মিসরে ৩ হাজার বছরের প্রাচীন ‘স্বর্ণ শহর’ আবিষ্কার
jugantor
মিসরে ৩ হাজার বছরের প্রাচীন ‘স্বর্ণ শহর’ আবিষ্কার

  অনলাইন ডেস্ক  

০৯ এপ্রিল ২০২১, ১৩:১৯:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

মিসরে ৩ হাজার বছরের প্রাচীন ‘স্বর্ণ শহর’ আবিষ্কার

মিসরের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর লুক্সরে তিন হাজার বছর আগের ‘স্বর্ণ শহরের’ খোঁজ পাওয়া গেছে।

বালক সম্রাট তুতেনখামেনের সমাধির পর এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বৃহস্পতিবার একটি প্রত্নতাত্ত্বিক মিশনের বিবৃতিতে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বলা হয়, সম্রাট তৃতীয় আমেনহোতেপ আতেন নামের হারানো শহরটি গড়ে তুলেছিলেন। মিসরের অষ্টাদশ রাজবংশের নবম রাজা ছিলেন তৃতীয় আমেনহোতেপ। খ্রিস্টপূর্ব ১৩৫৩ থেকে ১৩৯১ পর্যন্ত তিনি মিসর শাসন করেন।

তার শাসনামলের সবচেয়ে বড় প্রশাসনিক ও শৈল্পিক বসতি ছিল এই স্বর্ণ শহর। লুক্সরের পশ্চিমতীরে এটির অবস্থান।

জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের মিসরীয় বিদ্যার অধ্যাপক বেটসি ব্রিয়ান বলেন, এই নিখোঁজ শহরটির অনুসন্ধান তুতেনখামেনের সমাধির পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। এটি প্রাচীন মিসরের জীবনযাপন সম্পর্কে আমাদের বিরল ধারণা দিতে সক্ষম হবে।

এটিকে অসাধারণ আবিষ্কার বলে আখ্যায়িত করেছেন মিসর বিদ্যার গবেষকরা। ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকবর্ষের শিক্ষার্থী পাওলো কার্টাগেনা বলেন, প্রাচীন মিসরের জীবন সংস্কৃতি কেমন ছিল, তা জানতে এই আবিষ্কার থেকে আমরা তাৎপর্যপূর্ণ ধারণা পাব।

মিসরে ৩ হাজার বছরের প্রাচীন ‘স্বর্ণ শহর’ আবিষ্কার

 অনলাইন ডেস্ক 
০৯ এপ্রিল ২০২১, ০১:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মিসরে ৩ হাজার বছরের প্রাচীন ‘স্বর্ণ শহর’ আবিষ্কার
ছবি: সংগৃহীত

মিসরের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর লুক্সরে তিন হাজার বছর আগের ‘স্বর্ণ শহরের’ খোঁজ পাওয়া গেছে। 

বালক সম্রাট তুতেনখামেনের সমাধির পর এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। 

বৃহস্পতিবার একটি প্রত্নতাত্ত্বিক মিশনের বিবৃতিতে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বলা হয়, সম্রাট তৃতীয় আমেনহোতেপ আতেন নামের হারানো শহরটি গড়ে তুলেছিলেন। মিসরের অষ্টাদশ রাজবংশের নবম রাজা ছিলেন তৃতীয় আমেনহোতেপ। খ্রিস্টপূর্ব ১৩৫৩ থেকে ১৩৯১ পর্যন্ত তিনি মিসর শাসন করেন।

তার শাসনামলের সবচেয়ে বড় প্রশাসনিক ও শৈল্পিক বসতি ছিল এই স্বর্ণ শহর। লুক্সরের পশ্চিমতীরে এটির অবস্থান।

জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের মিসরীয় বিদ্যার অধ্যাপক বেটসি ব্রিয়ান বলেন, এই নিখোঁজ শহরটির অনুসন্ধান তুতেনখামেনের সমাধির পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। এটি প্রাচীন মিসরের জীবনযাপন সম্পর্কে আমাদের বিরল ধারণা দিতে সক্ষম হবে।

এটিকে অসাধারণ আবিষ্কার বলে আখ্যায়িত করেছেন মিসর বিদ্যার গবেষকরা। ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকবর্ষের শিক্ষার্থী পাওলো কার্টাগেনা বলেন, প্রাচীন মিসরের জীবন সংস্কৃতি কেমন ছিল, তা জানতে এই আবিষ্কার থেকে আমরা তাৎপর্যপূর্ণ ধারণা পাব।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন