ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে বলল তুরস্ক
jugantor
ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে বলল তুরস্ক

  অনলাইন ডেস্ক  

১৫ এপ্রিল ২০২১, ১৩:১৮:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

তুরস্ক তাদের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানকে ‘স্বৈরশাসক’ বলায় ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।

আধুনিক তুরস্কের সবচেয়ে শক্তিশালী নেতা এরদোগানকে সমর্থকরা দেশটির রক্ষাকর্তা হিসাবে দেখে থাকেন। খবর আরব নিউজের।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি সম্প্রতি তাকে ‘স্বৈরশাসক’ হিসাবে আখ্যা দিয়েছেন। গত বুধবার ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনকে তুরস্কে অবমাননা করার অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে এ মন্তব্য করেন তিনি।

লিয়েন ও ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেল এক সপ্তাহ আগে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেখানে ছিল মাত্র দুটি চেয়ার।

একটিতে বসলেন এরদোগান এবং অন্যটিতে মিশেল। ভন ডার লিয়েনকে যথারীতি দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল। তুরস্কের সরকারি ছবিগুলোতে অবশ্য তাকে একটি সোফায় বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল।

ইতালির প্রেসিডেন্ট মারিও দ্রাঘি বুধবার বলেন, ‘ভন ডার লিয়েনকে যে ভীষণ অবমাননা করা হয়েছে, তাতে আমি খুবই অসন্তুষ্ট, ক্ষুব্ধ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আসুন ওদের বুঝিয়ে দিতে বলি, ওরা আসলে কী? এই স্বৈরশাসকদের বুঝিয়ে দিতে হবে, বিশ্বসমাজে চলতে গেলে আরও সততা অর্জন করতে হবে।’

এদিকে ইতালি প্রধানমন্ত্রীর এ মন্তব্যের প্রতিবাদে তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এটিকে ‘অপ্রয়োজনীয় ও কুরুচিপূর্ণ’ বলে আখ্যা দিয়েছে।

তুরস্ক এক বিবৃতিতে বলেছে, দ্রাঘির এই মন্তব্য তুরস্ক ও ইতালির জোটচেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তার এ মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।

সরকারিভাবে প্রতিবাদের পাশাপাশি তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাভুসোগলু একটি টুইটবার্তায় এ মন্তব্যের তীব্র সমালোচনাও করেন।

ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে বলল তুরস্ক

 অনলাইন ডেস্ক 
১৫ এপ্রিল ২০২১, ০১:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

তুরস্ক তাদের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানকে ‘স্বৈরশাসক’ বলায় ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।

আধুনিক তুরস্কের সবচেয়ে শক্তিশালী নেতা এরদোগানকে সমর্থকরা দেশটির রক্ষাকর্তা হিসাবে দেখে থাকেন। খবর আরব নিউজের।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি সম্প্রতি তাকে ‘স্বৈরশাসক’ হিসাবে আখ্যা দিয়েছেন।  গত বুধবার ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনকে তুরস্কে অবমাননা করার অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে এ মন্তব্য করেন তিনি।

লিয়েন ও ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেল এক সপ্তাহ আগে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন।  সেখানে ছিল মাত্র দুটি চেয়ার।

একটিতে বসলেন এরদোগান এবং অন্যটিতে মিশেল।  ভন ডার লিয়েনকে যথারীতি দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল। তুরস্কের সরকারি ছবিগুলোতে অবশ্য তাকে একটি সোফায় বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল।

ইতালির প্রেসিডেন্ট মারিও দ্রাঘি বুধবার বলেন, ‘ভন ডার লিয়েনকে যে ভীষণ অবমাননা করা হয়েছে, তাতে আমি খুবই অসন্তুষ্ট, ক্ষুব্ধ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আসুন ওদের বুঝিয়ে দিতে বলি, ওরা আসলে কী? এই স্বৈরশাসকদের বুঝিয়ে দিতে হবে, বিশ্বসমাজে চলতে গেলে আরও সততা অর্জন করতে হবে।’

এদিকে ইতালি প্রধানমন্ত্রীর এ মন্তব্যের প্রতিবাদে তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এটিকে ‘অপ্রয়োজনীয় ও কুরুচিপূর্ণ’ বলে আখ্যা দিয়েছে।

তুরস্ক এক বিবৃতিতে বলেছে, দ্রাঘির এই মন্তব্য তুরস্ক ও ইতালির জোটচেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।  তার এ মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।

সরকারিভাবে প্রতিবাদের পাশাপাশি তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাভুসোগলু একটি টুইটবার্তায় এ মন্তব্যের তীব্র সমালোচনাও করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন