ইরাক থেকে অর্ধেকের বেশি মার্কিন সেনা প্রত্যাহার
jugantor
ইরাক থেকে অর্ধেকের বেশি মার্কিন সেনা প্রত্যাহার

  অনলাইন ডেস্ক  

০৫ জুন ২০২১, ০৯:৩৬:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ইরাক থেকে গত কয়েকমাসে দখলদার মার্কিন সেনাদের শতকরা ৬০ ভাগ সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মুস্তাফা আল-কাজেমি ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শুক্রবার এই তথ্য জানান। খবর ইরনার।

কাজেমি বলেন, গতবছর ইরাক সরকার আমেরিকার সঙ্গে তিন দফা বৈঠক করেছে এবং দ্বিতীয় দফা বৈঠকে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

মুস্তাফা আল-কাজেমী বলেন, তৃতীয় রাউন্ড বৈঠকের আগে আমরা শতকরা ৬০ ভাগ মার্কিন সেনা ফেরত পাঠাতে সমর্থ হয়েছি এবং শিগগিরই মার্কিন কর্তৃপক্ষ বাকি সেনা ফিরিয়ে নেয়ার একটি সময়সীমা ঠিক করবে।

ইরাকি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইরানের সঙ্গে ইরাকের ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা সহযোগিতা রয়েছে। তিনি বলেন, ইরান ও ইরাকের মধ্যকার সহযোগিতার কারণেই ইরানবিরোধী বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী হামলা নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে।

২০০৩ সালের প্রথম দিকে সাদ্দাম সরকারের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র থাকার অজুহাতে ইরাকে সামরিক আগ্রাসন চালায় আমেরিকা ও ব্রিটেন।

তারপর থেকে এখন পর্যন্ত দেশটিতে মার্কিন সেনা উপস্থিতি বজায় রয়েছে। যদিও ২০০৭ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে বেশিরভাগ মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছিল তবে ২০১৪ সালে সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী আইএস মোকাবেলা করার নামে ইরাকে আবার মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়।

ইরাকের জনগণ এর বিরুদ্ধে দিনদিন বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠলে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়।

ইরাক থেকে অর্ধেকের বেশি মার্কিন সেনা প্রত্যাহার

 অনলাইন ডেস্ক 
০৫ জুন ২০২১, ০৯:৩৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইরাক থেকে গত কয়েকমাসে দখলদার মার্কিন সেনাদের শতকরা ৬০ ভাগ সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মুস্তাফা আল-কাজেমি ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শুক্রবার এই তথ্য জানান।  খবর ইরনার।

কাজেমি বলেন, গতবছর ইরাক সরকার আমেরিকার সঙ্গে তিন দফা বৈঠক করেছে এবং দ্বিতীয় দফা বৈঠকে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

মুস্তাফা আল-কাজেমী বলেন, তৃতীয় রাউন্ড বৈঠকের আগে আমরা শতকরা ৬০ ভাগ মার্কিন সেনা ফেরত পাঠাতে সমর্থ হয়েছি এবং শিগগিরই মার্কিন কর্তৃপক্ষ বাকি সেনা ফিরিয়ে নেয়ার একটি সময়সীমা ঠিক করবে।

ইরাকি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইরানের সঙ্গে ইরাকের ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা সহযোগিতা রয়েছে। তিনি বলেন, ইরান ও ইরাকের মধ্যকার সহযোগিতার কারণেই ইরানবিরোধী বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী হামলা নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে।

২০০৩ সালের প্রথম দিকে সাদ্দাম সরকারের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র থাকার অজুহাতে ইরাকে সামরিক আগ্রাসন চালায় আমেরিকা ও ব্রিটেন।

তারপর থেকে এখন পর্যন্ত দেশটিতে মার্কিন সেনা উপস্থিতি বজায় রয়েছে। যদিও ২০০৭ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে বেশিরভাগ মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছিল তবে ২০১৪ সালে সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী আইএস মোকাবেলা করার নামে ইরাকে আবার মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়।

ইরাকের জনগণ এর বিরুদ্ধে দিনদিন বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠলে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ইরাকে মার্কিন-ইরান ছায়াযুদ্ধ