশির মধ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২৭ জন, চোর ডাকাতের গুলিতে খুন হয়েছে ১৭ জন, হৃদরোগ ও অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ১১ জন ও সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তিন বাংলাদেশির।

এভাবে প্রতি বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় শতাধিক বাংলাদেশি নানাভাবে মৃত্যুবরণ করলেও এসব প্রবাসীর পরিবার-পরিজন সরকারি কোনো সাহায্য সহযোগিতা পায় না। কিংবা সরকারকে কোনো তথ্য দিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বাংলাদেশ হাইকমিশন কিংবা বাংলাদেশি কমিউনিটি সংগঠনগুলোর তৎপরতা কোনোদিন লক্ষ্য করা যায়নি।

দক্ষিণ আফ্রিকায় তিন মাসে ৫৮ বাংলাদেশির মৃত্যু

 শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে 
৩১ মার্চ ২০২১, ১০:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকায় চলতি ২০২১ সালের প্রথম তিন মাসে ৫৮ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। চোর ডাকাতের গুলিতে, করোনা আক্রান্ত হয়ে, রোড় এক্সিডেন্টে  এবং হৃদরোগসহ নানা ধরনের অসুস্থতাজনিত কারণে এসব বাংলাদেশি দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত্যুবরণ করেছেন। 

সর্বশেষ গত রোববার রাতে জোহানসবার্গ সংলগ্ন ক্রোগার ড্রপ এলাকায় নিজ বাসার আঙিনায় ডাকাতের গুলিতে খুন হয়েছেন মাসুদ আহমেদ নামে এক বাংলাদেশি নাগরিক। যিনি দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবসা বাণিজ্য করে বসবাস করে আসছিলেন।

তিনি ওই রাতে গাড়ি নিয়ে বাসায় প্রবেশ করার সময় ওতপেতে থাকা সশস্ত্র ডাকাতের গুলিতে খুন হয়েছেন। মাসুদের বাড়ি নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নে। একই দিন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ডারবান শহরে মৃত্যুবরণ করেছেন জসিম উদ্দিন নামে আরেক বাংলাদেশি নাগরিক। তিনি নোয়াখালী সোনাইমুড়ীর বাসিন্দা। এছাড়া সোমবার করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন মুরশেদুল আলম নামে এক বাংলাদেশি। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে এসে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। মুরশেদ নোয়াখালীর বাসিন্দা। 

চলতি বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে মৃত্যুবরণকারী ৫৮ বাংলাদেশির মধ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২৭ জন, চোর ডাকাতের গুলিতে খুন হয়েছে ১৭ জন, হৃদরোগ ও অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ১১ জন ও সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তিন বাংলাদেশির। 

এভাবে প্রতি বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় শতাধিক বাংলাদেশি নানাভাবে মৃত্যুবরণ করলেও এসব প্রবাসীর পরিবার-পরিজন সরকারি কোনো সাহায্য সহযোগিতা পায় না। কিংবা সরকারকে কোনো তথ্য দিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বাংলাদেশ হাইকমিশন কিংবা বাংলাদেশি কমিউনিটি সংগঠনগুলোর তৎপরতা কোনোদিন লক্ষ্য করা যায়নি।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন