ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত থামাতে দূত পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
jugantor
ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত থামাতে দূত পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৩ মে ২০২১, ১১:৩১:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত থামাতে দূত পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর তাণ্ডব অব্যাহত রয়েছে। জবাবে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে রকেট ছুড়ছে ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।

এমন পরিস্থিতিতে সংঘাত থামানোর চেষ্টায় ওই অঞ্চলে দূত পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

ইসরাইল-হামাস সংঘর্ষে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞের চিত্রকে ‘যন্ত্রণাদায়ক’ অ্যাখ্যা দিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে জ্যেষ্ঠ সহযোগী হাদি আমরকে পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্লিংকেন।

আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেছেন, ইসরাইলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে, তবে ফিলিস্তিনের মানুষেরও নিরাপত্তা ও নিরাপদে থাকার অধিকার আছে।

অন্যদিকে পেন্টাগন প্রধান লয়েড অস্টিন ‘ইসরাইলের নিজেকে রক্ষার বৈধ অধিকারের’ প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি দখলদার বাহিনী।

গত সোমবার থেকে ইসরাইলের অব্যাহত বিমান হামলায় এ পর্যন্ত ১৬ শিশুসহ ৬৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ৮৬ শিশু ও ৩৯ নারীসহ গুরুতর আহত হয়েছেন ৩৬৫ জন। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

অপরদিকে, ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখার রকেট হামলায় শিশুসহ কমপক্ষে ছয়জন ইসরাইলি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ইসরাইলি সৈন্য রয়েছেন। বাকিরা সবাই বেসামরিক। তাদের মধ্যে তিনজন নারী ও দুই শিশু রয়েছে।

এছাড়া হামাসের হামলায় অন্তত ১০০ জন ইসরাইলি আহত হয়েছেন। ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলছে, ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানে প্রায় দেড় হাজার রকেট হামলা চালিয়েছে গাজা।

ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় তিনটি বহুতল ভবন বিধ্বস্ত হয়েছে। বুধবার কালো ধোয়া গাজা শহর আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এসব হামলায় হামাসের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা নিহত হয়েছেন।

ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত থামাতে দূত পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৩ মে ২০২১, ১১:৩১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত থামাতে দূত পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ইসরাইলি বিমান হামলার পর গাজা সিটির দৃশ্য। ছবি: বিবিসি

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর তাণ্ডব অব্যাহত রয়েছে। জবাবে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে রকেট ছুড়ছে ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।

এমন পরিস্থিতিতে সংঘাত থামানোর চেষ্টায় ওই অঞ্চলে দূত পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন এ তথ্য জানিয়েছেন। 

ইসরাইল-হামাস সংঘর্ষে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞের চিত্রকে ‘যন্ত্রণাদায়ক’ অ্যাখ্যা দিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে জ্যেষ্ঠ সহযোগী হাদি আমরকে পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্লিংকেন।

আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেছেন, ইসরাইলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে, তবে ফিলিস্তিনের মানুষেরও নিরাপত্তা ও নিরাপদে থাকার অধিকার আছে।

অন্যদিকে পেন্টাগন প্রধান লয়েড অস্টিন ‘ইসরাইলের নিজেকে রক্ষার বৈধ অধিকারের’ প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি দখলদার বাহিনী। 

গত সোমবার থেকে ইসরাইলের অব্যাহত বিমান হামলায় এ পর্যন্ত ১৬ শিশুসহ ৬৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ৮৬ শিশু ও ৩৯ নারীসহ গুরুতর আহত হয়েছেন ৩৬৫ জন। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

অপরদিকে, ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখার রকেট হামলায় শিশুসহ কমপক্ষে ছয়জন ইসরাইলি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ইসরাইলি সৈন্য রয়েছেন। বাকিরা সবাই বেসামরিক। তাদের মধ্যে তিনজন নারী ও দুই শিশু রয়েছে। 

এছাড়া হামাসের হামলায় অন্তত ১০০ জন ইসরাইলি আহত হয়েছেন। ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলছে, ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানে প্রায় দেড় হাজার রকেট হামলা চালিয়েছে গাজা।

ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় তিনটি বহুতল ভবন বিধ্বস্ত হয়েছে। বুধবার কালো ধোয়া গাজা শহর আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এসব হামলায় হামাসের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা নিহত হয়েছেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন