'বসনিয়ার কসাইয়ের' বাকি জীবন কাটবে যুক্তরাজ্যের কারাগারে
jugantor
'বসনিয়ার কসাইয়ের' বাকি জীবন কাটবে যুক্তরাজ্যের কারাগারে

  অনলাইন ডেস্ক  

০২ জুন ২০২১, ১৫:১৪:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

বলকান অঞ্চলের হাজার হাজার নিরপরাধ মুসলিমকে গণহত্যার নির্দেশ দাতা 'বসনিয়ার কসাই' হিসেবে পরিচিত রাদোভান কারাদজিচকে বাকি জীবন কাটবে যুক্তরাজ্যের কারাগারে।

যুক্তরাজ্যের ইসলে দ্বীপের একটি কারাগারে এ সপ্তাহে তাকে আনা হয়েছে। নেদারল্যান্ডসের অপরাধ আদালতে যুদ্ধাপরাধের দায়ে ২০১৬ সালে তাকে ৪০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

৭৫ বছর বয়সি এ কুখ্যাত সার্ব নেতা গত শতাব্দীর '৯০-এর দশকে বলকান যুদ্ধে মুসলিমদের ওপর গণহত্যা চালানোর নির্দেশ দেন।

সার্বিয়া রক্ষার্থে গণহত্যাকে নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে মনে করতেন তৎকালীন বসনিয়া-সার্ব অঞ্চলের তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধান রাদোভান কারাদজিচ। দ্বিতীর বিশ্বযুদ্ধপরবর্তী সময়ে সবচেয়ে ভয়াবহ গণহত্যার কারিগর মানুষরূপী পিশাচ কারাদজিচ।
আরেক সার্ব নেতা স্লোবোদান মিলোসেভিচের মতো তিনিও ছিলেন উগ্র জাতীয়তাবাদী নেতা। বসনিয়ার গৃহযুদ্ধে তার নির্দেশে নির্বিচারে নিরীহ নারী, শিশুসহ লক্ষাধিক নাগরিক হত্যা করা হয়। তাকে ডাকা হতো ‘বসনিয়ার কসাই’ এবং ‘বলকানের কসাই’ হিসেবে।

রাদোভান কারাদজিচ একজন আত্মকেন্দ্রিক নেতা। তিনি কিছু কবিতাও রচনা করেন। তার কবিতার ভাষায় ফুটে উঠেছে তার উগ্রতা। একটি কবিতায় তিনি নিজেকে ‘লৌহমানব’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তার প্রচণ্ড ক্ষমতার নেশা ছিল। ১৯৯২ সালে তিনি বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তার শাসনামলে বসনিয়ায় বসবাসরত মুসলিম এবং ক্রোটদের সঙ্গে সার্বদের দ্বন্দ্ব বেঁধে যায়।

১০ বছর পালিয়ে থাকার পর ২০০৮ সালে তাকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে গ্রেফতার করে আন্তর্জাতিক আদালতে সোপর্দ করা হয়। ২০১৬ সালে তাকে ৪০ বছরের কারাদণ্ড দেওযা হয়।

'বসনিয়ার কসাইয়ের' বাকি জীবন কাটবে যুক্তরাজ্যের কারাগারে

 অনলাইন ডেস্ক 
০২ জুন ২০২১, ০৩:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বলকান অঞ্চলের হাজার হাজার নিরপরাধ মুসলিমকে গণহত্যার নির্দেশ দাতা 'বসনিয়ার কসাই' হিসেবে পরিচিত রাদোভান কারাদজিচকে বাকি জীবন কাটবে যুক্তরাজ্যের কারাগারে।

যুক্তরাজ্যের ইসলে দ্বীপের একটি কারাগারে এ সপ্তাহে তাকে আনা হয়েছে। নেদারল্যান্ডসের অপরাধ আদালতে যুদ্ধাপরাধের দায়ে ২০১৬ সালে তাকে ৪০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

৭৫ বছর বয়সি এ কুখ্যাত সার্ব নেতা গত শতাব্দীর '৯০-এর দশকে বলকান যুদ্ধে মুসলিমদের ওপর গণহত্যা চালানোর নির্দেশ দেন।  

সার্বিয়া রক্ষার্থে গণহত্যাকে নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে মনে করতেন তৎকালীন বসনিয়া-সার্ব অঞ্চলের তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধান রাদোভান কারাদজিচ। দ্বিতীর বিশ্বযুদ্ধপরবর্তী সময়ে সবচেয়ে ভয়াবহ গণহত্যার কারিগর মানুষরূপী পিশাচ কারাদজিচ।
আরেক সার্ব নেতা স্লোবোদান মিলোসেভিচের মতো তিনিও ছিলেন উগ্র জাতীয়তাবাদী নেতা। বসনিয়ার গৃহযুদ্ধে তার নির্দেশে নির্বিচারে নিরীহ নারী, শিশুসহ লক্ষাধিক নাগরিক হত্যা করা হয়। তাকে ডাকা হতো ‘বসনিয়ার কসাই’ এবং ‘বলকানের কসাই’ হিসেবে।

রাদোভান কারাদজিচ একজন আত্মকেন্দ্রিক নেতা। তিনি কিছু কবিতাও রচনা করেন। তার কবিতার ভাষায় ফুটে উঠেছে তার উগ্রতা। একটি কবিতায় তিনি নিজেকে ‘লৌহমানব’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তার প্রচণ্ড ক্ষমতার নেশা ছিল। ১৯৯২ সালে তিনি বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তার শাসনামলে বসনিয়ায় বসবাসরত মুসলিম এবং ক্রোটদের সঙ্গে সার্বদের দ্বন্দ্ব বেঁধে যায়।

১০ বছর পালিয়ে থাকার পর ২০০৮ সালে তাকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে গ্রেফতার করে আন্তর্জাতিক আদালতে সোপর্দ করা হয়। ২০১৬ সালে তাকে ৪০ বছরের কারাদণ্ড দেওযা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন