এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে একহাত নিলেন ট্রাম্প
jugantor
এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে একহাত নিলেন ট্রাম্প

  অনলাইন ডেস্ক  

০৬ মে ২০২১, ১৫:১৯:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে ফেসবুকের দেখভালকারী পরিষদ বা ‘ওভারসাইট বোর্ড’।

এমন সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ফেসবুক, টুইটার ও গুগল যা করেছে, তা দেশের জন্য অসম্মানজনক ও বিব্রতকর। এই দুর্নীতিগ্রস্ত সামাজিকমাধ্যমগুলোকে অবশ্যই রাজনৈতিকভাবে মূল্য দিতে হবে।’

ট্রাম্প তার নিজস্ব ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।খবর বিবিসির।

ট্রাম্প আরও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের (ট্রাম্পের শাসনামলে) কাছ থেকে বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। কারণ নৈরাজ্যবাদী বামপন্থি উন্মাদেরা সত্যকে ভয় পায়।

কিন্তু সত্য আগের চেয়ে বৃহৎ ও শক্তিশালী রূপে বেরিয়ে আসবে। আমাদের দেশের নাগরিকরা তাদের পক্ষে আর দাঁড়াবে না। এই দুর্নীতিগ্রস্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে অবশ্যই রাজনৈতিকভাবে মূল্য চুকাতে হবে। এবং আমাদের নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আর ধ্বংস করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

এদিকে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা বহালের পরই ওভারসাইট বোর্ড জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা ফেসবুকের স্বাভাবিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বাইরে কিনা, তা বিবেচনার বিষয়। এই স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে পর্যালোচনা করার জন্যও ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া সাধারণ ব্যবহারকারীসহ সবার ক্ষেত্রেই একইভাবে এই নিয়ম ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা, এ ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার জন্যও কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে ওভারসাইট বোর্ড।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন ঘিরে মার্কিন কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটলে হামলার ঘটনায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে একহাত নিলেন ট্রাম্প

 অনলাইন ডেস্ক 
০৬ মে ২০২১, ০৩:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে ফেসবুকের দেখভালকারী পরিষদ বা ‘ওভারসাইট বোর্ড’।

এমন সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ফেসবুক, টুইটার ও গুগল যা করেছে, তা দেশের জন্য অসম্মানজনক ও বিব্রতকর। এই দুর্নীতিগ্রস্ত সামাজিকমাধ্যমগুলোকে অবশ্যই রাজনৈতিকভাবে মূল্য দিতে হবে।’

ট্রাম্প তার নিজস্ব ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।খবর বিবিসির।

ট্রাম্প আরও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের (ট্রাম্পের শাসনামলে) কাছ থেকে বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। কারণ নৈরাজ্যবাদী বামপন্থি উন্মাদেরা সত্যকে ভয় পায়।

কিন্তু সত্য আগের চেয়ে বৃহৎ ও শক্তিশালী রূপে বেরিয়ে আসবে। আমাদের দেশের নাগরিকরা তাদের পক্ষে আর দাঁড়াবে না। এই দুর্নীতিগ্রস্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে অবশ্যই রাজনৈতিকভাবে মূল্য চুকাতে হবে। এবং আমাদের নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আর ধ্বংস করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

এদিকে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা বহালের পরই ওভারসাইট বোর্ড জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা ফেসবুকের স্বাভাবিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বাইরে কিনা, তা বিবেচনার বিষয়। এই স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে পর্যালোচনা করার জন্যও ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া সাধারণ ব্যবহারকারীসহ সবার ক্ষেত্রেই একইভাবে এই নিয়ম ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা, এ ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার জন্যও কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে ওভারসাইট বোর্ড।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন ঘিরে মার্কিন কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটলে হামলার ঘটনায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর