যুক্তরাষ্ট্র কৃষ্ণসাগরে কী চায়?
jugantor
যুক্তরাষ্ট্র কৃষ্ণসাগরে কী চায়?

  অনলাইন ডেস্ক  

১৩ এপ্রিল ২০২১, ১১:৫৬:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্র কৃষ্ণসাগরে কী চায়?

নিজ ভূখণ্ড থেকে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরে কৃষ্ণসাগরে যুক্তরাষ্ট্র কী চায়, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ।

যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করে সোমবার তিনি বলেন, কৃষ্ণসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ কেন এসেছে, সেই প্রশ্নের জবাব মিলছে না।

এছাড়া ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধে তুরস্কসহ বেশ কয়েকটি দেশকে আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া।

এমন এক সময় এই আহ্বান এসেছে, যখন উত্তর ইউক্রেনে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেন, তুরস্কসহ যেসব দেশের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করেছি, তাদেরকে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করার পরামর্শ দিচ্ছি। তারা যাতে কিয়েভ সরকারের ক্রমাগত যুদ্ধংদেহী বিবৃতিগুলো পর্যালোচনা করেন। এই সামরিক আকাঙ্ক্ষাকে উৎসাহিতকরণ বন্ধ করতে তাদের অনুরোধ করা হচ্ছে।

ইউক্রেনকে যুদ্ধ ড্রোন সরবরাহ করছে তুরস্ক। ২০১৯ সালে দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তি হয়েছিল। অর্ধেকের মতো ড্রোন ইতিমধ্যে সরবরাহ করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে।

কিয়েভের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, গোলাবারুদ, টহল নৌকা নির্মাণসহ যুদ্ধ ড্রোন সরবরাহে আরও চুক্তি হয়েছে সই হয়েছে গত ডিসেম্বরে।

যুক্তরাষ্ট্র কৃষ্ণসাগরে কী চায়?

 অনলাইন ডেস্ক 
১৩ এপ্রিল ২০২১, ১১:৫৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যুক্তরাষ্ট্র কৃষ্ণসাগরে কী চায়?
ছবি: সংগৃহীত

নিজ ভূখণ্ড থেকে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরে কৃষ্ণসাগরে যুক্তরাষ্ট্র কী চায়, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। 

যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করে সোমবার তিনি বলেন, কৃষ্ণসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ কেন এসেছে, সেই প্রশ্নের জবাব মিলছে না।

এছাড়া ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধে তুরস্কসহ বেশ কয়েকটি দেশকে আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া।

এমন এক সময় এই আহ্বান এসেছে, যখন উত্তর ইউক্রেনে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেন, তুরস্কসহ যেসব দেশের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করেছি, তাদেরকে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করার পরামর্শ দিচ্ছি। তারা যাতে কিয়েভ সরকারের ক্রমাগত যুদ্ধংদেহী বিবৃতিগুলো পর্যালোচনা করেন। এই সামরিক আকাঙ্ক্ষাকে উৎসাহিতকরণ বন্ধ করতে তাদের অনুরোধ করা হচ্ছে।

ইউক্রেনকে যুদ্ধ ড্রোন সরবরাহ করছে তুরস্ক।  ২০১৯ সালে দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তি হয়েছিল।  অর্ধেকের মতো ড্রোন ইতিমধ্যে সরবরাহ করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে।

কিয়েভের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, গোলাবারুদ, টহল নৌকা নির্মাণসহ যুদ্ধ ড্রোন সরবরাহে আরও চুক্তি হয়েছে সই হয়েছে গত ডিসেম্বরে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন