ফিরহাদ হাকিমদের জামিন শুনানিতে যা হলো 
jugantor
ফিরহাদ হাকিমদের জামিন শুনানিতে যা হলো 

  অনলাইন ডেস্ক  

২৮ মে ২০২১, ১৫:০০:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কলকাতা হাইকোর্ট। ফাইল ছবি

পশ্চিমবঙ্গের দুই মন্ত্রীসহ ৪ নেতার জামিন শুনানি দেশটির হাইকোর্টে আজ খুব কম সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। শুনানিতে আজ কিছুটা চাপেই পড়ে যান সিবিআইয়ের আইনজীবী ও সিলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।

রাষ্ট্রপক্ষের ওই আইনজীবী আদালতকে বলেন, ওই চার নেতাকে জামিন দেবেন না। কারণ তা হলে তারা মামলায় প্রভাব খাটাতে পারেন। কারণ তারা প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। পাশাপাশি মামলা ঠাণ্ডা ঘরেও চলে যেতে পারে।

তখন তুষার মেহতাকে আদালত প্রশ্ন করেন, ওই চার নেতা-মন্ত্রী আগেও প্রভাবশালী ছিলেন। এখন হঠাৎ প্রভাবশালী হয়ে গেলেন এমনটা নয়। তাহলে এখন জামিনের বিরোধিতা করছেন কেন। এখনও কি গ্রেফতারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে?

একই সঙ্গে সিবিআইকে হাইকোর্টের পক্ষ থেকে আরও প্রশ্ন করা হয়, চার্জশিট জমা দেওয়ার পর গ্রেফতার কেন।

শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, এখন যদি অভিযুক্তদের জামিন দিয়ে মামলার শুনানি হয় তাহলে কি কোনও সমস্যা রয়েছে?

ওই প্রশ্নের উত্তরে সিবিআইয়ের আইনজীবী তুষার মেহতা বলেন, জামিনে আপত্তি নেই। তবে সেক্ষেত্রে কিছু শর্ত দিতে হবে। সেগুলি হল অভিযুক্তরা মামলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মিডিয়ার মুখোমুখি হতে পারবেন না, কোনও জামায়েতে যেতে পারবেন না। প্রয়োজনের কোর্টের আসতে হবে। সিবিআইয়ের ওই সওয়ালের পরই ৪ নেতাকে জামিনে মুক্তি দেয় হাইকোর্ট। ফলে এখন থেকে তাঁর সশরীরে তারা বৈঠক করতে পারবেন বা সরকারি কাজকর্ম করতে পারবেন। এমনটাই মনে করছেন আইনজীবীরা।

ফিরহাদ হাকিমদের জামিন শুনানিতে যা হলো 

 অনলাইন ডেস্ক 
২৮ মে ২০২১, ০৩:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কলকাতা হাইকোর্ট। ফাইল ছবি
কলকাতা হাইকোর্ট। ফাইল ছবি

পশ্চিমবঙ্গের দুই মন্ত্রীসহ ৪ নেতার জামিন শুনানি দেশটির হাইকোর্টে আজ খুব কম সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। শুনানিতে আজ কিছুটা চাপেই পড়ে যান সিবিআইয়ের আইনজীবী ও সিলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।

রাষ্ট্রপক্ষের ওই আইনজীবী আদালতকে বলেন, ওই চার নেতাকে জামিন দেবেন না। কারণ তা হলে তারা মামলায় প্রভাব খাটাতে পারেন। কারণ তারা প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। পাশাপাশি মামলা ঠাণ্ডা ঘরেও চলে যেতে পারে।

তখন তুষার মেহতাকে আদালত প্রশ্ন করেন, ওই চার নেতা-মন্ত্রী আগেও প্রভাবশালী ছিলেন। এখন হঠাৎ প্রভাবশালী হয়ে গেলেন এমনটা নয়। তাহলে এখন জামিনের বিরোধিতা করছেন কেন। এখনও কি গ্রেফতারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে?

একই সঙ্গে সিবিআইকে হাইকোর্টের পক্ষ থেকে আরও প্রশ্ন করা হয়, চার্জশিট জমা দেওয়ার পর গ্রেফতার কেন।
 
শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, এখন যদি অভিযুক্তদের জামিন দিয়ে মামলার শুনানি হয় তাহলে কি কোনও সমস্যা রয়েছে? 

ওই প্রশ্নের উত্তরে সিবিআইয়ের আইনজীবী তুষার মেহতা বলেন, জামিনে আপত্তি নেই। তবে সেক্ষেত্রে কিছু শর্ত দিতে হবে।  সেগুলি হল অভিযুক্তরা মামলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মিডিয়ার মুখোমুখি হতে পারবেন না, কোনও জামায়েতে যেতে পারবেন না। প্রয়োজনের কোর্টের আসতে হবে। সিবিআইয়ের ওই সওয়ালের পরই ৪ নেতাকে জামিনে মুক্তি দেয় হাইকোর্ট। ফলে এখন থেকে তাঁর সশরীরে তারা বৈঠক করতে পারবেন বা সরকারি কাজকর্ম করতে পারবেন। এমনটাই মনে করছেন আইনজীবীরা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন