ফ্রান্স থেকে আরও ৩০টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান কিনছে মিসর
jugantor
ফ্রান্স থেকে আরও ৩০টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান কিনছে মিসর

  অনলাইন ডেস্ক  

০৪ মে ২০২১, ২২:৫৬:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

জাতীয় নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে ফ্রান্স থেকে লক্ষ কোটি টাকা খরচ করে আরও৩০টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান কিনছে মিসর। ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের এ যুদ্ধবিমান কিনতে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে জানিয়েছে অনুসন্ধানমূলক ওয়েবসাইট ডিসক্লোস।খবর-আলজাজিরার।

তবে মঙ্গলবার মিসরের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় চুক্তির কথা জানালেও অর্থ মূল্যের কথা জানায়নি।

১০ বছর মেয়াদি ঋণে এসব কেনা হচ্ছে। এর আগে ২০১৩-১৭ সালে ২৪টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান কিনেছিল মিসর।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো গত ডিসেম্বরে বলেছিলেন, তিনি মিসরের কাছে এই যুদ্ধবিমান বিক্রির বিষয়টিকে দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত করতে চান না।

কারণ তাতে উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। ম্যাক্রোর ওই মন্তব্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, মিশরে একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন প্রেসিডেন্ট সিসি এবং তিনি বিরোধী পক্ষগুলোকে কঠোর হাতে দমন করে যাচ্ছেন। আর এ বিষয়টি না দেখার ভান করছে মিশরের প্রধান সমরাস্ত্র সরবরাহকারী দেশ ফ্রান্স।

সৌদি আরব ও ভারতের পর বিশ্বের তৃতীয় অস্ত্র আমদানিকারী দেশ মিসর। গত এক দশকে আফ্রিকান দেশটির অস্ত্র ক্রয় ১৩৬% শতাংশ বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও ফ্রান্স, জার্মানি ও রাশিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র ক্রয় করে আসছে মিসর। ২০১৩ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে মিসরের প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ ছিল ফ্রান্স।

ফ্রান্স থেকে আরও ৩০টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান কিনছে মিসর

 অনলাইন ডেস্ক 
০৪ মে ২০২১, ১০:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জাতীয় নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে ফ্রান্স থেকে লক্ষ কোটি টাকা খরচ করে আরও ৩০টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান কিনছে মিসর। ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের এ যুদ্ধবিমান কিনতে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে জানিয়েছে অনুসন্ধানমূলক ওয়েবসাইট ডিসক্লোস।খবর-আলজাজিরার।

তবে মঙ্গলবার মিসরের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় চুক্তির কথা জানালেও অর্থ মূল্যের কথা জানায়নি। 

১০ বছর মেয়াদি ঋণে এসব কেনা হচ্ছে। এর আগে ২০১৩-১৭ সালে ২৪টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান কিনেছিল মিসর।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো গত ডিসেম্বরে বলেছিলেন, তিনি মিসরের কাছে এই যুদ্ধবিমান বিক্রির বিষয়টিকে দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত করতে চান না।

কারণ তাতে উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। ম্যাক্রোর ওই মন্তব্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। 

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, মিশরে একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন প্রেসিডেন্ট সিসি এবং তিনি বিরোধী পক্ষগুলোকে কঠোর হাতে দমন করে যাচ্ছেন। আর এ বিষয়টি না দেখার ভান করছে মিশরের প্রধান সমরাস্ত্র সরবরাহকারী দেশ ফ্রান্স।

সৌদি আরব ও ভারতের পর বিশ্বের তৃতীয় অস্ত্র আমদানিকারী দেশ মিসর। গত এক দশকে আফ্রিকান দেশটির অস্ত্র ক্রয় ১৩৬% শতাংশ বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও ফ্রান্স, জার্মানি ও রাশিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র ক্রয় করে আসছে মিসর। ২০১৩ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে মিসরের প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ ছিল ফ্রান্স।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন