অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নিজেই সীমান্ত পাহারা দিচ্ছেন রাজা 
jugantor
অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নিজেই সীমান্ত পাহারা দিচ্ছেন রাজা 

  অনলাইন ডেস্ক  

১৫ জুন ২০২১, ২২:৪৮:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ছবি: রয়টার্স

অনুপ্রবেশ আটকাতে স্বয়ং রাজা সীমান্তে পাহারা দিচ্ছেনভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক।গত পাঁচ দিন ধরে দেশের পূর্ব সীমান্তে তিনি নিজে নজরদারি চালাচ্ছেন। অনুপ্রবেশের কারণে যাতে দেশে করোনা সংক্রমণ না বাড়ে তাই এমন উদ্যোগ রাজার। তার সঙ্গ দেন প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং। ভুটানের মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট তেনজিং লামসাং রাজার পাহারাদারির ছবি টুইট করেছেন।

করোনা মহামারীর মধ্যে সব দেশের প্রশাসনই সংক্রমণ নিয়ে সজাগ। বিভিন্ন দেশের সরকার বেশ কিছু কোভিড বিধিনিষেধ জারি করেছে। সীমান্তেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে যাতে অনুপ্রবেশ না ঘটে। কিন্তু দেশের রাজা নিজে সেপাই-পেয়াদা নিয়ে সীমান্তে নজরদারি চালাচ্ছেন এই দৃশ্য নজর কেড়েছে গোটা বিশ্বের।

গত মে মাসে প্রধানমন্ত্রী শেরিং জাতির উদ্দেশে বলেন, 'এখনই যদি আমরা নিয়ন্ত্রণ না করি তাহলে দেশ শেষ হয়ে যাবে।'

দেড় বছর পরেও করোনা অতিমারী নিয়ে দেশবাসীকে সচেতন থাকতে বলেছেন তিনি। কিন্তু রাজা খোদ যেভাবে দেশের পাহারাদার হয়ে কাজ করছেন তার কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। অতিমারী আবহে এই নিয়ে ১৪-১৫ বার সীমান্তে নজরদারি চালালেন রাজা। ছবিগুলি পোস্ট করে ভুটানের মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট তেনজিং লামসাং লিখেছেন, অতিমারী পরিস্থিতিতে রাজপ্রাসাদে খুব কমই থেকেছেন রাজা ওয়াংচুক। দেশের সুরক্ষার খাতিরে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সীমান্তে নজরদারি চালাচ্ছেন।

রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভুটানে এখনও পর্যন্ত ১৮২৬ জনের সংক্রমণ ধরা পড়েছে আর এক জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ১৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নিজেই সীমান্ত পাহারা দিচ্ছেন রাজা 

 অনলাইন ডেস্ক 
১৫ জুন ২০২১, ১০:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ছবি: রয়টার্স
ছবি: রয়টার্স

অনুপ্রবেশ আটকাতে স্বয়ং রাজা সীমান্তে পাহারা দিচ্ছেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক। গত পাঁচ দিন ধরে দেশের পূর্ব সীমান্তে তিনি নিজে নজরদারি চালাচ্ছেন। অনুপ্রবেশের কারণে যাতে দেশে করোনা সংক্রমণ না বাড়ে তাই এমন উদ্যোগ রাজার। তার সঙ্গ দেন প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং। ভুটানের মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট তেনজিং লামসাং রাজার পাহারাদারির ছবি টুইট করেছেন।

করোনা মহামারীর মধ্যে সব দেশের প্রশাসনই সংক্রমণ নিয়ে সজাগ। বিভিন্ন দেশের সরকার বেশ কিছু কোভিড বিধিনিষেধ জারি করেছে। সীমান্তেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে যাতে অনুপ্রবেশ না ঘটে। কিন্তু  দেশের রাজা নিজে সেপাই-পেয়াদা নিয়ে সীমান্তে নজরদারি চালাচ্ছেন এই দৃশ্য নজর কেড়েছে গোটা বিশ্বের।

গত মে মাসে প্রধানমন্ত্রী শেরিং জাতির উদ্দেশে বলেন, 'এখনই যদি আমরা নিয়ন্ত্রণ না করি তাহলে দেশ শেষ হয়ে যাবে।'

দেড় বছর পরেও করোনা অতিমারী নিয়ে দেশবাসীকে সচেতন থাকতে বলেছেন তিনি। কিন্তু রাজা খোদ যেভাবে দেশের পাহারাদার হয়ে কাজ করছেন তার কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। অতিমারী আবহে এই নিয়ে ১৪-১৫ বার সীমান্তে নজরদারি চালালেন রাজা। ছবিগুলি পোস্ট করে  ভুটানের মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট তেনজিং লামসাং লিখেছেন, অতিমারী পরিস্থিতিতে রাজপ্রাসাদে খুব কমই থেকেছেন রাজা ওয়াংচুক। দেশের সুরক্ষার খাতিরে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সীমান্তে নজরদারি চালাচ্ছেন।

রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভুটানে এখনও পর্যন্ত ১৮২৬ জনের সংক্রমণ ধরা পড়েছে আর  এক জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ১৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন