পর্তুগালে ভ্যাকসিন কার্যক্রম গতিশীল করতে অভিনব পরিকল্পনা
jugantor
পর্তুগালে ভ্যাকসিন কার্যক্রম গতিশীল করতে অভিনব পরিকল্পনা

  ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, পর্তুগাল থেকে  

০৫ মে ২০২১, ২০:১৬:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

পর্তুগালের করোনা ভ্যাকসিন কার্যক্রমের নতুন কৌশল হিসেবে বর্তমানে যেসব ব্যক্তি বিভিন্ন হাসপাতালে বহির্বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে আসবেন তাদের প্রত্যেককেই একই সময়ে ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। ফলে একদিকে যেমন অসুস্থ ব্যক্তির সুরক্ষা বাড়বে অপরদিকে ভ্যাকসিন কার্যক্রমে গতিশীলতা আসবে।

তাছাড়া আগামী সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন এক লাখ ভ্যাকসিন প্রদান করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী সব সহযোগী বিষয়গুলোকে সমন্বয় করা হয়েছে। গতকাল রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পর্তুগাল করোনা ভ্যাকসিন টাস্কফোর্সের প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল হেনরিক গৌইভিয়া-ই-মেলো বিষয়টি জানান।

ভ্যাকসিন পরিকল্পনা অনুযায়ী বয়সভিত্তিকভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ৮০ বছরের বেশি বয়স্ক দের মধ্যে ৯৩% প্রথম ডোজ নিয়েছেন এবং ৮২ শতাংশ পূর্ণ ডোজ নিয়েছেন। ৬৫ থেকে ৭৯ বছর বয়সের মধ্যে একটি ডোজ নিয়েছেন ৭১% এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন মাত্র ৭% শতাংশ। এ পর্যন্ত ৫০ থেকে ৬৪ বছর বয়সী সবচেয়ে বড় বয়সভিত্তিক গ্রুপের মধ্যে ৪ লাখ ৭৬৯ জন (১৯%) নিয়েছেন প্রথম ডোজ এবং ৮৮ হাজার ৭২০ জন (৪%) পূর্ণ ডোজ নিয়েছেন।

টাস্কফোর্সের প্রধান আশা প্রকাশ করছেন যে, মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে উপরুক্ত বয়সভিত্তিক গ্রুপগুলোকে একটি পর্যায়ে আনয়ন করে পরবর্তী মাসে ৫০ বছরের নিচের বয়সের গ্রুপের নাগরিকদের টিকা প্রদান শুরু করা সম্ভব হবে।
সাপ্তাহিক টিকাদান প্রতিবেদন অনুযায়ী ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে ২৫ লাখ ৬৮ হাজার ৩৪৪ জনকে কমপক্ষে একটি ডোজ প্রদান করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ৯ লাখ ১৫ হাজার ২৪৬ জন পূর্ণ ডোজ গ্রহণ করেছেন। হিসাবে দেশের এক-চতুর্থাংশ নাগরিক কমপক্ষে একটি ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন।

পর্তুগালে ৩ মে মাত্র ১৮০ জন সংক্রমণ এবং মৃত্যুহীন দিন পার করলেও পরবর্তী দিনে চিত্র আবার কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে, ৪ মে সংক্রমণ সংখ্যা ২৫৮ জন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যা গুনতে হয়েছে ৪ জন। এ পর্যন্ত পর্তুগালে সর্বমোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৫ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ১৬ হাজার ৯৮১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৯৭ হাজার ৯০১ একজন; বর্তমানে ২২ হাজার ৮৩৩ জন আক্রান্ত অবস্থায় আছেন।

পর্তুগালে ভ্যাকসিন কার্যক্রম গতিশীল করতে অভিনব পরিকল্পনা

 ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, পর্তুগাল থেকে 
০৫ মে ২০২১, ০৮:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পর্তুগালের করোনা ভ্যাকসিন কার্যক্রমের নতুন কৌশল হিসেবে বর্তমানে যেসব ব্যক্তি বিভিন্ন হাসপাতালে বহির্বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে আসবেন তাদের প্রত্যেককেই একই সময়ে ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। ফলে একদিকে যেমন অসুস্থ ব্যক্তির সুরক্ষা বাড়বে অপরদিকে ভ্যাকসিন কার্যক্রমে গতিশীলতা আসবে।

তাছাড়া আগামী সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন এক লাখ ভ্যাকসিন প্রদান করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী সব সহযোগী বিষয়গুলোকে সমন্বয় করা হয়েছে। গতকাল রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পর্তুগাল করোনা ভ্যাকসিন টাস্কফোর্সের প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল হেনরিক গৌইভিয়া-ই-মেলো বিষয়টি জানান।

ভ্যাকসিন পরিকল্পনা অনুযায়ী বয়সভিত্তিকভাবে  প্রয়োগ করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ৮০ বছরের বেশি বয়স্ক দের মধ্যে ৯৩% প্রথম ডোজ নিয়েছেন এবং ৮২ শতাংশ পূর্ণ ডোজ  নিয়েছেন। ৬৫ থেকে ৭৯ বছর বয়সের মধ্যে একটি ডোজ নিয়েছেন ৭১% এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন মাত্র ৭% শতাংশ। এ পর্যন্ত ৫০ থেকে ৬৪ বছর বয়সী সবচেয়ে বড় বয়সভিত্তিক গ্রুপের মধ্যে ৪ লাখ ৭৬৯ জন (১৯%) নিয়েছেন প্রথম ডোজ এবং ৮৮ হাজার ৭২০ জন (৪%) পূর্ণ ডোজ নিয়েছেন।

টাস্কফোর্সের প্রধান আশা প্রকাশ করছেন যে, মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে উপরুক্ত বয়সভিত্তিক গ্রুপগুলোকে একটি পর্যায়ে আনয়ন করে পরবর্তী মাসে ৫০ বছরের নিচের বয়সের গ্রুপের নাগরিকদের টিকা প্রদান শুরু করা সম্ভব হবে।
সাপ্তাহিক টিকাদান প্রতিবেদন অনুযায়ী ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে ২৫ লাখ ৬৮ হাজার ৩৪৪ জনকে কমপক্ষে একটি ডোজ প্রদান করা হয়েছে এবং এর মধ্যে  ৯ লাখ ১৫ হাজার ২৪৬ জন পূর্ণ ডোজ গ্রহণ করেছেন। হিসাবে দেশের এক-চতুর্থাংশ নাগরিক কমপক্ষে একটি ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন।

পর্তুগালে ৩ মে মাত্র ১৮০ জন সংক্রমণ এবং মৃত্যুহীন দিন পার করলেও পরবর্তী দিনে চিত্র আবার কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে, ৪ মে সংক্রমণ সংখ্যা ২৫৮ জন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যা গুনতে হয়েছে ৪ জন। এ পর্যন্ত পর্তুগালে সর্বমোট করোনা আক্রান্ত  হয়েছেন ৮ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৫ জন  এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ১৬ হাজার ৯৮১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৯৭ হাজার ৯০১ একজন; বর্তমানে ২২ হাজার ৮৩৩ জন আক্রান্ত অবস্থায় আছেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন