থাই সীমান্তের কাছে মিয়ানমারে প্রচণ্ড লড়াই
jugantor
থাই সীমান্তের কাছে মিয়ানমারে প্রচণ্ড লড়াই

  অনলাইন ডেস্ক  

২৭ এপ্রিল ২০২১, ১১:০০:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

থাইল্যান্ডসংলগ্ন মিয়ানমারের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের কাছে সেনাবাহিনীর একটি চৌকিতে তীব্র লড়াই শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোর থেকে মূলত বিদ্রোহী কারেন আর্মির নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাটিতে দুপক্ষের মধ্যে লড়াই শুরু হয়। কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন বলছে, তীব্র লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে তারা সেনাবাহিনীর অবস্থানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন খবর দিয়েছে।

মিয়ানমারের ১ ফেব্রুয়ারির সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে এটি সবচেয়ে তীব্র লড়াইগুলোর মধ্যে একটি।

দেশটিতে সহিংসতা বন্ধে তারা জান্তার সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছেন, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার নেতারা এমন কথা বলার কয়েকদিনের মধ্যে এ লড়াই।

থাইল্যান্ডের সালউইন নদীর দুই পাড়ের গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, সূর্য ওঠার আগে থেকেই ব্যাপক গোলাগুলি শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসা ভিডিওতে বনঘেরা পাহাড়ের একপাশে আগুন ও ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।

কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়নের (কেএনইউ) বাহিনীগুলো স্থানীয় সময় ভোর ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে সীমান্ত চৌকিটি দখল করে নেয়।

শিবিরটি দখল করে সেটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কতোজন হতাহত হয়েছে কেএনইউয়ের সদস্যরা তা পরীক্ষা করে দেখছে।

স্থানীয় মিডিয়া গোষ্ঠী ‘কারেন তথ্য কেন্দ্র’ জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর ঘাঁটিটি ছারখার করে দেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীরা সৈন্যদের দৌড়ে পালাতে দেখছেন বলে জানিয়েছে তারা।

কারেনদের এসব দাবির বিষয়ে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

মিয়ানমারের ওই ঘাঁটির সৈন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা থাইল্যান্ডের গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কেএনইউয়ের বাহিনীগুলো এই ঘাঁটিটি ঘেরাও করে রেখেছিল তাই সেখানে পর্যাপ্ত খাবার ছিল না।

থাই সীমান্তের কাছে মিয়ানমারে প্রচণ্ড লড়াই

 অনলাইন ডেস্ক 
২৭ এপ্রিল ২০২১, ১১:০০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

থাইল্যান্ডসংলগ্ন মিয়ানমারের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের কাছে সেনাবাহিনীর একটি চৌকিতে তীব্র লড়াই শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোর থেকে মূলত বিদ্রোহী কারেন আর্মির নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাটিতে দুপক্ষের মধ্যে লড়াই শুরু হয়। কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন বলছে, তীব্র লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে তারা সেনাবাহিনীর অবস্থানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন খবর দিয়েছে। 

মিয়ানমারের ১ ফেব্রুয়ারির সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে এটি সবচেয়ে তীব্র লড়াইগুলোর মধ্যে একটি। 

দেশটিতে সহিংসতা বন্ধে তারা জান্তার সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছেন, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার নেতারা এমন কথা বলার কয়েকদিনের মধ্যে এ লড়াই।

থাইল্যান্ডের সালউইন নদীর দুই পাড়ের গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, সূর্য ওঠার আগে থেকেই ব্যাপক গোলাগুলি শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসা ভিডিওতে বনঘেরা পাহাড়ের একপাশে আগুন ও ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।      

কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়নের (কেএনইউ) বাহিনীগুলো স্থানীয় সময় ভোর ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে সীমান্ত চৌকিটি দখল করে নেয়।

শিবিরটি দখল করে সেটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কতোজন হতাহত হয়েছে কেএনইউয়ের সদস্যরা তা পরীক্ষা করে দেখছে। 

স্থানীয় মিডিয়া গোষ্ঠী ‘কারেন তথ্য কেন্দ্র’ জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর ঘাঁটিটি ছারখার করে দেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীরা সৈন্যদের দৌড়ে পালাতে দেখছেন বলে জানিয়েছে তারা।

কারেনদের এসব দাবির বিষয়ে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

মিয়ানমারের ওই ঘাঁটির সৈন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা থাইল্যান্ডের গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কেএনইউয়ের বাহিনীগুলো এই ঘাঁটিটি ঘেরাও করে রেখেছিল তাই সেখানে পর্যাপ্ত খাবার ছিল না।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর