‘ভারতের নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠন'
jugantor
‘ভারতের নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠন'

  অনলাইন ডেস্ক  

১২ এপ্রিল ২০২১, ২২:০৬:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

ভারতের নির্বাচন কমিশনকে বিজেপির শাখা সংগঠন বলে মন্তব্য করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

সোমবার তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারির পর এ মন্তব্য করেন দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, ‘মানুষ এর জবাব দেবে। পক্ষপাতদুষ্ট কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠন। ভোটের বাক্সে এর জবাব দেবে মানুষ।’ খবর আনন্দবাজার পত্রিকা।

এছাড়াও ভারতের কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে তৃণমূলের ৪ মুসলমান সমর্থক নিহতের ঘটনায় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইন্ধন রয়েছে বলে দাবি করেছে দলটি। তৃণমূলের অভিযোগ, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ'র ‘নির্দেশে’ই সিআরপিএফ-এর একাংশ বিজেপির হয়ে কাজ করছে।

প্রসঙ্গত, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে মুসলমানসহ সংখ্যালঘুদের ভোট চাওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি দেশটির নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী, সোমবার রাত ৮টা থেকে মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার করতে পারবেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিষেধাজ্ঞার দিনকে ভারতের ইতিহাসে একটি কালো দিন হিসেবে বিবেচিত হবে বলে মন্তব্য করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় দলের অন্যতম মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, ‘এটা গণতন্ত্রের পক্ষে কালো দিন।’

ওই নিষেধাজ্ঞার ফলে মমতার মঙ্গলবারের সফরসূচি বাতিল হল। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে মঙ্গলবার বারাসত, বিধাননগর, হরিণঘাটা ও কৃষ্ণগঞ্জে মমতার সভা করার কথা ছিল।শনিবার কোচবিহারের শীতলখুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যুর পরে রোববার সেখানে যাবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন মমতা। সেই ঘোষণার পরেই কমিশন ৭২ ঘণ্টার জন্য যে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের শীতলখুচিতে যাওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর পরে মমতার প্রচারে নিষেধাজ্ঞা। তৃণমূলের বক্তব্য, গোটাটাই হচ্ছে বিজেপির নির্দেশে।

নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, প্ররোচনামূলক বক্তৃতার অভিযোগে মমতাকে পাঠানো নোটিসের জবাবে কমিশন সন্তুষ্ট না হওয়াতেই ২৪ ঘণ্টার এই নিষেধাজ্ঞা।

প্রসঙ্গত,ভারতের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন ৪ জন মুসলমান। নিহতদের নাম হামিদুল হক, সামিয়ুল হক, মনিরুল হক, নুর আলম। সকালে রাজনৈতিক সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের।

তৃণমূলের দাবি, বিনা প্ররোচনায় গুলি চালিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় বাহিনী।তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে চক্রান্ত করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

৪ মুসলমান তৃণমূল সমর্থকের হত্যার পরতৃণমূলের মুখপাত্র ডেরেক ও'ব্রায়েন টুইটে লিখেছেন, ‘স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে আপনারা হারাতে পারছেন না। গুলি করে খুন করতে হচ্ছে। মো-শা আপনারা হত্যাকারী। আপনাদের নির্দেশেই ডিজি, ডিজি, এডিজি এবং ওই জেলার পুলিস সুপার বদলি করেছে নির্বাচন কমিশন। ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আপনাদের দুজনের হাতে রক্ত লেগে। এতে অবশ্যই আপনারা অভ্যস্ত।'

‘ভারতের নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠন'

 অনলাইন ডেস্ক 
১২ এপ্রিল ২০২১, ১০:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ
তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে চক্রান্ত করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ফাইল ছবি

ভারতের নির্বাচন কমিশনকে বিজেপির শাখা সংগঠন বলে মন্তব্য করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।  

সোমবার তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারির পর এ মন্তব্য করেন দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, ‘মানুষ এর জবাব দেবে। পক্ষপাতদুষ্ট কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠন। ভোটের বাক্সে এর জবাব দেবে মানুষ।’ খবর আনন্দবাজার পত্রিকা।

এছাড়াও ভারতের কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে তৃণমূলের ৪ মুসলমান সমর্থক নিহতের ঘটনায় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইন্ধন রয়েছে বলে দাবি করেছে দলটি। তৃণমূলের অভিযোগ, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ'র ‘নির্দেশে’ই সিআরপিএফ-এর একাংশ বিজেপির হয়ে কাজ করছে।  

প্রসঙ্গত, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে মুসলমানসহ সংখ্যালঘুদের ভোট চাওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি দেশটির নির্বাচন কমিশন। 

নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী, সোমবার রাত ৮টা থেকে মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার করতে পারবেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিষেধাজ্ঞার দিনকে ভারতের ইতিহাসে একটি কালো দিন হিসেবে বিবেচিত হবে বলে মন্তব্য করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। 

নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় দলের অন্যতম মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, ‘এটা গণতন্ত্রের পক্ষে কালো দিন।’ 

ওই নিষেধাজ্ঞার ফলে মমতার মঙ্গলবারের সফরসূচি বাতিল হল। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে মঙ্গলবার বারাসত, বিধাননগর, হরিণঘাটা ও কৃষ্ণগঞ্জে মমতার সভা করার কথা ছিল।শনিবার কোচবিহারের শীতলখুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যুর পরে রোববার সেখানে যাবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন মমতা। সেই ঘোষণার পরেই কমিশন ৭২ ঘণ্টার জন্য যে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের শীতলখুচিতে যাওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর পরে মমতার প্রচারে নিষেধাজ্ঞা। তৃণমূলের বক্তব্য, গোটাটাই হচ্ছে বিজেপির নির্দেশে।

নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, প্ররোচনামূলক বক্তৃতার অভিযোগে মমতাকে পাঠানো নোটিসের জবাবে কমিশন সন্তুষ্ট না হওয়াতেই ২৪ ঘণ্টার এই নিষেধাজ্ঞা।

প্রসঙ্গত, ভারতের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন ৪ জন মুসলমান। নিহতদের নাম হামিদুল হক, সামিয়ুল হক, মনিরুল হক, নুর আলম। সকালে রাজনৈতিক সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের। 

তৃণমূলের দাবি, বিনা প্ররোচনায় গুলি চালিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় বাহিনী। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে চক্রান্ত করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। 

৪ মুসলমান তৃণমূল সমর্থকের হত্যার পর  তৃণমূলের মুখপাত্র ডেরেক ও'ব্রায়েন টুইটে লিখেছেন, ‘স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে আপনারা হারাতে পারছেন না। গুলি করে খুন করতে হচ্ছে। মো-শা আপনারা হত্যাকারী। আপনাদের নির্দেশেই ডিজি, ডিজি, এডিজি এবং ওই জেলার পুলিস সুপার বদলি করেছে নির্বাচন কমিশন। ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আপনাদের দুজনের হাতে রক্ত লেগে। এতে অবশ্যই আপনারা অভ্যস্ত।'    

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন ২০২১

আরও খবর