শুক্রাণু সংকট, দাতা খুঁজছে সুইডেন
jugantor
শুক্রাণু সংকট, দাতা খুঁজছে সুইডেন

  অনলাইন ডেস্ক  

১৫ এপ্রিল ২০২১, ১৯:২৯:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

শুক্রাণু

শুক্রাণুর জন্য দাতা খুঁজছে ইউরোপের দেশ সুইডেন। করোনাভাইরাসের কারণে দাতারা হাসপাতাল এড়িয়ে চলায় শুক্রাণুর তীব্র ঘাটতি দেখা দেয় দেশটিতে। এ কারণে হাসপাতালে শুক্রাণু দান কার্যক্রম বৃহৎ অংশে স্থবির হয়ে পড়েছে এবং নারীদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করা লাগছে। খবর-রয়টার্সের।

গোথেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রজনন শাখার প্রধান অ্যান থুরিন জেলবার্গ বলেছেন, আমরা শুক্রাণু সংকটের মুখোমুখি হয়েছি। ‌আমরা গত বছরের মতো এত কম দাতা কখনও পাইনি।

বিষয়টির সম্পর্কে অবগত চিকিৎসকরা বলছেন, শুক্রাণু সংকটের কারণে গর্ভধারণে সহায়তা ছয় মাস থেকে প্রায় ৩০ মাস পর্যন্ত পিছিয়ে গেছে। এমনকি অপেক্ষা আরও বাড়তে পারে।

সুইডেনের দক্ষিণাঞ্চলের একটি স্কুলের গণিতের শিক্ষক ২৮ বছর বয়সী এলিন বার্গস্টেন বলেন, এটি মানসিক পীড়াদায়ক যে, আমরা চিকিৎসার জন্য একটি পরিষ্কার সময় কিংবা তারিখ পর্যন্ত পাচ্ছি না।

দুই বছর আগে বার্গস্টেন এবং তার স্বামী চিকিৎসকের কাছে যান। সেই সময় বার্গস্টেন জানতে পারেন তার স্বামী বীর্য উৎপাদনে অক্ষম এবং এই দম্পতি তাৎক্ষণিকভাবে গর্ভধারণে সহায়তার আবেদন করেন। পরে হাসপাতাল থেকে অন্যের শুক্রাণুর মাধ্যমে সন্তানের প্রক্রিয়া শুরু করেন বার্গস্টেন। দ্বিতীয় দফায় শুক্রাণু নেওয়ার আগে ঘাটতির কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য তার এই চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যায়।

শুক্রাণু সংকট, দাতা খুঁজছে সুইডেন

 অনলাইন ডেস্ক 
১৫ এপ্রিল ২০২১, ০৭:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শুক্রাণু
ফাইল ছবি

শুক্রাণুর জন্য দাতা খুঁজছে ইউরোপের দেশ সুইডেন। করোনাভাইরাসের কারণে দাতারা হাসপাতাল এড়িয়ে চলায় শুক্রাণুর তীব্র ঘাটতি দেখা দেয় দেশটিতে। এ কারণে হাসপাতালে শুক্রাণু দান কার্যক্রম বৃহৎ অংশে স্থবির হয়ে পড়েছে এবং নারীদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করা লাগছে। খবর-রয়টার্সের।

গোথেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রজনন শাখার প্রধান অ্যান থুরিন জেলবার্গ বলেছেন, আমরা শুক্রাণু সংকটের মুখোমুখি হয়েছি। ‌আমরা গত বছরের মতো এত কম দাতা কখনও পাইনি।

বিষয়টির সম্পর্কে অবগত চিকিৎসকরা বলছেন, শুক্রাণু সংকটের কারণে গর্ভধারণে সহায়তা ছয় মাস থেকে প্রায় ৩০ মাস পর্যন্ত পিছিয়ে গেছে। এমনকি অপেক্ষা আরও বাড়তে পারে।

সুইডেনের দক্ষিণাঞ্চলের একটি স্কুলের গণিতের শিক্ষক ২৮ বছর বয়সী এলিন বার্গস্টেন বলেন, এটি মানসিক পীড়াদায়ক যে, আমরা চিকিৎসার জন্য একটি পরিষ্কার সময় কিংবা তারিখ পর্যন্ত পাচ্ছি না।

দুই বছর আগে বার্গস্টেন এবং তার স্বামী চিকিৎসকের কাছে যান। সেই সময় বার্গস্টেন জানতে পারেন তার স্বামী বীর্য উৎপাদনে অক্ষম এবং এই দম্পতি তাৎক্ষণিকভাবে গর্ভধারণে সহায়তার আবেদন করেন। পরে হাসপাতাল থেকে অন্যের শুক্রাণুর মাধ্যমে সন্তানের প্রক্রিয়া শুরু করেন বার্গস্টেন। দ্বিতীয় দফায় শুক্রাণু নেওয়ার আগে ঘাটতির কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য তার এই চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন