ইসরাইলি সেনার গুলিতে আহত ফিলিস্তিনি অভিনেত্রী
jugantor
ইসরাইলি সেনার গুলিতে আহত ফিলিস্তিনি অভিনেত্রী

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক  

১৬ মে ২০২১, ০১:৫৯:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

‘অ্যাঞ্জেল’ তারকা খ্যাত ফিলিস্তিনি অভিনেত্রী মাইশা আবদ এলহাদির ওপর গুলি চালিয়েছে দখলদার ইসরাইলি সেনা। এতেগুরুতর আহত হয়েছেন তিনি।

ইসরাইলের হাইফা নগরীতে একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেয়ার পর দেশটির সামরিক বাহিনী তার ওপর গুলি চালায়।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ আবেগঘন পোস্টে তিনি হামলায় আহত হওয়ার খবর জানান ও এর বর্ণনা দেন।

ইনস্টাগ্রামে লেখা তার বিশদ পোস্টটি পাঠকের উদ্দেশে তুলে ধরা হলো -

‘রোববার আমি হাইফায় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নিয়েছিলাম। আমরা স্লোগান দিচ্ছিলাম, গান করছিলাম, কণ্ঠ ব্যবহার করে ক্ষোভ প্রকাশ করছিলাম। ব্যক্তিগতভাবে আমি বিক্ষোভে স্লোগান দিচ্ছিলাম এবং ঘটনার ভিডিও করছিলাম। বিক্ষোভ শুরুর কিছুক্ষণ পর সৈন্যরা স্টেন ও গ্যাস গ্রেনেড চালানো শুরু করে এবং আমি অনুধাবন করলাম, কিছু সময়ের মধ্যে সেগুলোর মাত্রা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।’

‘আমি ফুটপাতে এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছিলাম যেখানে আমাকে নিরাপদ বলে মনে হয়েছিল। আমি একা ছিলাম এবং আমি কারো জন্য হুমকির কারণ ছিলাম না। এ সময় আমি আমার খুব কাছেই একটা আওয়াজ শুনতে পাই এবং আমি অনুভব করলাম, আমার পরনের প্যান্ট ছিঁড়ে গেছে! এটাই আমার প্রথম অনুভূতি! আমি হাঁটার চেষ্টা করেছি কিন্তু পারিনি। আমি বুঝতে পারলাম, আমার পা থেকে প্রচুর পরিমাণে রক্তক্ষরণ ঘটছে। আমার ত্বক ফেটে গেছে।’

পোস্টের শেষে মাইশা ইসরাইলের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন, ‘পুলিশ ও দখলদার বাহিনী যে কোনো ফিলিস্তিনিকে নির্বিশেষে আক্রমণ কিংবা হত্যা করতে দ্বিধা করছে না। সে তাদের জন্য হুমকির কারণ হোক কিংবা না হোক। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে ইসরাইলি সেনাদের হামলা প্রথমবার নয়। একজন ফিলিস্তিনি হিসেবে আমার কোনো সন্দেহ নেই যে, আমি প্রতিনিয়ত হুমকির মুখোমুখি হচ্ছি। তবে এবার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে গেছে। আমরা যুদ্ধের একেবারে সামনে রয়েছি। একমাত্র ভাগ্যই আমাদেরকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।’

ইসরাইলি সেনার গুলিতে আহত ফিলিস্তিনি অভিনেত্রী

 আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
১৬ মে ২০২১, ০১:৫৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

‘অ্যাঞ্জেল’ তারকা খ্যাত ফিলিস্তিনি অভিনেত্রী মাইশা আবদ এলহাদির ওপর গুলি চালিয়েছে দখলদার ইসরাইলি সেনা। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন তিনি। 

ইসরাইলের হাইফা নগরীতে একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেয়ার পর দেশটির সামরিক বাহিনী তার ওপর গুলি চালায়। 

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ আবেগঘন পোস্টে তিনি হামলায় আহত হওয়ার খবর জানান ও এর বর্ণনা দেন।

ইনস্টাগ্রামে লেখা তার বিশদ পোস্টটি পাঠকের উদ্দেশে তুলে ধরা হলো - 

‘রোববার আমি হাইফায় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নিয়েছিলাম। আমরা স্লোগান দিচ্ছিলাম, গান করছিলাম, কণ্ঠ ব্যবহার করে ক্ষোভ প্রকাশ করছিলাম। ব্যক্তিগতভাবে আমি বিক্ষোভে স্লোগান দিচ্ছিলাম এবং ঘটনার ভিডিও করছিলাম। বিক্ষোভ শুরুর কিছুক্ষণ পর সৈন্যরা স্টেন ও গ্যাস গ্রেনেড চালানো শুরু করে এবং আমি অনুধাবন করলাম, কিছু সময়ের মধ্যে সেগুলোর মাত্রা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।’

‘আমি ফুটপাতে এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছিলাম যেখানে আমাকে নিরাপদ বলে মনে হয়েছিল। আমি একা ছিলাম এবং আমি কারো জন্য হুমকির কারণ ছিলাম না। এ সময় আমি আমার খুব কাছেই একটা আওয়াজ শুনতে পাই এবং আমি অনুভব করলাম, আমার পরনের প্যান্ট ছিঁড়ে গেছে! এটাই আমার প্রথম অনুভূতি! আমি হাঁটার চেষ্টা করেছি কিন্তু পারিনি। আমি বুঝতে পারলাম, আমার পা থেকে প্রচুর পরিমাণে রক্তক্ষরণ ঘটছে। আমার ত্বক ফেটে গেছে।’ 

পোস্টের শেষে মাইশা ইসরাইলের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন, ‘পুলিশ ও দখলদার বাহিনী যে কোনো ফিলিস্তিনিকে নির্বিশেষে আক্রমণ কিংবা হত্যা করতে দ্বিধা করছে না। সে তাদের জন্য হুমকির কারণ হোক কিংবা না হোক। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে ইসরাইলি সেনাদের হামলা প্রথমবার নয়। একজন ফিলিস্তিনি হিসেবে আমার কোনো সন্দেহ নেই যে, আমি প্রতিনিয়ত হুমকির মুখোমুখি হচ্ছি। তবে এবার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে গেছে। আমরা যুদ্ধের একেবারে সামনে রয়েছি। একমাত্র ভাগ্যই আমাদেরকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।’

 

 

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ফিলিস্তিনিদের ঘরে ফেরার বিক্ষোভ