‘কৃষ্ণসাগর অঞ্চলকে শান্তির অববাহিকা বানাবে তুরস্ক’
jugantor
‘কৃষ্ণসাগর অঞ্চলকে শান্তির অববাহিকা বানাবে তুরস্ক’

  অনলাইন ডেস্ক  

১৩ এপ্রিল ২০২১, ১৩:৫২:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

সংলাপের মাধ্যমে ইউক্রেন-রাশিয়ার সীমান্তের উত্তেজনা মিটিয়ে ফেলতে আহ্বান জানিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।

কৃষ্ণসাগর অঞ্চলকে শান্তির অববাহিকায় রূপ দেওয়ায় তুরস্কের উদ্দেশ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলিমার জিলনস্কির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে পূর্ব ইউক্রেনের উত্তেজনা কমিয়ে আনা যাবে। ইউক্রেনের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে এই সমাধান বের করতে হবে।

রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে ক্রিমিয়াকে একীভূত করায় স্বীকৃতি দেবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তুরস্ক। এরদোগান বলেন, ক্রিমিয়ার ভূমিতে ইউক্রেনের উদ্যোগে তুরস্কের সমর্থন রয়েছে।

ভলিমার জিলনস্কি বলেন, এ অঞ্চলের বিদ্যমান হুমকি ও তারি মোকাবিলার বিষয়ে আংকারা ও কিয়েভের দৃষ্টিভঙ্গিতে মিল রয়েছে। ভূখণ্ডগত অখণ্ডতায় ইউক্রেনকে তুরস্কের সমর্থন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইউক্রেনের অধিকৃত ভূখণ্ড ডনবাস ও ক্রিমিয়া পরিস্থিতি নিয়ে আমরা তুরস্ককে বিস্তারিত তথ্য দেব।

ইস্তানবুলের হুবার ম্যানশনে এরদোগান ও জিলনস্কির মধ্যে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। তুরস্ক-ইউক্রেনের উচ্চ-পর্যায়ের কৌশলগত সহযোগিতা কাউন্সিলের নবম বৈঠকে অংশ নিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট আংকারায় আসেন।

প্রতিরক্ষা শিল্পের সহযোগিতা ও মুক্ত-বাণিজ্য চুক্তি ও পর্যটন ছিল তাদের আলোচনার মূল বিষয়।

‘কৃষ্ণসাগর অঞ্চলকে শান্তির অববাহিকা বানাবে তুরস্ক’

 অনলাইন ডেস্ক 
১৩ এপ্রিল ২০২১, ০১:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সংলাপের মাধ্যমে ইউক্রেন-রাশিয়ার সীমান্তের উত্তেজনা মিটিয়ে ফেলতে আহ্বান জানিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। 

কৃষ্ণসাগর অঞ্চলকে শান্তির অববাহিকায় রূপ দেওয়ায় তুরস্কের উদ্দেশ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলিমার জিলনস্কির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে পূর্ব ইউক্রেনের উত্তেজনা কমিয়ে আনা যাবে। ইউক্রেনের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে এই সমাধান বের করতে হবে।

রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে ক্রিমিয়াকে একীভূত করায় স্বীকৃতি দেবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তুরস্ক। এরদোগান বলেন, ক্রিমিয়ার ভূমিতে ইউক্রেনের উদ্যোগে তুরস্কের সমর্থন রয়েছে।

ভলিমার জিলনস্কি বলেন, এ অঞ্চলের বিদ্যমান হুমকি ও তারি মোকাবিলার বিষয়ে আংকারা ও কিয়েভের দৃষ্টিভঙ্গিতে মিল রয়েছে। ভূখণ্ডগত অখণ্ডতায় ইউক্রেনকে তুরস্কের সমর্থন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইউক্রেনের অধিকৃত ভূখণ্ড ডনবাস ও ক্রিমিয়া পরিস্থিতি নিয়ে আমরা তুরস্ককে বিস্তারিত তথ্য দেব।

ইস্তানবুলের হুবার ম্যানশনে এরদোগান ও জিলনস্কির মধ্যে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। তুরস্ক-ইউক্রেনের উচ্চ-পর্যায়ের কৌশলগত সহযোগিতা কাউন্সিলের নবম বৈঠকে অংশ নিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট আংকারায় আসেন।

প্রতিরক্ষা শিল্পের সহযোগিতা ও মুক্ত-বাণিজ্য চুক্তি ও পর্যটন ছিল তাদের আলোচনার মূল বিষয়।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর