প্রতিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ গুলিয়ে ফেলা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক
jugantor
দিল্লি হাইকোটের মতামত
প্রতিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ গুলিয়ে ফেলা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক

  অনলাইন ডেস্ক  

১৫ জুন ২০২১, ১৮:৫৩:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

২০১৯ সালে ভারতীয় নাগরিকত্ব আইন পাসের পর উত্তাল হয়ে ভারত।

ভারতে বিতর্কিত নাগরিক সংশোধনী আইন (সিএএ) নিয়ে মামলার শুনানিতে দিল্লি হাইকোর্ট বলেছেন, প্রতিবাদের অধিকার এবং সন্ত্রাসবাদ যদি গুলিয়ে ফেলা হয়, তবে তা গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

জিনিউজের খবরে বলা হয়, ২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে দিল্লিতে সহিংসতার ঘটনায় ইউএপিএ মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন দেবাঙ্গনা কলিতা, নাতাশা নারওয়াল ও আসিফ ইকবাল তানহা। মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট তাদের জামিন মঞ্জুর করেছে।

২০১৯ সালের শেষের দিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল দিল্লিতে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় ৫৩ জন নিহত হয়েছিলেন। সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ২০২০ সালেই নাতাশা এবং দেবাঙ্গনাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। গ্রেফতার হন জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসিফ ইকবাল তানহাও।

মঙ্গলবার বিচারপতি সিদ্ধার্থ মৃদুল ও অনুপ জয়রাম ভবানীর বেঞ্চে সেই মামলাটি ওঠে। বিচারপতিরা নিম্ন আদালতের রায় খারিজ করে শর্তসাপেক্ষে ওই তিনজনের জামিন মঞ্জুর করে। তবে, আদালত বলে, তিন জনকেই তাদের পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। আইনবিরোধী কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে যাতে তদন্তে কোনও প্রভাব না পড়ে।

তবে এর পাশাপাশি আদালত বলেছে, সরকারকে বুঝতে হবে কোনটা প্রতিবাদের অধিকার আর কোনটা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ।

প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব আইন ১৯৫৫ এবং ২০০৯ সালে প্রণীত নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের (CAA) অধীনে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। ২০১৯ এর নাগরিকত্ব আইন পাসের পর থেকেই উত্তাল হয়েছে ভারত। ওই দুটি আইনই মুসলমানদের অধিকার খর্ব করেছে। উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি সরকারের প্রণীত এ আইনটি নিয়ে ভারতের বিভিন্ন মহলেও ব্যাপক সমালোচিত হয়েছে। ওই আইনটির প্রতিক্রিয়ায় দেশটির প্রতিটি কোণে ছড়িয়ে পড়িয়েছিল বিক্ষোভ।

দিল্লি হাইকোটের মতামত

প্রতিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ গুলিয়ে ফেলা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক

 অনলাইন ডেস্ক 
১৫ জুন ২০২১, ০৬:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
২০১৯ সালে ভারতীয় নাগরিকত্ব আইন পাসের পর উত্তাল হয়ে ভারত।
২০১৯ সালে ভারতের নাগরিকত্ব আইন পাসের পর উত্তাল হয়ে ভারত। ফাইল ছবি

ভারতে বিতর্কিত নাগরিক সংশোধনী আইন (সিএএ) নিয়ে মামলার শুনানিতে দিল্লি হাইকোর্ট বলেছেন, প্রতিবাদের অধিকার এবং সন্ত্রাসবাদ যদি গুলিয়ে ফেলা হয়, তবে তা গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত উদ্বেগজনক। 

জিনিউজের খবরে বলা হয়, ২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে দিল্লিতে সহিংসতার ঘটনায় ইউএপিএ মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন দেবাঙ্গনা কলিতা, নাতাশা নারওয়াল ও আসিফ ইকবাল তানহা। মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট তাদের জামিন মঞ্জুর করেছে। 

২০১৯ সালের শেষের দিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল দিল্লিতে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় ৫৩ জন নিহত হয়েছিলেন। সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ২০২০ সালেই নাতাশা এবং দেবাঙ্গনাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। গ্রেফতার হন জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসিফ ইকবাল তানহাও।

মঙ্গলবার বিচারপতি সিদ্ধার্থ মৃদুল ও অনুপ জয়রাম ভবানীর বেঞ্চে সেই মামলাটি ওঠে। বিচারপতিরা নিম্ন আদালতের রায় খারিজ করে শর্তসাপেক্ষে ওই তিনজনের জামিন মঞ্জুর করে। তবে, আদালত বলে, তিন জনকেই তাদের পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। আইনবিরোধী কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে যাতে তদন্তে কোনও প্রভাব না পড়ে।

তবে এর পাশাপাশি আদালত বলেছে, সরকারকে বুঝতে হবে কোনটা প্রতিবাদের অধিকার আর কোনটা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ। 

প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব আইন ১৯৫৫ এবং ২০০৯ সালে প্রণীত নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের (CAA) অধীনে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। ২০১৯ এর নাগরিকত্ব আইন পাসের পর থেকেই উত্তাল হয়েছে ভারত। ওই দুটি আইনই মুসলমানদের অধিকার খর্ব করেছে। উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি সরকারের প্রণীত এ আইনটি নিয়ে ভারতের বিভিন্ন মহলেও ব্যাপক সমালোচিত হয়েছে। ওই আইনটির প্রতিক্রিয়ায় দেশটির প্রতিটি কোণে ছড়িয়ে পড়িয়েছিল বিক্ষোভ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল বিতর্ক